নবাব সিরাজউদ্দৌলা মোহনলালের উপর ভরসা রেখেছিলেন কেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।উদ্দীপকের রাজাকার ও কমান্ডার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ- বিশ্লেষণ করো।
- "বাপের খেদানো মায়ে তাড়ানো" - কথটি সিরাজুদ্দোলা নাটকের কোন চরিত্র সম্পকে প্রযোজ্য ?
- 'ছৈলারচর' বিষখালী নদীর মোহনায় জেগে ওঠা চর। পলিতে উর্বর চরের ভূমি। এলাকার বৈলাম মল্লিক চরের ভূমি দখলের লোভ সামলাতে পারল না। কিন্তু এলাকার সমাজসেবক জমিদারের বিরুদ্ধে লড়বে কে? বৈলাম গোপনে সখ্য করেন জমিদারের দূর-সম্পর্কের জ্ঞাতি ভাই পিলু' সিকদারের সাথে। তার সহায়তায় বৈলাম মল্লিক এবং তার চাটুকার বাহিনী চর দখল করে। এখন বৈলামের নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়া ও নেতৃত্বের দাপট দেখানোর সময়। সে পিলু সিকদারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছাড়া ছৈলারচরের দায়িত্ব গ্রহণে অনীহা দেখায়। এভাবে নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চরটি জমিদারের নেতৃত্ব হারায়।উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের করুণ পরিণতির আংশিক ছায়াচিত্র।"- মতামত বিশ্লেষণ করো।
- সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছিনা তো?— উক্তিটি কার?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়??? নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- ব্যাখ্যা করো।
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কী ধরণের রচনা?
- " সিরাজউদ্দৌলা'' নাটকটি কয় অঙ্কে বিভক্ত ?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘুমন্ত বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অন্যায়ভাবে ব্যাপক হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ চালায় বাংলাদেশে। আলবদর, আলশামস বাহিনীর মাধ্যমে পাকিস্তানিরা এ দেশে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। দীর্ঘ নয় মাসে তারা ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করে। কিন্তু সাহসী বাঙালি প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানিদের কোণঠাসা করে মুক্তির বিজয় ছিনিয়ে আনে।'পলাশির যুদ্ধ আর মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্য এক থাকলেও এগুলোর ফলাফল ছিল সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী।'- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- ঘসেটি বেগম কেন সিরাজের ধ্বংস কামনা করেন?
- 'যার অন্তরে বয়ে যায় দেশপ্রেমকোন অসম্মান তাকে পারে না ছুঁতেশত কলঙ্ক রেখা দিলে টেনেকালের পৃষ্ঠা তাকে খাঁটি করে হেমেপ্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরেতিনি বেঁচে থাকেন অন্তরে।'পরিণতি বিচারে উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' 'নাটককে একই সূত্রে বাঁধা যায় কি? যুক্তি প্রদর্শন করো।
- 'মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন সেনাপতি'- এখানে সেনাপতির নাম কী?
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- জামিল সাহেব রায়হানকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনেলালনপালন করেন। লেখাপড়া শেখান। জামিল সাহেবনিজের সন্তানের মতোই তাকে ভালোবাসতেন। কিন্তুজামিল সাহেব মারা যাওয়ার পর রায়হান সম্পত্তিরলোভে জামিল সাহেবের ছেলেকে হত্যা করে ।উদ্দীপকের রায়হান নিচের কোন চরিত্রের সাথেতুলনীয়?
- 'আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম যথার্থভাবে ভেবেছিলেন এবং বুঝেছিলেন সকল দুঃশাসক ও শোষকের জুলুম নিপীড়ন থেকে উদ্ধার পাবার শ্রেষ্ঠ অবলম্বন হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র। এ শিক্ষা তিনি ইতিহাস থেকে লাভ করেছিলেন। তাই তিনি আমাদের এই উপমহাদেশের মুক্তির জন্য যুদ্ধকেই প্রধান মাধ্যম হিসেবে গণ্য করেছিলেন। তার কবিতায় এ চেতনা লক্ষ করা যায়।উদ্দীপকের চেতনা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।
- ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- “সবাই উচ্চাবিলাষী । সবাই সুযোগ খুঁজছে ৷ ” ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে এ উক্তিটি কার?
- 'দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্তূপে চাপা না পড়ে।'- সংলাপটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- শাহীন গ্রামে প্রতিবেশীর বাড়িতে চুরি করে ধরা পড়ে। মা-বাবা সম্মান বাঁচাতে ছেলেকে মামাবাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সেখানে কিছুদিন থাকার পর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। মামার ঘরের ছোট ছোট দামি জিনিসপত্র হারাতে থাকে। প্রথমত তারা কাজের মেয়েকেই সন্দেহ করে। কিন্তু মেয়ের জন্মদিনের উপহার হারিয়ে গেলে তা পাওয়া যায় শাহীনের ঘরের আলমারির মধ্যে তালাবদ্ধ অবস্থায়। তখন মুখোশ খুলে যায় শাহীনের। মামাবাড়ি থেকে সে বিতাড়িত হয়।শাহীন চরিত্র 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? কীভাবে?