বাপের বাড়িতে যাইবার কালে কহিত ধরিয়া পা ‘আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ।’ পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
A. জসীমউদ্দীন
B. আবদুল কাদির
C. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
D. নবীনচন্দ্র সেন
সঠিক উত্তরঃ
A.
জসীমউদ্দীন
Explanation: আলোচ্য কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কবি জসীমউদ্দীন। এটি তাঁর বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতার অংশবিশেষ। এটি কবির ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্গত কবিতা। কবিতাটি ১৯২৫ সালে প্রথম ‘কল্লোল পত্রিকাতে’ প্রকাশিত হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- আঠারো বছর বয়সকে কবি 'দুঃসহ' বলেছেন কেন?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় আঠারো বছরের বৈশিষ্ট্য হলো-যৌবনের উদ্দীপনা ও সাহসিকতাদুর্বার গতি, নতুন জীবনের স্বপ্ন রচনালক্ষ দীর্ঘশ্বাসে এ বয়স বেদনায় কাঁপেনিচের কোনটি সঠিক?
- " আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা" -কারণ এই বয়সে মানুষ
- রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাবে। পরিবারের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে।উদ্দীপকের রফিকের মধ্যে আঠারো বছর বয়সের কোন দিকটি স্পষ্ট? ব্যাখ্যা করো।
- "এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।"- এ কথার তাৎপর্য কী?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য আমৃত্যু কোন পত্রিকার সম্পাদকছিলেন?
- করোনা মহামারিতে মানুষ যখন খুব ভীত ও আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাপন করছিল বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিশা তখন ভয়ভীতি ত্যাগ করে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা আক্রান্ত মানুষের বাড়িতে ওষুধ ও খাবার নিয়ে গেছে দিন রাত। তিশাকে অনেকেই এসব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিলেও তিশার কাছে মনে হয়েছে তারুণ্যই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। আর এ জন্যই সে সমস্ত সমালোচনা অগ্রাহ্য করে মানবতার সেবায় অংশগ্রহণ করেছে সানন্দে।"উদ্দীপকের তিশার কাজ ও মনোভাব 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব কে বহন করে মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে। কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি এই প্রত্যাশা করেছেন?
- ’আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।রক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে।পুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচাআয় দূরন্ত আয় রে আমার কাঁচা।"উদ্দীপকে এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় মূলত তারুণ্যের জয়গান গাওয়া হয়েছে।" মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।"উদ্দীপকের প্রাণধর্ম ও যৌবন-ধর্ম 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় পরিলক্ষিত হয়"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- 'ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?- প্রলয় নূতন সৃজন-বেদন!আসছে নবীন-জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন!তাই সে এমন কেশে বেশেপ্রলয় বয়েও আসছে হেসে-মধুর হেসে!ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর!'উদ্দীপকে বর্ণিত ইতিবাচক দিকের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মিল নির্ণয় করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থটির নাম কী?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'- ব্যাখ্যা করো।
- 'একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- 'বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাটযাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহারসাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে’– তারুণ্যের এবৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে—
- 'সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে'-এখানে তরুণদের কোন বিশেষ দিকটির প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? বুঝিয়ে বলো।
- "এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে "এ বাক্যে 'আঠারো' কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।''তারুণ্য শক্তিই পারে আগামী জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে।'- উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'আপদ আছে, জানি আঘাত আছেতাই জেনে তো বক্ষে পরান নাচে।' উদ্দীপকটির ভাবার্থ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতারসাথে কোন অর্থে অভিন্ন?