কোন কবি নবাব সিরাজউদৌলার চরিত্রনির্ভর নাটক রচনা করেন ?
A. মোহাম্মদ আবু জাফর
B. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
C. সিকান্দার আবু জাফর
D. আবু জাফর
সঠিক উত্তরঃ
C.
সিকান্দার আবু জাফর
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সিংহজানী পরগণার এক প্রতাপশালী জমিদারের নাম সিংহ নারায়ণ রায়। প্রজাবাৎসল্য তার চরিত্রের অন্যতম দিক। প্রজাদের সুখের জন্য তিনি দিঘি খনন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, খাদ্যাভাব মোকাবিলায় খাদ্য মজুদসহ নানা রকম জনহিতকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তার জমিদারির অন্যতম সদস্য ছিলেন একমাত্র ভগ্নিপতি সমর সমাদ্দর। তিনি তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং বিশ্বাস করতেন। এই বিশ্বাসের সুযোগে সমর সমাদ্দার আত্মস্বার্থ চরিতার্থে ব্যস্ত থাকত। তার কৃতকর্ম অনেকবার ধরা পড়লেও জমিদার ঔদার্যবশত তাকে ক্ষমা করে দিতেন। এক বছর খাজনা পরিশোধের জন্য সমরকে দায়িত্ব দিলে সে সমস্ত অর্থ নিয়ে আত্মগোপন করে। সূর্যাস্ত আইনে জমিদারির পতন ঘটে।'উদ্দীপকের প্রজাবৎসল সিংহ নারায়ণ রায় যে কারণে জমিদারি হারিয়েছেন একই কারণে'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বাংলার স্বাধীনতা-সূর্য অস্ত যায়।'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে উক্তিটি যাচাই করো।
- চরম ব্যবসায়িক বিপর্যয়ের সময় স্বার্থের কারণে রশিদ সাহেবেরপ্রতি স্ত্রী-সন্তানরাও মুখ ফিরিয়ে নেয়; অথচ জীবনের শেষ দিনপর্যন্ত রশিদ সাহেবকে সেবা করার শপথ নেয় ভৃত্য করিম।উদ্দীপকে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের যে ভাব প্রকাশিত, তাহলো-স্বার্থান্ধতাব্যক্তিজীবনের বিপর্যয়আত্মীয়তার বন্ধনের শৈথিল্যনিচের কোনটি সঠিক?
- জোহরা: আর একদিন কি দু'দিন। তার পরই ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো। আমার সঙ্গে ফিরে চলো।কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হব না সে হবে বিশ্বাসঘাতক। আমাদের সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটির প্রতি উদ্দীপকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? আলোচনা করো।
- ইংরেজরা পরাজিত হয়ে কোন জাহাজে আশ্রয় নেয়?
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'-এ উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- মাত্র সতেরো জন্য সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খিলজি বাংলার মসনদ দখল করে নেন। এই সতেরো জন্য সৈন্য যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের অসামান্য সাহস, বিশ্বাস আর শৃঙ্খলার জন্য। 'পক্ষান্তরে লক্ষ্মণসেনের বাহিনী ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত। লক্ষ্মণসেনের বিশাল বাহিনী তাকে রেখে পালিয়ে গেল। তাই লক্ষ্মণসেনও আত্মগোপনে চলে গেলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।'মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।'- এই উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য।'- কথাটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- জোহরাঃ আর একদিন কি দু'দিন। তারপরই সে ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো, আমার সঙ্গে ফিরে চলো। কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হবো না, সে হবে বিশ্বাসঘাতক। ... আমার সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব/দলত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা। (রক্তাক্ত প্রান্তর- মুনীর চৌধুরী)“ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের লর্ড ক্লাইভ উদ্দীপকে বর্ণিত কার্দির বিপরীত প্রতিচ্ছবি।”- বিশ্লেষণ করো।
- কোলকাতা থেকে তাড়া খেয়ে ড্রেক দলবলসহ কোন জাহাজে আশ্রয় গ্রহণ করে?
- যতিন শেখ বহু বছর ধরে প্রবাসী। থাকা-খাওয়াসহ মাসিক বেতনের বিনিময়ে তার গ্রামের বাড়ি ও সম্পদ দেখাশুনা করে মোহন। প্রচন্ড অর্থলোভী মোহন যতিন শেখের সহায়-সম্পদের যথেচ্ছা ব্যবহার ও তা আত্মসাৎ করলেও যতিন শেখের কাছে সে ভীষণ বিশ্বাসভাজন। এবার দেশে এলে মোহন ডাকাত দলের সাথে মিলে যতিন শেখের বাড়ি ডাকাতি করে বিপুল অর্থ আত্মসাতের পরিকল্পনা করেছে। সে মনে করে অর্থই সব, অর্থের চেয়ে বড় আর কিছু নেই।উদ্দীপকের মোহন চরিত্রের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌল' নাটকের কোন ঘটনা ও চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা কর।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলীনগরের দেওয়াননিযুক্ত করেন ?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময়-
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'---কোন ধরনের গ্রন্থ?
- সিরাজউদ্দৌলার পিতার নাম-
- সিরাজ-উদ্-দৌলা নাটকে ঘসেটি বেগমের পালক পুত্রের নাম কী?
- পারিবারিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ন্যায্য সুবিধাদেওয়ার দাবিতে অনড় থাকায় সুবিধাভোগীদের সহায়তায়অতি আদরের ভাতিজা নাজিমের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ষড়যন্ত্রেলিপ্ত হয় চাচা কামরুল ।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনবিষয়টিকে ধারণ করেছে?
- সিরাজউদ্দৌলা কার দৌহিত্র ছিলেন?
- ১৯৭১ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ আর লাখো শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পথ চলায় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী ছাড়াও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এদেশীয় রাজাকার শ্রেণি। গণহত্যা, লুট, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ নানা ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডে শামিল হয় তারা। কিন্তু এদেশের স্বাধীনতার জয়যাত্রায় কোনোভাবেই তারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এদেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এদেশে স্বাধীন হয়েছে।উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজাকার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে? ব্যাখ্যা করো।
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে?'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মনসুর, অপু, তাহেরসহ মোট বারোজন মিলে নিজেদেরউন্নতির জন্য একটি সমিতি গঠনে করে। সবাই প্রতি মাসেপাঁচশ টাকা করে তাহেরের কাছে জমা রাখে। কিছুদিন পরতাহের সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। উদ্দীপকের তাহের ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের প্রতিনিধি?
- পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠা একাই ভোগ দখল করার লক্ষে অতি আদরের ভাতিজা নাজমুলের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় চাচা বদরুল। উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন বিষয়টিকে ধারণ করেছে?