মাসি-পিসির পেশা কী ছিল?
A. অন্যের বাড়িতে শ্রম দেওয়া
B. শহরে কাগজ বিক্রি করা
C. শহরে চা-কিছুট বিক্রি করা
D. শহরে শাকসবজি বিক্রি করা
সঠিক উত্তরঃ
D.
শহরে শাকসবজি বিক্রি করা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কোন লেখকের রচনায় মার্ক্সবাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায়?
- 'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি- কেন?
- আমি, তুমি ও সে - আমরা ---- এটি কোন সমাসের উদাহরণ?
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।' ব্যাখ্যা করো।
- 'উপ' উপসর্গযোগে গঠিত কোন শব্দটি ক্ষুদ্রার্থে ব্যবহৃত হয়?
- কারণে-অকারণে বউকে প্রহার করা তাহেরের অভ্যাস।নির্যাতন সইতে না পেরে তার বউ অবশেষে আত্মহত্যা করে।তাহের পুনরায় বিয়ে করে এবং আবারও স্ত্রীর ওপর অত্যাচারশুরু করে।উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক হলো-
- নিচের কোন বানানটি বৈয়াকরনিক দিক থেকে যথাযথ?
- "নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে।"- ব্যাখ্যা কর।
- পুরুষবাচক শব্দ কোনটি?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিতহয়?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে আহ্লাদির বাবা কী রোগে মারাগিয়েছিল?
- ‘সাহেব’ শব্দের বহুবচন-
- বুড়ো রহমান ছলছল দৃষ্টিতে আহ্লাদির দিকে তাকায় কেন?
- 'তাঁর আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।' মানিক তাঁর-
- 'খবরটা কী তাই কও'- কার উক্তি?
- মিনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মিনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না। তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মিনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মিনার বয়স। ষোড়শী মিনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মিনার ঠাঁই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে এলো। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই। 'বেঁচে থাকার লড়াই'- কথাটি উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করো।
- বাবা-মা হারা রাইনার শেষ আশ্রয় বুড়ো দাদু। কিন্তু সমস্যা হয় বাবার রেখে যাওয়া সম্পদের কারণে, তার প্রতি শকুনের চোখ পড়ে। সম্পত্তির সবটুকু গ্রাস করেও তৃপ্তি হয় না গ্রামের মাতব্বরের ছেলের। তার লোভ জাগে রাইনার উপর। কিন্তু রাইনার দাদু এই বৃদ্ধ বয়সেই রুখে দাঁড়ায় সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে।উদ্দীপকের রাইনার দাদুর সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির দায়িত্ববোধের সাদৃশ্যতা দেখাও।
- কোনটি ফারসি উ???সর্গ ?
- বিদেশী ধাতু কোনটি?
- এইখানে তোর বুজির কবর পরীর মতন মেয়ে, বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।এত আদরের বুজিরে যে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের মূলভাব কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতামত দাও।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে 'বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাই তো।'-বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত 'সারেং বৌ' উপন্যাসের নায়িকা নবিতুন। গ্রামের বধূ নবিতুন যার স্বামী কদম সারেং ও মেয়ে আককিকে নিয়ে তার সংসার। জীবিকার তাগিদে কদম সারেংকে বছরের পর বছর জাহাজে কাটিয়ে দিতে হয়। প্রতি তিন মাস অন্তর সারেং টাকা ও চিঠি পাঠায়। হঠাৎ এই টাকা ও চিঠি আসা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর চারপাশের অশুভ ইঙ্গিত তাকে তখন তাড়া করে বেড়ায়। আছে দারিদ্র্য ও দুর্যোগ। আত্মবিশ্বাস, সাহস, বুদ্ধিমত্তা আর দৃঢ়তা দিয়ে সবকিছু জয় করে সে। স্বামীর প্রতি ভালোবাসা আর সুন্দর জীবনের স্বপ্ন তাকে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়। 'উদ্দীপকের নবিতুন চরিত্রটি 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির বিপরীত।" উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'মাসি-পিসি' কার রচনা?
- নাসির সাহেব তাঁর যাবতীয় সম্পদ বন্ধক রেখে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেন। টাকার লোভে জামাই মেয়েটির উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে দিকটি দৃশ্যমান-
- সাহস মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। ভয় মানুষকে মৃত্যুর আগেই মৃত্যুপথযাত্রী করে তোলেউদ্দীপকের মূলভাব প্রকাশ পেয়েছে 'মাসি- পিসি' গল্পের কোন চরিত্রে?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে দুই বিধবার চরিত্রে মিল কিসে?
- ‘পদ্মানদীর মাঝি’ কার লেখা?
- “মাসি-পিসি' গল্পে আয়না বজ্জাত হারামজাদা' উক্তিটি করেছে-
- 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি ও পিসির একদেহ একমনহয়ে যাওয়ার কারণ কোনটি?দুজনই বিধবাআহ্লাদিকে দেখাশোনানিজেদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম নিচের কোনটি সঠিক?
- হঠাৎ দাওয়া থেকে ছুটে এসে মুহূর্তে হালিমার চুলের গোছাটা ধরলআবুল। তারপর কোনো চিন্তা না করে সজোরে একটা লাথি বসিয়েদিল ওর তলপেটে। উহ্! মাগো বলে পেটটা চেপে ধরে মাটিতেবসে পড়ল হালিমা।উদ্দীপকের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে দিকটি সংগতিপূর্ণ—
- নিচের কোনটি আবুল ফজল রচিত উপন্যাস?
- বিধবা শেফালীর সংসারে পনেরো বছরের একটি মেয়ে ছাড়া আর কেউ নেই। নিজের ও মেয়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব শেফালীকেই নিতে হয়। স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য জমিটুকুর দেখাশোনাও সে করে। পাড়ার বখাটেরা প্রায়ই তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে। শেফালী গ্রামের মোড়লের কাছে বিচার দাবি করলেও সে ন্যায়বিচার পায়নি। রক্ষকের নামে ভক্ষকদের কারণে শেফালীর মতো নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।উদ্দীপকের শেফালীর সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির বৈসাদৃশ্য চিহ্নিত করো।
- এইখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে,বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে,এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিওনা মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের মূলভাব কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? উপযুক্ত যুক্তিসহ তোমার মতামত দাও।
- 'কে এগিয়ে আসবে এসো, বঁটির এক কোপে গলাফাঁক করে দেবো।'— এখানে কী বুঝিয়েছে?
- সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার-আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।"উদ্দীপকের সীমা এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি উভয়েই নির্যাতিত নারী সমাজের প্রতিনিধি।"- বিশ্লেষণ করো।
- 'বেঁধে নিয়ে যাবার হুকুম আছে।'- 'মাসি-পিসি' গল্পে উক্তিটি কার?
- কোনটি বিদেশি উপসর্গ?
- কোনটি তৎপুরুষ সমাস?
- উপাচার্য' শব্দটি কোন সমাসসাধিত?
- ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচারে দিশেহারা, পর্যুদস্ত দেশ। মাঠ-ঘাট পেরিয়ে মিলিটারি-রাজাকারের চোখ এড়িয়ে ভারতের আশ্রয় শিবিরের উদ্দেশ্যে ছুটে চলার প্রাণান্ত চেষ্টা বৃদ্ধা আদুরির। হঠাৎ খেতের মধ্যে গুলিবিদ্ধ মায়ের লাশের পাশে কান্নারত এক শিশুকে দেখে থমকে যায় আদুরি। নিঃস্ব কোলে তুলে নেয় অসহায় শিশুটিকে। আবারও ছুটতে থাকে আদুরি। শিশুটিকে যে বাঁচাতেই হবে-ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।উদ্দীপকে বর্ণিত শিশুটির সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির মিল কোন দিক থেকে? বুঝিয়ে দাও।