তিনি কোনোমতেই কারো কাছে ঠকিবেন না- তিনি বলতে অপরিচিতা গল্প?? কাকে বোঝানো হয়েছে?
A.
মামা
B.
শম্ভুনাথ
C.
হরিশ
D.
অনুপম
সঠিক উত্তরঃ
A.
মামা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘নেকলেস' গল্পে মাদাম লোইসেলের ধার-দেনা পরিশোধ করতে কত বছর লেগেছিল?
- শব্দের শেষে ‘অ’ উচ্চারণ লোপ পায় না-
- 'রসনচৌকি' শব্দের অর্থ কী?
- কোন ঘটনায় অনুপমের মন ‘পুলকের আবেশে' ভরেগিয়েছিল?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কবির কাব্যবৈশিষ্ট্যকে ‘চিত্ররূপময়' বলে অ্যাখ্যায়িত করেছেন?
- গীতাঞ্জলীর ইংরেজি অনুবাদক কে?
- ‘অপরিচিতা' গল্পের নায়কের নাম কী ?
- নিম্নে কোন চরণটিতে শত্রুরা সম্মুখ লড়াইয়ে সাহস না দেখানোর বিষয়টি চিত্রিত হয়েছে?
- 'অপরিচিতা' গল্পে বিয়ের অনুষ্ঠানে গয়না মাপার মধ্যে দিয়ে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- অসহায় বিধবা শুভারাণী, তার মেয়ে তমালিকার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও তাকে পাত্রস্থ করতে পারেনি। কারণ, পাত্রপক্ষের দাবি মেটাতে সে অক্ষম। অবশেষে নিজের সামান্য জমিটুকু ব???ক্রি করে মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করে সে। কিন্তু বরের বাবা নলীন বাবুর আকাশ ছোঁয়া চাওয়ার কাছে পরাজিত হতে হয় তাকে। মায়ের এহেন অবস্থা দেখে তমালিকা নিজেই বিয়ের পিঁড়ি থেকে উঠে আসে এবং সবাইকে সাফ জানিয়ে দেয়, এ বিয়ে সে করতে পারবে না। অতঃপর স্বাবলম্বী হয়ে একাকী পথ চলার দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যায় সে।"উদ্দীপকের ঘটনাটি 'অপরিচিতা' গল্পে বর্ণিত তৎকালীন সামাজিক সমস্যার দিকটি তুলে ধরতে সমর্থ হয়েছে।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- অতুলনীয় মাতৃস্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃস্নেহের প্রাবাল্যে মানুষ আপনাকে হারাইয়া আসল শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। নিয়ত মাতৃস্নেহের অন্তরালে অবস্থান করিয়া আত্মশক্তির সন্ধান সে পায় না- দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত সন্তানের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- প্রজাপতির দুই পক্ষ। বরপক্ষ এবং কন্যাপক্ষ। বরপক্ষ কন্যাপক্ষের কাছে নগদ পঞ্চাশ হাজার। টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার চেয়ে বসল। নিত্যানন্দ রায় কোনো কিছু বিবেচনা না না করে তাতেই মেয়ের বিয়ে দিতে সম্মত হয়ে গেল। তার মতে, এমন শিক্ষিত। ছেলে আর বনেদি পরিবার কিছুতেই হাতছাড়া করা যায় না। তার ইচ্ছায় যথারীতি আশীর্বাদ পর্ব শেষে শুভ বিবাহের দিন ধার্য হয়ে গেল। নিত্যানন্দ অনেক কষ্ট স্বীকার করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করার পরও নিতান্ত এক তুচ্ছ কারণে বিয়ের আসরেই এই বিয়ে ভেঙে যায়।উদ্দীপকের নিত্যানন্দ রায়ের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের শুম্ভুনাথের সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সর্বঅবয়বেপ্রতিফলিত হয়ে কী সৃষ্টি করে?
- ’ওঁচা’ শব্দের অর্থ-
- অফিস থেকে ফেরার পথে রাশেদ বাসে দীর্ঘদিন পর দেখতে পেল রাবেয়াকে। মনে পড়ল রাবেয়ার সাথে তার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পর হঠাৎ রাশেদের বাবা মোটা অংকের যৌতুক দাবি করে বসে মেয়ের বাবার কাছে। উচ্চশিক্ষিত সুদর্শন পুত্রের জন্য এটা নাকি তার ন্যায্য দাবি। রাবেয়ার বাবার যথেষ্ট সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি রাজি হলেন না যৌতুক দিতে। ক্ষোভে অপমানে তৎক্ষণাৎ ভেঙে দেন বিয়ে। ক্ষুব্ধ রাবেয়াও সমর্থন করে বাবাকে। বিয়ে ভেঙে গেলেও রাবেয়া থেমে থাকেনি। এক ব্যাংকারকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছে। চাকরি করছে একটা কলেজে।উদ্দীপকের রাবেয়ার বাবার সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের শম্ভুনাথ বাবুর সাদৃশ্য কোথায়?
- 'ব্যতীত' শব্দের শুদ্ধ্ব উচ্চারণ কোনটি?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিয়েহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে মেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহূদয়ের মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন যেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ, মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।উদ্দীপকের আলোকে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের পরিণতি বর্ণনা কর।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাতীয় সংগীতের সুর নিয়েছেন কোন গানের সুর থেকে?