বিধবা শেফালীর সংসারে পনেরো বছরের একটি মেয়ে ছাড়া আর কেউ নেই। নিজের ও মেয়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব শেফালীকেই নিতে হয়। স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য জমিটুকুর দেখাশোনাও সে করে। পাড়ার বখাটেরা প্রায়ই তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে। শেফালী গ্রামের মোড়লের কাছে বিচার দাবি করলেও সে ন্যায়বিচার পায়নি। রক্ষকের নামে ভক্ষকদের কারণে শেফালীর মতো নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।
'রক্ষকের নামে ভক্ষকদের কারণে শেফালীর মতো নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।'- মন্তব্যটি 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মাসি-পিসি গল্পে ‘বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাইতো-বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- ' জননী', 'চিহ্ন'-এগুলো কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
- দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। যখন জ্ঞান ফিরে আসে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝি'র এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয় অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে পাঠাবে না তারা। বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকীর কাছে বড় হয়েছে।উদ্দীপকের প্রতিমার সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি চরিত্রের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম-
- শোষকেরা জনমতের বিরুদ্ধে যেতে ভয় পায় কেন?
- 'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়,'- এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।'- কেন?
- গার্ড: রেলের প্ল্যাটফর্মে ঘুমিয়ে পরিবেশ নোংরা করছকেন? সরে যাও, না হয় জেলে পাঠাব।সবুরা: 'জেলেরে ভয়ে পাই না, ছেলেমেয়ে সবসহ নিয়েযাও। ওখানে দুমুঠ খেতে দিবা। আগে বাঁচি, তারপর দেখব সুন্দর।উদ্দীপকের সবুরার মধ্যে রয়েছে মাসি-পিসি' গল্পেরমাসি-পিসির —দুঃসাহসিকতাতেজবাকপটুতানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘'জেলে নয় গেলাম কৈলেশ, কিন্তু মেয়া যদিসোয়ামির কাছে না যেতে চায় খুন হবার ভয়ে ?”উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে মাসি-পিসি চরিত্রের-
- "নিজেকে তার ছ্যাচড়া,নোংরা নর্দমার মত লাগে" -কে বলছে?
- ছুটি রাণী বিধবা ও নিঃসন্তান। এ বিধবার নিকট-সম্পর্কের কেউ নেই। একদিন বাড়ির আঙিনার মন্দিরের পাশে বিশ-ঊর্ধ্ব একটি মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। সমস্ত ঘটনা শুনে মেয়েটিকে ঘরে নিয়ে আসেন। স্বামীর নির্দয়তায় ক্ষত-বিক্ষত মেয়েটিকে মায়ের স্নেহে আশ্রয় দেন। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোক সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চান। মেয়েটি কোনোভাবেই ফিরে যেতে রাজি নয়। ছুটি রাণীও মেয়েটিকে যেতে দেননি। এজন্য ছুটি রাণীকে সামাজিক নেতিবাচকতার মুখোমুখি হতে হয়। ছুটি রাণী মেয়েটিকে তার স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত ধন-সম্পত্তি উইল করে দেন।"উদ্দীপকের ছুটি রাণী, এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি একে অপরের পরিপূরক।"- বিশ্লেষণ করো।
- “গবেষণা” (গো+এষণা) কোন ধরনের শব্দ?
- কোনটি বিদেশি উপসর্গ?
- বাবা-মা হারা রাইনার শেষ আশ্রয় বুড়ো দাদু। কিন্তু সমস্যা হয় বাবার রেখে যাওয়া সম্পদের কারণে, তার প্রতি শকুনের চোখ পড়ে। সম্পত্তির সবটুকু গ্রাস করেও তৃপ্তি হয় না গ্রামের মাতব্বরের ছেলের। তার লোভ জাগে রাইনার উপর। কিন্তু রাইনার দাদু এই বৃদ্ধ বয়সেই রুখে দাঁড়ায় সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে।উদ্দীপকের মাতব্বরের ছেলে ও 'মাসি-পিসি' গল্পের গোকুল একই চরিত্রের অধিকারী- বিশ্লেষণ করো।
- মাসি-পিসি' গল্পের একটি অন্যতম দিক কী?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার-আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।উদ্দীপকের চাচা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।' ব্যাখ্যা করো।
- 'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।
- 'চায়ের দোকান না কীসের দোকান তা বুঝিছি কৈলাশ'- কথাটি দ্বারা যা বোঝানো হয়েছে-দোকানটি আসলে চায়ের দোকান ছিল নাদোকানটি ছিল নেশাজাতীয় দ্রব্যেরদোকানটি ছিল মনোহর জিনিসেরনিচের কোনটি সঠিক?