নিচের কোন ফলটি নিষেক ছাড়াই সৃষ্টি হতে পারে?
RUUnit-CSet-2জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ প্রজননঅপুংজনি বা পার্থেনোজেনেসিস (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
আংগুর
Explanation:

Another Explanation (5):
নিষেক ছাড়াই ফল: আঙ্গুর🍇
কিছু কিছু ফল আছে যা নিষেক (fertilization) ছাড়াই সৃষ্টি হতে পারে। এই প্রক্রিয়াকে পার্থেনোকার্পি (Parthenocarpy) বলা হয়। পার্থেনোকার্পিক ফলগুলোর মধ্যে আঙ্গুর অন্যতম।
পার্থেনোকার্পি কী? 🤔
পার্থেনোকার্পি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ডিম্বাণু নিষিক্ত না হয়েই ফলে পরিণত হয়। এর ফলে বীজবিহীন ফল পাওয়া যায়।
আঙ্গুরের ক্ষেত্রে পার্থেনোকার্পি 🍇🌱
আঙ্গুরের কিছু প্রজাতি আছে যেগুলো স্বাভাবিকভাবে অথবা হরমোন প্রয়োগের মাধ্যমে পার্থেনোকার্পিক ফল উৎপন্ন করতে পারে।
পার্থেনোকার্পির সুবিধা: 👍
- বীজবিহীন ফল উৎপাদন। 🥳
- ফলের আকার এবং গুণগত মান বৃদ্ধি। 🥰
- ফলন বেশি হওয়া। 🤩
পার্থেনোকার্পিক আঙ্গুরের জাত: 🍇 varieties
- ব্ল্যাক কোরিয়ান।
- থম্পসন সিডলেস।
- সুগার ক্রাইস্প।
পার্থেনোকার্পির প্রকারভেদ:
| প্রকার | বৈশিষ্ট্য | উদাহরণ |
|---|---|---|
| স্বতঃস্ফূর্ত পার্থেনোকার্পি | প্রাকৃতিকভাবে নিষেক ছাড়াই ফল সৃষ্টি হয়। | কিছু প্রজাতির কলা 🍌 |
| উদ্দীপিত পার্থেনোকার্পি | বাহ্যিক উদ্দীপকের (যেমন: হরমোন) প্রভাবে ফল সৃষ্টি হয়। | আঙ্গুর, টমেটো 🍅 |
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
যদিও আঙ্গুর নিষেক ছাড়াই সৃষ্টি হতে পারে, তবে সব আঙ্গুর বীজবিহীন হয় না। বীজবিহীন আঙ্গুর উৎপাদনের জন্য পার্থেনোকার্পি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।
আরও জানতে এবং বিভিন্ন জাতের বীজবিহীন আঙ্গুর সম্পর্কে জানতে, কৃষি বিষয়ক ওয়েবসাইটগুলোতে চোখ রাখতে পারেন। 🤓
আঙ্গুর খান, সুস্থ থাকুন! 😋
Option A Explanation:
- নাম: আম
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ফল যা সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- সাধারণ ব্যবহার: খাওয়া হয় সরাসরি, বিভিন্ন মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবারে ব্যবহার হয়।
- পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ভিটামিন A, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ফাইবারে সমৃদ্ধ।
- চেহারা: পুরু আকারে, সাধারণত হলুদ রঙের এবং মিষ্টি স্বাদের।
Option B Explanation:
আংগুর
আংগুর
- প্রকার: ফলমূল
- বর্ণনা: আংগুর হলো একটি জনপ্রিয় ফল, যা সাধারণত গ্রুপে বা কৌটায় বিক্রি হয়। এটি মূলত আঙুর গাছের ফল, যা খেতে খুবই সুস্বাদু ও পুষ্টিকর।
- উৎপত্তি: আঙ্গুরের ফল মূলত নিষেকের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে এটি অঙ্কুর বা কন্দের মাধ্যমে তৈরি হতে পারে।
- বিশেষত্ব: আংগুরের ফলের মধ্যে অনেক ধরনের রঙ ও স্বাদ দেখা যায়, যেমন সবুজ, লাল, বা ধূসর।
- ব্যবহার: এটি সরাসরি খাওয়া, জ্যাম বা রস তৈরি, বা খাবারে সংযোজন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
কাঁঠাল গাছের বৈশিষ্ট্য
- একক ফলের গঠন: কাঁঠাল গাছে একটি পুষ্প মঞ্জুরির সব পুষ্প মিলে একটিমাত্র ফল গঠন করে।
- অসাধারণ ফলপ্রসূতা: প্রতিটি ফুলের সমন্বয়ে একটি বৃহৎ ফল তৈরি হয়, যা কাঁঠালের বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
- বিশাল আকার: কাঁঠালের ফল সাধারণত অনেক বড় হয়, যা একক ফলের গঠনকে স্পষ্ট করে।
- অঙ্কুরের সংখ্যা: এই গাছে সাধারণত একাধিক ফুলের সমন্বয়ে একক ফল গঠিত হয়।
- প্রাকৃতিক উদাহরণ: কাঁঠাল গাছে এই প্রক্রিয়াটি প্রাকৃতিকভাবেই ঘটে, যা এই ফলের একক ফলের বৈশিষ্ট্যকে নিশ্চিত করে।
Option D Explanation:
- প্রকার: ফল
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি একটি সাধারণ ফল যা বিভিন্ন ধরনের স্থানীয় ও আঞ্চলিক অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- সাধারণ ব্যবহার: খাদ্য, মিষ্টি, জ্যাম, জেলি ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।
- অন্য নাম: জামফল, জাম গাছের ফল।
- উৎপত্তি: ভারত উপমহাদেশে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা অঞ্চলে প্রচুর জন্মে।