‘ঐকতান’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থ?
A. সেঁজুতি
B. শেষ লেখা
C. জন্মদিনে
D. পত্রপুট
সঠিক উত্তরঃ
C.
জন্মদিনে
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'এবার ফিরাও মোরে' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিসত্তাকে আহ্বান করেছিলেন দারিদ্রপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের শক্তির উদ্বোধন ঘটাবার জন্য। তিনি এতে বলেছেন, যারা দরিদ্র, তারা বংশ পরম্পরায় দারিদ্র্যের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে। তাদের মুখের অন্ন কেউ কেড়ে নিলেও তারা থাকে মুক ও ভীতসন্ত্রস্ত। প্রতিবাদ করা তো দূরের কথা, সবিনয়ে নালিশের ভাষাও যেনো এদের নেই। স্বয়ং বিধাতাও যেনো এদের প্রতি বিমুখ। কবি বলেছেন যে এদের মুখে দিতে হবে ভাষা।'ঐকতান' কবিতায় যে অপূর্ণতার কথা ব্যক্ত হয়েছে উদ্দীপকে তা নেই'- বিশ্লেষণ করো।
- সেলিম আল দীন এর নাট্যরীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
- "চাষার দুক্ষু" প্রবন্ধে কোন অঞ্চলের প্রসঙ্গ অধিক গুরুত্ব পেয়েছে?
- সাগর সাহেবের বাসায় কাজ করে আয়না বিবি। মাস শেষে বেতন পেলেও ঠিকমতো খাবার পায় না সে। ক্ষুধার যন্ত্রণায় মাঝে মাঝে চুরি করে খাবার খায় আয়না। একদিন খাবার চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লে শাস্তি হিসেবে প্রহার করে তাকে তাড়িয়ে দেয়। আয়না বলে, "পেটে ক্ষুধা থাকলে চুরি না করে উপায় কী?"উদ্দীপকের আয়না বিবি এবং 'বিড়াল' রচনার বিড়াল অভিন্ন চেতনার ধারক।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ’তামাশার জায়গা এ নয়- হলফ পড়’ উক্তিটি কার?
- “কলিমদ্দি দফাদার” গল্পটি-
- স্কুল শিক্ষক দীপকবাবু জ্ঞান চর্চা করে নিজেকে সমৃদ্ধকরে তুলেছেন। অপরদিকে সে জ্ঞান শিক্ষার্থীর মাঝেবিলিয়ে দিয়ে আলোকিত করছেন তাদের জীবন।স্কুল শিক্ষক দীপকবাবুর জ্ঞান চর্চা 'জীবন ও বৃক্ষ'প্রবন্ধের কোন বিষয়ের ইঙ্গিত বহন করে?
- কবি জীবনানন্দ দাশ শঙ্খমালার রূপকল্পে কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- ‘লোক থেকে লোকান্তরে আমি যেনো স্তব্ধ হয়েশুনি'— কবি কী শুনতে পান ?
- 'চমকে উঠে উভয়েই তাকালাম ওর দিকে।' বাক্যটির রচয়িতা
- ‘একটি তুলসী গাছের কাহিনী’ গল্পের প্রেক্ষাপট কী?
- শেখ রাসেলকে নিয়ে শেখ হাসিনার লেখা বই কোনটি?
- ' হৈমন্তী চুপ করিয়া রহিল' - বাক্যটির জটিল রূপ কি ?
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' রচনায় মৌলভী ধরনের মানুষ?
- দরিদ্র বাবা-মা তাদের প্রথম সন্তানের নাম রাখেন সাজাহান। তাদের স্বপ্ন সাজাহান অনেক বড় হবে। কিন্তু আর্থিক অভাব ও শিক্ষা না থাকায় সাজাহান কিশোর বয়সেই কাজে নেমে পড়ে। পাশের গ্রামের কৃপণ ও ধনী আলম সাহেবের বাড়িতে সাজাহান কাজের লোক হিসেবে নিযুক্ত হয়। প্রতিদিন ঘরে ও বাইরে সমান পরিশ্রম করে সাজাহান। কিন্তু পরিশ্রম অনুযায়ী তাঁর ভাগ্যে খাবার জোটে না। একদিন বাজারের টাকা বাঁচিয়ে সাজাহান লাড্ডু কিনে খায়। কিন্তু টাকার হিসেব দিতে না পারায় আলম সাহেব তাকে নির্দয়ভাবে মারে। মনে ক্ষোভ নিয়েও সাজাহান সব সহ্য করে, কারণ সে জানে, সে গরীব-অসহায়।"উদ্দীপকটি সাজাহান ও 'বিড়াল' রচনার বিড়াল একই বিড়ম্বনার অংশীদার।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মতলবপুর গ্রামে সুসজ্জিত স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, খেলার মাঠ, সোনাফলা ফসলি জমি-সবই আছে কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসা বা স্কুল-কলেজের শিক্ষা গ্রহণের জন্য যে আর্থিক সামর্থ্যের প্রয়োজন তা গ্রামের অধিকাংশ মানুষেরই নেই। ফসলি জমির ফসল ওঠে কয়েকটি ভূ-স্বামী পরিবারের গোলায়। তাই অর্ধাহারে, অশিক্ষায় আর চিকিৎসাহীনতায় মানবেতর জীবনযাপন করে মতলবপুর গ্রামের আশি ভাগ মানুষ। বাইরে থেকে দেখলে যে গ্রামকে আদর্শ মনে হয় নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভেসে ওঠে সে গ্রামের বঞ্চিত গ্রামবাসীর অসহায় মুখচ্ছবি।উদ্দীপকের 'ফসল' এর সাথে 'বিড়াল' প্রবন্ধের ধনবৃদ্ধির তুলনা কর।
- বৃক্ষের গান শুনতে হবে কীভাবে?
- ‘স্বরূপের সন্ধানে’ গ্রন্থের লেখক কে?
- 'আমার সময়' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে ?