কাকে ঘুষ খাইয়ে চন্দন নগর ধ্বংস করা হয়েছে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ব্যাংক ম্যানেজার মনোয়ার হোসেন অত্যন্ত সরলমনা ও উদার প্রকৃতির মানুষ। ব্যাংকের প্রতিটি কর্মচারীকে তিনি অগাধ বিশ্বাস করেন। তাঁর মামার অনুরোধে মাকসুদ হাসান নামের এক ব্যক্তিকে তিনি ক্যাশিয়ার পদে নিয়োগ দেন এবং সিন্দুকের চাবি হস্তান্তর করেন। একদিন রাতের অন্ধকারে নৈশ প্রহরীর সহায়তায় মাকসুদ হাসান ব্যাংকের সকল অর্থসম্পদ আত্মসাত করে আত্মগোপন করেন।উদ্দীপকের যে বিষয়গুলো 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তার তুলনামূলক আলোচনা করো।
- কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার কে?
- রক্ত ঝরেঅগ্নির মতো বাঁশের কেল্লা বেদির পরেরক্ত ঝরাই ফাঁসির মঞ্চে দীপান্তরেঝরেছে সকল রক্ত। এখন কখানা হাড়েঝকঝক করে তীব্র তীক্ষ্ণ বর্শা-ফলানতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারেইস্পাত হাড়ে গড়েছি বজ্র বহ্নি-জ্বালা।"নতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারে"- উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের দেশপ্রেম আলোচনা কর।
- মহাকবি বাল্মীকির "রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির ভাষিক রূপ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। রাবণ চরিত্র তাঁর অনন্য সৃষ্টি। রাবণ দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ এক বীর। সহোদর বিভীষণ বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী। বহিঃশক্তি রাম-লক্ষ্মণ তার দোসর। তার দেখানো পথেই লক্ষ্মণ রাবণপুত্র নিরস্ত্র মেঘনাদকে হত্যা করে বিভীষণের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধে রাবণকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় এবং বিজয় সূচিত হয় বহিঃশক্তির।'বিশ্বাসঘাতকতাই রাবণ ও সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।'-'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
- খাল কেটে কুমির আনা' ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের কোন চরিত্র বাগ্গারায় উল্লিখিত কুমির চরিত্রের প্রতিভূ?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কেন মিরজাফর চক্রকে বন্দি করেননি?
- এ দেশে থেকে এ দেশকে ভালোবেসেছি'- সংলাপটি কার?
- ইতিহাসের একজন সামন্ত নবাব হয়েও সিরাজুদ্দৌলা নাটকে সিরাজ চরিত্রটি হয়ে উঠেছে-
- 'আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে'সিরাজউদ্দৌলার এই উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?
- "ব্রিটিশ সিংহ ভয় লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।"-ব্যাখ্যা করো।
- 'আমরা সাদা নিশান উড়িয়ে দিয়েছি'— বাক্যটির মধ্যদিয়ে কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- আবেদ আলী এতিম জালালকে আদর, ভালোবাসা আর বিশ্বাস-ভরসা দিয়ে বড় করে তোলেন। তাকে বিশ্বাস করে হাটে বাজারে পাঠান বিকিকিনি করতে। প্রতিবেশীরা সাবধান করলেও আবেদ আলী তা কানে তোলেননি। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে আবেদ আলী বাড়ির ভিতরে থেকে জালালকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যেতে বলেন। কিন্তু জালাল প্রতিশ্রুতি দিয়েও লোভে পড়ে আবেদ আলীকে ধরিয়ে দেয় রাজাকার আর পাক হানাদারদের হাতে।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজের কোন সেনাপতি যুদ্ধে প্রথম মৃত্যুবরণ করে?
- 'যত দিন রবে পদ্মা, মেঘনা, গৌরী, যমুনা বহমানততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।'"উদ্দীপকের শেখ মুজিবুর রহমানের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ"- ব্যাখ্যা করো।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'শাজাহান।' পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট শাহজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটিকে শ্রেষ্ঠ ট্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট শাহজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'শাজাহান।'বিষয়বস্তুর দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশীয় দোসরদের সহায়তায় আমাদের দেশে ব্যাপক নির্যাতনচালায় । অসংখ্য মানুষের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। মা-বোনদেরসম্মানহানি করে এবং ব্যাপক গণহত্যা চালায় ।এরূপ সাদৃশ্যের অন্তর্নিহিত কারণ— কুঠিয়াল ইংরেজ কর্তৃক নিরীহ প্রজাদের ওপরঅত্যাচারলবণ বিক্রেতার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ানবাবের অর্থ আত্মসাৎ করানিচের কোনটি সঠিক?
- ঘসেটি বেগম কাকে সাপিনী বলেছেন?
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।'নবাব সিরাজউদ্দৌলার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ একই প্রেরণা থেকে উৎসারিত।'- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।