‘ন্যায়দণ্ড’ উপন্যাসটি কে রচনা করেন?
A. স্বর্ণকুমারী দেবী
B. জরাসন্ধ
C. রশীদ করিম
D. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সঠিক উত্তরঃ
B.
জরাসন্ধ
Explanation: ‘জরাসন্ধ’ ‘ন্যায়দণ্ড’ উপন্যাসটি রচনা করেন। জরাসন্ধ চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে-তামসী, মসীরেখা, একুশ বছর, পরশমনি প্রভৃতি।
Related Questions (Any University/Year)
- সকলের দেবতার বিশ্ব-দেউল কী?
- সামাজিক ধনবৃদ্ধি ব্যতীত কার উন্নতি নাই?
- দীপ্ত সম্প্রতি তার বড়ো ভাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দর্শন করে আসে। জাদুঘরে গিয়ে সে প্রচুর আনন্দ লাভ করে। জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করে। সভ্যতা বিকাশের নানা নিদর্শন ও তথ্যচিত্র দেখে সে চমৎকৃত হয়। এতে সে মানসিক শক্তি অর্জনের প্রেরণা খুঁজে পায়। জাদুঘর দর্শন তার ভেতরে দেশপ্রেম ও জাঁতির প্রতি দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়। এখন সে নিজেকে চিনে ও জানে।উদ্দীপকের দীপ্তর অনুভূতির সঙ্গে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
- ‘জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্য অনুযায়ী যারা প্রেমও সৌন্দর্যের স্পর্শ লাভ করেনি তাদের একমাত্রদেবতা কে?
- ‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- 'জীবন ও বৃক্ষ'' প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনুষ্যত্বের সঙ্গে সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছেন-
- পৃথিবীর প্রথম জাদুঘর কোথায় ছিল?
- বৃদ্ধের পুত্রবধুর কবরে ঝিঁঝিরা কী বাজায়?
- বৈশাখী উৎসব আমাদের প্রাণের উৎসব। সব পেশা, শ্রেণি ও ধর্মের মানুষ এ উৎসব পালন করে। ঐদিন আপামর বাঙালি তাদের ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও ভেদাভেদ ভুলে একই মাঠে নেচে গেয়ে নতুন বছরকে ধারণ করে। বৈশাখী মেলা, পান্তা-ইলিশ, একতারা, নাগরদোলা, পুতুল নাচ ইত্যাদি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে পুরো জাতি তাদের হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে স্মরণ করে। এ দিনে বাঙালি জাতি সাম্প্রদায়িক চেতনা ভুলে একাকার হয়ে যায়।উদ্দীপকের বৈশাখী উৎসবের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতার সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- "সে তো প্রাঁপ্ত নয়, আত্মবিসর্জন। " কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- নিচের চরণটি তোমার পাঠ্য কোন কবিতার প্রথমচরণ?
- ’পথের দাবী’র মূল বক্তব্য কী?
- ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতাটির রচয়িতা কে?
- ‘শঙ্খমালা' নামের রূপসী কী রঙের শাড়ি পরে আছে?
- কোনটি জহির রায়হান রচিত উপন্যাস নয়?
- রেদওয়ান তরুণ প্রতিভাবান কবি-সাহিত্যিক হিসেবে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছে। যদিও আর্থিক অনটনের মধ্য দিয়ে সে জীবন-যাপন করছে, তবু সে কখনো নিজেকে দরিদ্র মনে করে না। কেননা সে জানে, তার চিন্তা-চেতনার রাজ্যে সে নিজেই সম্রাট । আপন চেতনালোকে সে লালন করে ভিন্ন এক পৃথিবী; যেখানে রূপ-সৌন্দর্য ও মাধুর্যে সে হয় অভিভূত। আর সেই রূপ- সৌন্দর্য এবং মাধুর্যেই তরুণ কবি রেদওয়ান সৃষ্টি করে তার প্রতিটি কবিতা।"উদ্দীপকটিতে যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে তা 'লোক-লোকান্তর' কবিতার সার্বিক বিষয় নয়"- যুক্তিপূর্ণ মতামত দিয়ে বুঝিয়ে দাও।
- সাগর সাহেবের বাসায় কাজ করে আয়না বিবি। মাস শেষে বেতন পেলেও ঠিকমতো খাবার পায় না সে। ক্ষুধার যন্ত্রণায় মাঝে মাঝে চুরি করে খাবার খায় আয়না। একদিন খাবার চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লে শাস্তি হিসেবে প্রহার করে তাকে তাড়িয়ে দেয়। আয়না বলে, "পেটে ক্ষুধা থাকলে চুরি না করে উপায় কী?"উদ্দীপকের খাবার চুরি 'বিড়াল' রচনার কোন প্রসজোর, সাথে কেন সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে আলাের দেবতা বলতে কী বুঝানাে হয়েছে?
- কোনটি সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত গল্প নয় ?
- 'স্বপ্নালু চোখে নাবতো তার।’ -কার চোখে স্বপ্ন নামতো?