‘সুবচন নির্বাসনে’ নাটকটির রচয়িতা কে?
A. সৈয়দ শামসুর হক
B. আবদুল্লাহ আল মামুন
C. সেলিম আল দীন
D. কল্যাণ মিত্র
সঠিক উত্তরঃ
B.
আবদুল্লাহ আল মামুন
Explanation: ‘সুবচন নির্বাসনে’ আব্দল্লাহ আল মামুনের নাট্যগ্রন্হ। তাঁর আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাটক: সেনাপতি, তোমরাই, কোকিলারা, এবার ধরা দাও প্রভৃতি।
Related Questions (Any University/Year)
- পুঁথির প্রতাপ' কে লিখেছেন ?
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শহীদুলের 'ব্রত' এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের 'বৃক্ষের সাধনা' একই সূত্রে গাঁথা।"- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- জীবনানন্দ দাশকে 'নির্জনতম কবি' বলে আখ্যায়িতকরেছেন—
- 'যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান'- জীবন ও বৃক্ষ' রচনায় কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে 'তপোবন প্রেমিক রবীন্দ্রনাথ'বলতে যা বোঝানো হয়েছে—
- 'পদ্মা নদীর মাঝি' কে লিখেছেন?
- ‘স্বল্পপ্রাণ, স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ।’-কোন প্রবন্ধের অংশ?
- ‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসের লেখকের নাম-
- জীবন-বন্দনা' কবিতাটি কোন্ ছন্দে রচিত?
- সকল মহামানবই চেয়েছেন হিংসা-দ্বেষ ও হানাহানিমুক্ত একটি বাসযোগ্য নির্মল পৃথিবী। হিংসা আর স্বার্থপরতার বিষবাষ্পে ছেয়ে গেছে বর্তমান বিশ্ব। ভালোবাসাহীন, স্বার্থান্ধ ও মানবিকতাশূন্য এমন পৃথিবীর কথা মহামানবেরা চিন্তাও করেননি। সর্বত্র বিরাজমান সকল অশুভ শক্তির শিকড়কে উপড়ে ফেলে ভালোবাসা ও মানবিকতার ছায়া ছড়িয়ে দিতে পারলেই বাসযোগ্য একটি নির্মল পৃথিবীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।উদ্দীপকের মহামানবদের চাওয়ার সাথে 'সেই অস্ত্র' কবিতার কবির চাওয়ার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- কাল ছিলে কোথা? - আদালতে উকিলের এ প্রশ্নের উত্তরে কমলাকান্ত বলেছে-
- ওয়াটারলু যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
- কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক..... দাঁত ভাল থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু।উদ্দীপকের মূলবক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- ‘শিশুরাজ্যে এই মেয়েটি একটি ছোটখাট বর্গির উপদ্রব বলিলেই হয়।’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের সংলাপ?
- "এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে" কবিতায় সন্ধ্যার বাতাসে কি উড়ে যায়?
- জসীম উদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি?
- ‘ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতি শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম।’ – কে বলেছেন?
- কমলাকান্তের দপ্তর কোন ধরনের রচনা ?
- ভারতীয় সংবিধান থেকে ৩৭০ ধারা বিলুপ্তির অর্থ-