আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- করোনা মহামারিতে মানুষ যখন খুব ভীত ও আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাপন করছিল বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিশা তখন ভয়ভীতি ত্যাগ করে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা আক্রান্ত মানুষের বাড়িতে ওষুধ ও খাবার নিয়ে গেছে দিন রাত। তিশাকে অনেকেই এসব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিলেও তিশার কাছে মনে হয়েছে তারুণ্যই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। আর এ জন্যই সে সমস্ত সমালোচনা অগ্রাহ্য করে মানবতার সেবায় অংশগ্রহণ করেছে সানন্দে।উদ্দীপকের তিশার সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাবে। পরিবারের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে।উদ্দীপকের রফিকের মধ্যে আঠারো বছর বয়সের কোন দিকটি স্পষ্ট? ব্যাখ্যা করো।
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- আঠারো বছর বয়স কোন ছন্দে রচিত?
- 'আপদ আছে, জানি আঘাত আছেতাই জেনে তো বক্ষে পরান নাচে।' উদ্দীপকটির ভাবার্থ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতারসাথে কোন অর্থে অভিন্ন?
- 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- “স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি”, — 'আঠারো বছর বয়সকবিতার চরণটিতে প্রকাশ পেয়েছে তরুণদের—
- আমরা চলি সম্মুখপানেকে আমাদের বাঁধবে?রইল যারা পিছুর টানেকাঁদবে তারা কাঁদবে।ছিঁড়ব বাধা রক্ত পায়ে,চলব ছুটে রৌদ্রে ছায়েজড়িয়ে ওরা আপন গায়েকেবলই ফাঁদ ফাঁদবে।উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকের সাদৃশ্য লক্ষণীয়? ব্যাখ্যা করো।
- 'আঠারো বছর বয়স মাথা নোয়াবার নয়'- কেন?
- বিপদের মুখে 'আঠারো বছর বয়স' কেমন?
- এক সময়ে শহরের পাড়ায় পাড়ায় ছিল মাঠ। খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে কেটে যেত পলাশ ও কাজলের শৈশব কৈশোরের দূরন্ত দিনগুলো। লেখাপড়ার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের সুযোগ ছিল বরে তারা অসৎ সঙ্গে পড়ে বিপথে, যাননি। আজ বৃদ্ধ বয়সেও তাদের বন্ধুত্ব অটুট। একসঙ্গে প্রাতভ্রমণের সময়ে বিশ্রাম নেওয়া এবং খবরের কাগজ পড়া তাদের নিত্যদিনের অভ্যাস। একদিন 'খবরের একটি শিরোনামে দুজনারই চোখ আটকে যায়- 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ নগরবাসী।'উদ্দীপকের 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডব'- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি নির্দেশ করে? বর্ণনা করো।
- আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?
- 'আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে'- কীসের আঘাত আঠারো বছর বয়সিদের জীবনে ঘন ঘন আসে?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- কবির এ প্রত্যাশার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোন কবিতা অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত নয়?
- যেন গতিহীন, প্রাণহীন, সৃজনবিরাগী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রতিটি প্রাত্যহিক আজ। এ দেশের তরুপসমাজ এক অনিবার্য স্থবিরতায় ক্রমে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। মোবাইল ও মাদক তাদের এই অধঃপাতের প্রধান দুটি কারণ বলে মনে হয়। মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য যে আত্মমর্যাদা, ব্যক্তিত্ব, স্বনির্ভরতা, দুরন্ত গতিবেগ, সৃজন, নির্ভীকতা, পরোপকার, অসাম্প্রদায়িকতা, সংস্কৃতিবোধ ও স্বদেশপ্রেম তা থেকে এ দেশের যুবসমাজ নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। পক্ষান্তরে গেমিং, টিকটক করা বা দেখা, অনলাইন আসক্তি এবং নানা রকম নেশা গ্রহণে তারা এখন ডুবে আছে। আসুন এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজি।উদ্দীপকের বর্তমান যুবসমাজ এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন দৈনিক পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন?
- সূর্যকে হৃৎপিন্ডে ধরে রাখার অর্থ হলো-মুক্তির অনিবার্যতা সর্বশক্তিকে ধারণ সামর্থ্য অর্জন নিচের কোনটি সঠিক?
- আমরা চলি সম্মুখপানেকে আমাদের বাঁধবে?রইল যারা পিছুর টানেকাঁদবে তারা কাঁদবে।ছিঁড়ব বাধা রক্ত পায়ে,চলব ছুটে রৌদ্রে ছায়েজড়িয়ে ওরা আপন গায়েকেবলই ফাঁদ ফাঁদবে।উদ্দীপকের বক্তব্য ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার যে ভাবগত মিল রয়েছে, তা কোন অর্থে ইতিবাচক?