'ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়'- বুঝিয়ে লেখো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- আসিতেছে শুভ দিনদিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ।হাতুড়ি শাবল গাঁইতি চালায়ে ভাঙিল যারা পাহাড়,তারাই মানুষ তারাই দেবতা, গাহি তাহাদেরি গান,তাদেরি ব্যথিত বক্ষে পা ফেলে আসে নব উত্থান।"উদ্দীপকের বক্তব্য 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মৌলসত্য।"- বিশ্লেষণ কর।
- যে কবিতা শুনতে চানে না, সেত সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে' কেন?
- কবির পূর্বপুরুষের করতলে কীসের সৌরভ ছিল?
- কোন কবিতার ঐতিহ্যসচেতন শেকড়সন্ধানী মানুষের সর্বাঙ্গীন মুক্তি ঘোষণা ব্যক্ত হয়েছে?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার বৈসাদৃশ্য হলো-শব্দ ব্যবহারেছন্দ ব্যবহারেচিত্রকলা ব্যবহারেনিচের কোনটি সঠিক?
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের।শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পড়েছি ফাঁসআপোষ-করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।উদ্দীপকের ইতিহাস প্রসঙ্গ এবং 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় ঐতিহ্যচেতনার সাদৃশ্য নির্দেশ করো।
- সুখ-সমৃদ্ধিতে ঐশ্বর্যময় এবং প্রাণৈশ্বর্যে ভরপুর এই সুন্দর দেশটি বগীর আক্রমণ থেকে শুরু করে বারবার শত্রুর লোলুপ দৃষ্টিতে পড়েছে। বিপর্যস্ত হয়েছে এ দেশের সহজ-সরল মানুষের জনজীবন, অর্থনৈতিক বুনিয়াদ এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য। কিন্তু কোনো শত্রুর কাছে পরাভব মানেনি এ দেশের গণমানুষ। তাই তো যুগে যুগে আমরা দেখি, নূরলদীন-তিতুমীর-হাজী শরিয়তউল্লাহ-সূর্য সেন-প্রীতিলতা-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিস্ময়কর শক্তি-সাহস এবং শৌর্যবীর্য। হাজার বছর ধরে এ দেশের মানুষের রয়েছে রক্তে রঞ্জিত গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্য।উদ্দীপকের ব্যক্তিদের কীভাবে কাঙ্ক্ষিত মানবমুক্তির দূত বলা যায়? 'আমি কিংবদন্তির কথা' বলছি' কবিতার বক্তব্যের সঙ্গে সাদৃশ্য দেখাও।
- 'তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল।'- কেন?
- 'ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়’– 'আমি কিংবদন্তিরকথা বলছি' কবিতায় চরণটির অর্থ কী?
- আমি কবি ও কবিতার কথা বলছি । পাঠ্যবইয়ের কোন কাবিতায় পঙ্গক্তিটি রয়েছে ?
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেন বাঙালি জাতিকে মুক্তির কবিতা শোনালেন। বাঙালি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, শোষণ বঞ্চনার কথা তুলেধরে তিনি বলেন, 'বাঙলার ইতিহাস এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস।' তিনি এক পর্যায়ে বাঙালি জাতিকে প্রতিবাদী আর সংগ্রামী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছে, রক্ত আরও দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশা-আল্লাহ।' প্রধানত,- বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি ছিল বাঙালি জাতির কাছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক আর মুক্তির কবিতা।উদ্দীপকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? বিচার করো।
- জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কী?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কোন শব্দটিঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে?
- ‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’ কবিতাটিতে কোন ঐতিহাসিক পটভূমি স্থান পেয়েছে?
- 'আমি আমার ভালোবাসার কথা বলছি'- পঙ্ক্তিটিতে'আমার ভালোবাসা' দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- কোন নদীর কাজল বুকের পলিতে গলিত হেম?
- “আমি কৰি ও কবিতার কথা বলছি।” কোন কবিতার পঙক্তি?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় 'বিচলিতস্নেহ' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- বিশ্বম্ভর বাবু মনে করতেন তার পূর্বপুরুষেরা মননশীলতা, সৃজনশীলতা ও অধ্যবসায়ের যে স্বাধীনচেতা মানসিকতা প্রকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন তা আজ ইতিহাস। তাঁরা ঔপনিবেশিক শাসন আমলে ক্রীতদাসে পরিণত হয়ে নানা নিপীড়ন সহ্য করলেও স্বাধীনতার বাক্য উচ্চারণ করতে দ্বিধা করেননি। তিনিও তাই তাদের মনোভাব আঁকড়ে ধরে সামনের দিকে এগোতে চান, সত্য প্রকাশ করতে চান।উদ্দীপকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কোন দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।