একটি নক্ষত্রের ভর সূর্যের ভরের তিনগুণ। নক্ষত্রটি যদি কৃষ্ণবিবরে রূপান্তরিত হয় তবে এর সোয়ার্জস্কাইল্ড ব্যাসার্ধ কত?
SUSTUnit-Bপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজ্যোতির্বিজ্ঞানকৃষ্ণ বিবর (Topic Practice)SUST - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
8.85km
Explanation: Hints:\(R_s = \frac{2GM}{C^2} \)
Solve: \(R_s = \frac{2GM}{C^2} \\ \)
এখানে, M = নক্ষত্রের ভর, \( R_s\) = সোয়াজকাইফড ব্যাসার্ধ
\(C = 3 \times 10^8 \, \text{ms}^{-1} \\ \)
\(\implies R_s = \frac{2 \times 6.67 \times 10^{-11} \times 3 \times 1.99 \times 10^{30}}{(3 \times 10^8)^2} \implies R_s = 8.85 \, \text{km} \\ \)
Ans. (A)
ব্যাখ্যা: কোনো বস্তু/নক্ষত্রের মহাকর্ষ কেন্দ্র যদি এতটাই শক্তিশালী হয় যে, এই কেন্দ্র থেকে কোনো বস্তু এমনকি আলোও বের হয়ে আসতে না পারে তখন এ বস্তু ও বস্তুর মহাকর্ষ কেন্দ্রের সম্পূর্ণ অঞ্চলকে বলা হবে কৃষ্ণগহ্বর বা কৃষ্ণ বিবর।
এ অঞ্চলের ব্যাসার্ধকে বলা হয় ঘটনা দিগন্ত বা সোয়াজকাইফড ব্যাসার্ধ।
এ ব্যাসার্ধ অকর্ষণীয় বস্তুর মুক্তিবেগ বা কৃষ্ণ পলয়ের বেগ না হওয়ার কারণে এ অঞ্চলের থেকে আলো পর্যন্ত বের হতে পারে না তাই অঞ্চলটিকে দেখা যায় না।
তবে মান অনুসারে করা যাবে।
যেমন: সূর্যের ব্যাসার্ধ যদি 3 \, \text{km} হয়ে যায় তাহলে সূর্য অদৃশ্য হয়ে যাবে। কিন্তু এর প্রভাব থাকবে। অর্থাৎ সূর্যের কেন্দ্র করে এই ঘটনা পূর্বের মতো ঘুরবে।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে, কোনো বস্তু বা আলো।
এ অঞ্চলের থেকে বের হয়ে আসতে পারবে না কেন? আপাতত একটি দিক নিয়ে বলি,
এ অঞ্চল সৃষ্টিকারী বস্তু/নক্ষত্রের জন্য মুক্তিবেগ যদি আলোর বেগের সমান হয়ে যায়, তখন কোনো বস্তু বা অঞ্চলের থেকে বের হয়ে আসার জন্য প্রয়োজনীয় বেগ অর্জন করতে পারে না।
অর্থাৎ, এ অঞ্চলের জন্য V_e = C হয়।
মুক্তিবেগ এর ক্ষেত্র আমরা জানি,
\(V_e = \sqrt{\frac{2GM}{R_s}} \implies V_e = C হলে গেলে R = R_s \\ \)
[\(R_s \)= সোয়াজকাইফড ব্যাসার্ধ]
\(\therefore C = \sqrt{\frac{2GM}{R_s}} \implies C^2 = \frac{2GM}{R_s} \therefore R_s = \frac{2GM}{C^2}\)