‘বিড়াল’ প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র কাকে অন্ধকার হতে আলোতে এনেছেন?
A. বিড়াল
B. পতিত আত্মা
C. কমলাকান্ত
D. নেপোলিয়ন
সঠিক উত্তরঃ
B.
পতিত আত্মা
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ‘বিড়াল’ প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র অন্ধকার থেকে আলোতে আনার জন্য পতিত আত্মার মঞ্চ ব্যবহার করেছেন, যা মানুষকে পুনর্জন্মের পথে নিয়ে যায়। অপশন বিশ্লেষণ: A. বিড়াল: ভুল, এটি কোনো ধরনের সম্পর্কিত চরিত্র নয়। B. পতিত আত্মা: সঠিক, এটি বঙ্কিমচন্দ্রের মাধ্যমে আলোতে আনার চরিত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে। C. কমলাকান্ত: ভুল, এটি এই প্রসঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D. নেপোলিয়ন: ভুল, এটি বঙ্কিমচন্দ্রের প্রবন্ধে সম্পর্কিত নয়। নোট: বঙ্কিমচন্দ্র পতিত আত্মাকে আলোতে আনার মাধ্যমে মানুষের আত্মিক পুনর্জন্মের ধারণা প্রকাশ করেছেন।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘লোক-লোকান্তর’ কবিতায় কোন বৃক্ষের কথা উল্লেখ আছে?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা কোনটি?
- নিচের কোনটি সত্য নয়?
- মানবসৃষ্টির উপাদানগুলির মধ্যে একটি উপাদান ছিল, ইহা সুনিশ্চিত ।এ বাক্যটি কোন রচনায় আছে?
- হৈমন্তীর বাবার নাম কী?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।জবড়জঙ' শব্দটির বিপরীত অর্থ কী?
- জসীম উদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
- 'কত ঊর্ণাজাল বুনে কেটেছে' 'একটি ফটোগ্রাফ' কবিতায় 'ঊর্ণাজাল' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত?
- একটি তুলসী গাছের কাহিনি গল্পে কতৃপক্ষের নির্দেশে বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণকারী মানুষগুলো কতদিনের মাথায় বাড়ি ছাড়ে?
- মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম সন কোনটি
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'বোধোদয়' গ্রন্থ শুরু করেন-
- “উষ্ণ উষ্ণ পাবত তহিঁ সবই সরবী বালী। মোরাঙ্গ পীছ পরিহাণ সরবী গীবত গুঞ্জরী মালী”॥- পদটির পদকর্তা-
- আল মাহমুদ এর রচনা নয়-
- হায়ওয়ান আলী কোন নাটকের চরিত্র?
- 'তোমাকে নয়ন ভরে দেখে নিলাম। আসুক জরা, আসুক মৃত্যু, আর ভয় করিনা।; -রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকে এটি কার উক্তি?
- ভিটামিন আবিষ্কার করেন কে?
- নিচের কোনটি আল মাহমুদের উপন্যাস?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।কবিদের বাণী কেন ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো বয়ে যায়?
- অনুচ্ছেদটির শূণ্যস্থান পূরণ করঃ
- সেই ভালোবাসার চারিদিকে ভারী একটি স্বাস্থ্যকর হাওয়া বহিত। এ বাক্যটি কোন লেখকের লেখায় পড়েছ/