১৯৭১ সালে সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে নান্দিনা গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্যরা আশ্রয় নেয়। তাদের নানাভাবে সাহায্য করতে থাকে ঐ গ্রামের আবুল মন্ডল। একদিন তার দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে পাকিস্তানি হাদানার বাহিনীর সদস্যরা অধ্যাপক সাজেদুল ইসলামকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। তাঁর কাছ থেকে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে জানতে চাইলেও তিনি তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান।
উদ্দীপকের অধ্যাপক সাজেদুল ইসলাম যেন 'রেইনকোট' চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করেছে। তোমার মতামত ব্যক্ত কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন'- ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি সঠিক বানান?
- 'ক্রাক-ডাউনের রাত' বলতে ১৯৭১ সালের কোন রাতকে বলা হয়েছে?
- ‘রেইনকোট' গল্পে ভীতু নুরুল হুদার সাহসী হয়ে ওঠারমূল কারণ-
- "তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা,সখিনা বিবির কপাল ভাঙলো,সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলোদানবের মতো চিৎকার করতে করতেতুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো।উদ্দীপকের সঙ্গে 'রেইনকোট'- গল্পটি কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা কর।
- বৃত্তাকারে দাঁড়ানো মিলিটারির মাঝখানে হাত-পা বাঁধা কালামকে টানতে টানতে এনে দাঁড় করানো হলো। কালামের নাক-মুখ থেকে রক্ত ঝরছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, মুক্তিবাহিনী কোথায় পালিয়ে গেছে? তিনি ঠিক করলেন, কিছুই বলবেন না। বন্দুকের নলটা কপালের ঠিক মাঝখানটায় ধরা হলো। তিনি বললেন, 'আমার মতো সাধারণ কালামের মৃত্যুতে কিছু এসে যায় না। কিন্তু মুক্তিফৌজদের জীবনের দাম আছে। মুক্তিফৌজ না বাঁচলে তোমাদের মারবে কে?' গুলিটা কপাল ভেদ করে বেরিয়ে যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত মিলিটারির নিপীড়নের দৃশ্যটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে তুলনা করো।
- 'রেইনকোট' গল্পে মিন্টু কবে বাড়ি ছেড়ে গিয়েছিল?
- 'Discriminatory' এর পারিভাষিক শব্দ-
- বৃত্তাকারে দাঁড়ানো মিলিটারির মাঝখানে হাত-পা বাঁধা কালামকে টানতে টানতে এনে দাঁড় করানো হলো। কালামের নাক-মুখ থেকে রক্ত ঝরছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, মুক্তিবাহিনী কোথায় পালিয়ে গেছে? তিনি ঠিক করলেন, কিছুই বলবেন না। বন্দুকের নলটা কপালের ঠিক মাঝখানটায় ধরা হলো। তিনি বললেন, 'আমার মতো সাধারণ কালামের মৃত্যুতে কিছু এসে যায় না। কিন্তু মুক্তিফৌজদের জীবনের দাম আছে। মুক্তিফৌজ না বাঁচলে তোমাদের মারবে কে?' গুলিটা কপাল ভেদ করে বেরিয়ে যায়।"উদ্দীপকের কালাম ও 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদার মতো সাধারণ ব্যক্তিরাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রেরণা।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'trilogy' এর পরিভাষা কী?
- 'শোনেন, মিলিটারি যাদের ধরে, মিছেমিছি ধরে না।' “রেইনকোট” গল্পের এই উক্তিটি কার?
- "বাজারে মিলিটারি ঢোকার পর থেকেই কলিমদ্দি দফাদারের ওপর বোর্ড অফিস খোলার ভার পড়েছে। অপেক্ষাকৃত কমবয়স্ক চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান মিলিটারির ভয়ে পারতপক্ষে এদিকে আসেন না। মেম্বারগণও আত্মগোপন করেছেন। কিন্তু বোর্ড অফিস নিয়মিত খোলা রাখার হুকুম জারি আছে। কলিমদ্দি এ কাজ করার জন্য বাজারে আসে। খান সেনারা ওকেই ওদের অভিযানে সঙ্গী করে নেয়। সে সরকারি লোক, নিয়মিত নামাজ পড়ে এবং যা হুকুম তা পালন করে। সুতরাং সন্দেহের কারণ নেই।" তাই এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাক-ক্যাম্পের খবর মুক্তি বাহিনীর নিকট সরবরাহ করাসহ পাকিস্তানি হানাদারদের বিপথে চালিত করতে পারে কলিমদ্দি। "উদ্দীপকের কলিমদ্দি ও 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদার মতো সাধারণ ব্যক্তিরাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চেতনা"। মন্তব্যটি যাচাই করো।
- 'রেইনকোট' গল্পে ভীতু নুরুল হুদার সাহসী হয়ে ওঠারমূল কারণ কী?
- রেইনকোট গায়ে দিয়ে ভীতু নুরুল হুদার মধ্যে সঞ্চারিত হয়-উষ্ণতাসাহসদেশপ্রেমনিচের কোনটি সঠিক?
- উপকারির অপকার করেন যিনি-
- ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১। কালীগঞ্জ গ্রামের একজন যুবক রাতের অন্ধকারে ওই গ্রামের মিলিটারি ক্যাম্পে হামলা করে, বোমা মেরে ব্রিজ উড়িয়ে দেয়। প্রচন্ড গোলাগুলির সময় কয়েকজন মিলিটারির হাতে ধরা পড়ে। সেখান থেকে আহত অবস্থায় পালিয়ে বৃদ্ধ বশির দাদার বাড়িতে আশ্রয় নেয় আহাদ। খবর পেয়ে মিলিটারিরা ছুটে আসে কিন্তু আহাদকে পায় না। বৃদ্ধ বশিরকেই তারা তুলে নিয়ে অনেক অত্যাচার করে। বৃদ্ধ বশির গরম লোহার ছ্যাকা সহ্য করে তবুও আহাদের কোনো তথ্য দেয় না। তার কাছে মনে হয় আহাদকে বাঁচানো মানে দেশকে বাঁচানো।উদ্দীপকে মিলিটারি ক্যাম্পে হামলার ঘটনাটি 'রেইনকোট' গল্পের কোন ঘটনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- বিদেশি সেনার কামান বুলেটে বিদ্ধনারী শিশু আর যুবক-জোয়ান-বৃদ্ধশত্রু সেনারা হত্যার অভিযানেমুক্তিবাহিনী প্রতিরোধ উত্থানেমুক্তির পথ যুদ্ধেও রয় জেনেঘাতক ধ্বংস করেছে অস্ত্র হেনে।"উদ্দীপকটির 'মুক্তিবাহিনী'র সাথে 'রেইনকোট' গল্পে বর্ণিত মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষশক্তির বর্ণনা অনেকটা সাদৃশ্যযুক্ত হলেও বৈসাদৃশ্যও রয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘রেইনকোট’ গল্পে রেইনকোটটি কার?
- দেশমাতৃকার মুক্তির শপথ নিয়ে মুক্তি বাহিনীতে যোগ দেয় হুমায়ূন সাহেবের পাঁচ ছেলে। রাজাকারের মাধ্যমে এই খবর জানতে পেরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হুমায়ুন সাহেবের ঘর- বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। অবশেষে ক্যাম্পে ধরেও নিয়ে যায় তাকে, বারবার জানতে চায় তাঁর -ছেলেদের ঠিকানা। হুমায়ুন সাহেব চুপ করে করে থাকলে তাঁর পিঠের ওপর প্রচন্ড জোরে চাবুকের আঘাত করে। যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়েন তিনি। রক্তাক্ত ও ক্ষত-বিক্ষত হয় তাঁর শরীর। তবু তিনি মুক্তিবাহিনীর কোনো খবর দেননা হানাদার বাহিনীকে।উদ্দীপকের হুমায়ুন সাহেবের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র কোনটি? আলোচনা করো।
- ১৯ শে অক্টোবর ১৯৭১ সালে ঢাকার মতিঝিল এলাকায় একটি ব্যাংকের সম্মুখে পাকিস্তানি জঙ্গী সরকারের তাঁবেদারদের একটি মোটরগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। আমাদের দুঃসাহসিক বীর তরুণরা প্রকাশ্যে টহলরত হানাদার সৈন্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে উক্ত গাড়ির আসনের নিচে একটা 'টাইম বোমা' বসিয়ে দেয়। এরপর তাঁবেদাররা ব্যাংক লুট করে মোটরে আসনে গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত করে বোমাটি বিস্ফোরিত হলে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য গাড়িও একসঙ্গে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ফলে ঘটনাস্থলে ৫ জন তাঁবেদার খতম এবং কয়েকজন মারাত্মক আহত হয়। গেরিলা যোদ্ধাদের এরকম কর্মকাণ্ড অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তোলে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রেরণা জোগায়।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।