'আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি।'- ক্লাইভের
এই উক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- মিরজাফরের প্রতি অনাস্থা
- নবাবের শাসনের প্রতি বশ্যতা
- নবাবের দেশপ্রেম চেতনায় শ্রদ্ধা
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii ও iii
D.
i,ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
B.
i ও iii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।'উভয় চরিত্রের সাদৃশ্যগত বৈশিষ্ট্য-ক্ষমতালিপ্সাবিশ্বাসঘাতকতাকাপুরুষতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'ভিকটরি অর ডেথ, ভিকটরি অর ডেথ'- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে হানাদার বাহিনীর লোকেরা এদেশের ঘুমন্ত মানুষের উপর গুলি চালায় আর সেই রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ফলে এদেশের হাজার হাজার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশমাতাকে রক্ষা করতে। কিন্তু কিছু লোক ছিল যারা পাকিস্তানের দালালে পরিণত হয়ে রাজাকার, আলবদর নাম ধারণ করে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল। রমজাম এদের মধ্যে অন্যতম। রমজান ও তার সহযোগীরা ১৪ ডিসেম্বর দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের দেখিয়ে দিয়েছিল, আর পাকিস্তানিরা তাদের মূল্যবান জীবন কেড়ে নিয়েছিল। তবুও মুক্তিযোদ্ধারা সকল বাধা অতিক্রম করে ছিনিয়ে এনেছেন আমাদের স্বাধীনতা। প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে কখনো কুণ্ঠাবোধ করেন না।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক মিল রয়েছে- বিশ্লেষণ কর।
- নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই।'- ক্লাইভের এ কথার অর্থ কী?
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।"বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়।"- এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনীর আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- হোসেন মিয়া বিশাল সম্পত্তির অধিকারী। তার চার ছেলে সবাই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য কৌশলী, মনোভাবের অধিকারী। হোসেন মিয়া সবকিছু বুঝতে পারলেও সন্তান হিসেবে তাদেরকে বারবার ক্ষমা করে দেন। তার এই অপরিসীম কোমল মনোভাবের কারণে একসময় ছেলেরা গোপনে পুরো সম্পত্তি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয় এবং শেষ পরিণতিতে হোসেন মিয়া রাস্তায় নেমে আসেন।"সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?" বক্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- 'এতক্ষণে-অরিন্দম কহিলা বিষাদে-'জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিলরক্ষঃপুরে। হায়, তাত, উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী।নিজ গৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?'উদ্দীপকের তস্কর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটক অনুসরণে ট্র্যাজেডির ধর্ম কী?
- 'মেঘনাদবধ কাব্যে'র দেশপ্রেমিক রাক্ষসরাজ রাবণ দেশে শত্রুবেষ্টিত ও অবরুদ্ধ। রামচন্দ্র ও তার বানর সৈন্য লঙ্কা নগরীকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। রাবণের অনুজ বিভীষণ শত্রুসেনাদের সাথে যোগ দিয়ে রাবণের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। চারিদিকে অবিশ্বাস, প্রতারণা ও বিপর্যয়ের হাতছানি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বীর পুত্রদের মৃত্যুর খবর আসে তাঁর কানে । বিষন্ন ও দ্রোহক্ষুব্ধ রাবণ শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য যুদ্ধসাজ নিয়ে রণক্ষেত্রে অগ্রসর হয়। দেশের জন্য এ সংগ্রাম প্রকৃত বীরত্বের মহিমায় উজ্জ্বল।উদ্দীপকের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে তা মূল্যায়ন করো।
- প্রাচীন গ্রিস প্রজাতন্ত্রী নগররাষ্ট্র ছিল। 'জুলিয়াস সিজার একজন সফল সেনাপ্রধান ছিলেন। কালক্রমে জুলিয়াস সিজার একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তাঁর এ নীতির সমর্থন দেন তাঁর স্নেহভাজন ব্রুটাস। পরবর্তীতে সিনেটররা রাষ্ট্রের কল্যাণার্থে সিজারকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেন। ব্রুটাস তখন ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে যোগ দেন। নিরস্ত্র সিজারকে সিনেটররা একের পর এক ছুরিকাঘাত করতে থাকে। যখন ত??ঁর প্রিয় ব্রুটাস তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন তখন সিজার হতবাক হয়ে বলে, Et tu, Brue অর্থ: ও ব্রুটাস তুমিও?উদ্দীপকে জুলিয়াস সিজারের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে এবং কিভাবে? আলোচনা করো।
- 'আসামির সে অধিকার থাকে নাকি?'- কে, কাকে, কখন বলেছিল? বর্ণনা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'আপনাদের কাছে আজআমি আমার অপরাধের বিচারপ্রার্থী।' সংলাপেব্যক্ত হয়েছে সিরাজের-
- লাল পলাশের ভস্মস্তূপে কিসের জ্বালাস্তব্ধ অধীর বজ্রগর্ভ মেঘের মতো?শিবির-সীমায় মনের ছায়ায় ইতস্ততছড়ায় সে তার কূট-মন্ত্রণা ঘৃণায় ঢালাদুই শতকের সেই একদিন মনে কি পড়ে?মিরজাফরের গুলির শিখায়, সমুদ্ধতনিভল তোমার দিনের সূর্য দিগন্তরেদূর গোধূলীর সেই একদিন মনে পড়েমনে কি পড়ে?উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল চেতনার যে মিল রয়েছে তা যুক্তিসহকারে উপস্থাপন করো।
- সিরাজউদ্দৌলা কাকে কলকাতার দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার আত্মীয়স্বজন, পর্যন্ত তার বিরুদ্ধাচরণ করে। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি এই ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করতে পেরেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই পারেননি। পলাশির যুদ্ধে তিনি যেমন প্রতারিত হয়েছিলেন তেমনি ভাগ্য তার বিরুদ্ধে ছিল।উদ্দীপকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার যে সফলতার ইঙ্গিত রয়েছে তা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যের সাথে। মিলিয়ে ব্যাখ্যা করো।
- উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মন্তু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।
- পলাশীর যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটির 'বুড়িরঘাট' যুদ্ধে শত্রুপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের কাছাকাছি চলে আসে। সহযোদ্ধাদের অপ্রস্তুতির বিষয়টি টের পেয়ে মুন্সি আবদুর রউফ মেশিনগানের গুলি চালিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে সহযোদ্ধারা প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাক্কালে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ। পরাস্ত হয় শত্রুপক্ষ।উদ্দীপকের বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে যুদ্ধক্ষেত্রে মোহনলালের ভূমিকার তুলনা করো।
- 'কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।