সত্যিকার মানব-কল্যাণ কীসের ফসল?
A.
আনন্দের
B.
মহৎ চিন্তাভাবনার
C.
মহৎ উদ্দেশ্যের
D.
প্রশান্তির
সঠিক উত্তরঃ
B.
মহৎ চিন্তাভাবনার
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মানব-কল্যাণের প্রাথমিক সোপান কী?
- "রাষ্ট্র, জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক"- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- উদ্দীপক-১: শফিক সাহেব প্রতিদিন একশত টাকা করে ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেন। গরিবের দুঃখকে তিনি উপলব্ধি করতে পারেন বিধায় তিনি অধিক পরিমাণে গরিবদের আর্থিক সহায়তা করেন।উদ্দীপক-২: রহমত সাহেব সচরাচর ভিক্ষা দেন না। তবে প্রতিবছর তিনি নিজ এলাকায় গমন করে একজন দরিদ্র ব্যক্তিকে দোকানঘর করে দিয়ে বা রিক্সা কিনে দিয়ে স্বাবলম্বী করে তোলেন।উদ্দীপক-১ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটিকে তুলে ধরে? ব্যাখ্যা করো।
- উদ্দীপক ও উক্ত প্রবন্ধ যে দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ-বিষয়বস্তুর দিক থেকেমূলবক্তব্যের দিক থেকেসাংগঠনিক দিক থেকেনিচের কোনটি সঠিক?
- কারক' শব্দের বিশ্লেষণ করলে হয়-
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- মহকাল মানুষের কর্মকে গ্রহণ করে, কারণ—
- এ বছরের কালবৈশাখী ঝড়ে বশিরের হালের গরু মারা যায় এবং ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। সবকিছু থাকার পরেও তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে, সে এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যায়। চেয়ারম্যান সাহেব সবকিছু শুনে একজোড়া হালের বলদ কিনে দেয় এবং আবার নতুন করে চাষাবাদ শুরু করতে বলে। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা মতো কঠোর পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসেই তার ঘরে, নতুন ফসল আসে।"পরিশ্রমই মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পূর্বশর্ত।"-উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ভেলরি টেইলর, বাংলাদেশের এক অকৃত্রিম বন্ধুর নাম। ৭২ বছর বয়সি মহান ব্যক্তি কর্মজীবনে লাভ করেছেন নানা স্বীকৃতিসহ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি। স্বেচ্ছাসেবা এবং সম্পূর্ণ আপন প্রচেষ্টায় সিআরপি প্রতিষ্ঠা করে তিনি দুস্থ, নিঃসহায় মানুষের জন্য বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে পঙ্গুত্বের শিকার হাজার হাজার মানুষকে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরিয়ে আনতে তার গড়া সিআরপি নজিরবিহীন ভূমিকা পালন করেছে।উদ্দীপকের সাথে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক তুলে ধরো।
- আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- কোন পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়?
- ‘তৃষ্ণার্ত’ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ‘করিয়া > কইরা > করে' কী জাতীয় ধ্বনির পরিবর্তন?
- শিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা কোথায় প্রতিফলিত হয়?
- লেখকের মতে 'মানব-কল্যাণ' বলতে কী বোঝায়? বর্ণনা করো।
- 'ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগে' পঙক্তিটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
- আদালত কোন ধরনের শব্দ?
- কোনগুলো ওষ্ঠ্যদ্বনি?
- কোনটি মৌলিক স্বরধ্বনি নয়?
- মাদার তেরেসা আশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারির সঙ্গে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরো অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। এক সময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারাজীবনে তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে। যে মানুষ হবে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন স্বাবলম্বী মানুষ। এজন্যই তাঁর চ্যারিটি'গতানুগতিক কোনো সেবা-সংস্থা নয়।'তাঁর চ্যারিটি গতানুগতিক কোনো সেবা সংস্থা নয়'- মানব-কল্যাণ প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।