ল্যামপ্লে- এর লার্ভা দশার নাম কি?
JUUnit-DSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসChordata পর্বের শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
অ্যামোসিট
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ল্যামপ্লে হলো একটি প্যারাসাইট প্রাণী যা জলজ পরিবেশে বাস করে। এর লার্ভা দশা অনেকটা স্পেসিফিক থাকে।\nঅপশন বিশ্লেষণ:\nA. অ্যামোসিট: সঠিক উত্তর, কারণ ল্যামপ্লে এর লার্ভা দশার নাম 'অ্যামোসিট'।\nB. ট্যাডপোল: ভুল, ট্যাডপোল হলো ব্যাঙের লার্ভা দশা, ল্যামপ্লে এর সাথে সম্পর্কিত নয়।\nC. মিরাসিডিয়া: ভুল, এটি একটি ভিন্ন ধরণের লার্ভা দশা যা সাধারণত স্কোলেক্সটোমাস বা বিভিন্ন পরজীবীর মধ্যে পাওয়া যায়।\nD. টরনারিয়া: ভুল, এটি একধরণের লার্ভা দশা যা সমুদ্র প্রাণী যেমন সি স্টার, হোস্টাইল বা বাচ্চাদের মধ্যে দেখা যায়।\nনোট: ল্যামপ্লে প্রজাতির বাচ্চারা তাদের প্রথম জীবনের সময় অ্যামোসিট নামক একটি লার্ভা দশায় থাকে।
Another Explanation (5):
ল্যাম্প্রে: লার্ভা দশা এবং অ্যামোসিট 🌊
ল্যাম্প্রে একটি চোয়ালবিহীন মাছ। এদের লার্ভা দশার নাম অ্যামোসিট। এটি ল্যাম্প্রের জীবনচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়।
অ্যামোসিট দশার বৈশিষ্ট্যসমূহ 🔎
- অ্যামোসিট লার্ভা সাধারণত স্রোতবিহীন অগভীর জলে বাস করে।
- এরা দেখতে ছোট, কীট-এর মতো এবং এদের চোখ ভালোভাবে গঠিত হয় না।🐛
- অ্যামোসিট কাদা বা বালির মধ্যে মুখ লুকিয়ে ফিল্টার ফিডিং করে (ডায়াটম, অ্যালগি)।
- এরা ২-৮ বছর পর্যন্ত লার্ভা দশায় থাকতে পারে।⏳
- অ্যামোসিট দশায় এদের কিছু বিশেষ অঙ্গ তৈরি হয় যা পরবর্তীতে রূপান্তরিত হয়ে পূর্ণাঙ্গ ল্যাম্প্রে তে বিকশিত হয়।
অ্যামোসিট থেকে ল্যাম্প্রেতে রূপান্তর metamorphosis 🦋
অ্যামোসিট দশার পরে ল্যাম্প্রে একটি রূপান্তরের মধ্যে দিয়ে যায়। এই সময়কালে:
- চোখ গঠিত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। 👀
- মুখের চারপাশে চোষক অঙ্গ তৈরি হয়। 👄
- পাখনার গঠন পরিবর্তিত হয়।
- রঙ পরিবর্তিত হয়ে গাঢ় হয়।
অ্যামোসিট এবং পূর্ণাঙ্গ ল্যাম্প্রের মধ্যে পার্থক্য ছকের সাহায্যে 📊
| বৈশিষ্ট্য | অ্যামোসিট লার্ভা | পূর্ণাঙ্গ ল্যাম্প্রে |
|---|---|---|
| চোখ | underdeveloped | well-developed 👀 |
| মুখ | চোষক অঙ্গ অনুপস্থিত 🚫 | চোষক অঙ্গ উপস্থিত ✅ |
| খাদ্য গ্রহণ | ফিল্টার ফিডিং 🧫 | পরজীবী/ শিকারী 🦈 |
| বাসস্থান | অগভীর জল 🏞️ | নদী এবং সমুদ্র 🌊 |
গুরুত্ব 🤔
ল্যাম্প্রে এবং অ্যামোসিট উভয়ই তাদের পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অ্যামোসিট জলজ খাদ্য জালের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।🐟
আশা করি এই ব্যাখ্যাটি ল্যাম্প্রের লার্ভা দশা অ্যাম???সিট সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 👍
Option A Explanation:
- অ্যামোসিট: অ্যামোসিট হলো এক ধরনের এককোষী অশুকোলজী প্রাণী, যা সাধারণত জলজ পরিবেশে দেখা যায়।
- এটি একটি প্রোটোজোয়া, যা অশুকোলজী কণার মতো গঠনযুক্ত এবং অতি সূক্ষ্ম শারীরিক গঠন দ্বারা গঠিত।
- অ্যামোসিটের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর মোবিলিটি, যা এটি পরিবেশ অনুযায়ী সহজে স্থান বদল করতে সক্ষম করে তোলে।
- এটি বিভিন্ন ধরনের খাদ্য গ্রহণ করে, যেমন ক্ষুদ্র অণুজীব ও অন্যান্য অণুজীব।
- অ্যামোসিটের শরীরের গঠন মূলত একটি জেলির মতো, যা তার চলাচল ও খাদ্যগ্রহণে সহায়ক।
Option B Explanation:
- ট্যাডপোল: এটি একটি প্রাকৃতিক জলজ জীব, যা সাধারণত উষ্ণ ও শুষ্ক পরিবেশে পাওয়া যায়।
- এটি মূলত ট্যাডপোল পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এর শরীরের আকার ছোট থেকে মাঝারি আকারের, এবং এটি জলজ জীবের মধ্যে অন্যতম।
- ট্যাডপোলের লার্ভা পর্যায়ে সাধারণত ডিম থেকে বের হয়ে পানিতে বিকাশ লাভ করে।
- এটি বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে পরিবেশের উপর নির্ভর করে আলাদা আলাদা রঙ ও আকারের হতে পারে।
Option C Explanation:
মিরাসিডিয়া ব্যাখ্যা
মিরাসিডিয়া
- অর্থ: মিরাসিডিয়া হলো লার্ভার দশার এক ধাপ, যেখানে লার্ভা একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে স্থির থাকে বা খুব কম গতিতে চলে।
- বৈশিষ্ট্য: এই পর্যায়ে লার্ভা সাধারণত পরিপক্ব হয়ে ওঠার জন্য প্রস্তুত হয় এবং এটি সাধারণত নির্দিষ্ট শারীরবৃত্তীয় গঠন বা কার্যকলাপে থাকে।
- উদ্দেশ্য: এই অবস্থা প্রাথমিক বা আধা-পরিপক্ব লার্ভার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি পরবর্তী ধাপে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত হয়।
- উদাহরণ: বিভিন্ন অণুজীব বা প্রাণীর জীববৈচিত্র্যে এই পর্যায়টি দেখা যায়, যেখানে লার্ভা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই দশায় থাকে।
Option D Explanation:
- টরনারিয়া (Tornaria): এটি ল্যামপ্লে- এর লার্ভার একটি নাম, যা সাধারণত ল্যামপ্লে- এর লার্ভার বিভিন্ন ধরণের জীবনচক্রের অংশ হিসেবে দেখা যায়।
- অন্য লার্ভা ধরনের মতোই, এটি স্বাভাবিকভাবে জলজ পরিবেশে পাওয়া যায় এবং মূলত পুকুর, সমুদ্র বা নদীর পানিতে থাকে।
- এটি সাধারণত ছোট আয়তনের, এবং এর গঠন ও গতি নির্ভর করে তার উন্নয়নের পর্যায়ের উপর।