“অলভ্য জয়ের লোভে, জ্বালায় শহর, গ্রামে গ্রামে
প্রাচীন সংহতি ভেঙে ভগ্নস্তূপে দূরের উল্লুক'
উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টি সাদৃশ্যমান?
A.
নির্যাতন
B.
ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম
C.
মুক্তিযুদ্ধ
D.
রাজনৈতিক কৌশল
সঠিক উত্তরঃ
B.
ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বাসস্ট্যান্ডে নুরুল হুদাকে দাঁড়াতে দেখলে দোকানদার ছেলেটা যেসব খবর দেয়-মুক্তিযোদ্ধা কর্তৃক খান সেনাদের খতম করার খবরমিলিটারি জিপ উল্টে দেওয়ার খবররংপুর-দিনাজপুরে বেশিরভাগ জায়গা স্বাধীন হওয়ার খবরনিচের কোনটি সঠিক?
- 'টুপির তেজ কী পানিতেও লাগল নাকি?' ব্যাখ্যা করো।
- রেইনকোট গল্পে নিচের প্লাটে থাকে কে?
- অযুত প্রাণের অগ্নিশিখায় সূর্য-কুঁড়িফৌজের হাঁকে কাঁপে থরথর দস্যুপুরী,নিমেষে ছড়ায়-তারই আওয়াজ দিগন্তরেমনে কি পড়ে?অযুত প্রাণের অগ্নিশিখার সূর্য-কুঁড়ি বলতে কী বোঝানো হয়েছে? 'রেইনকোট' গল্পের আঙ্গিকে আলোচনা করো।
- 'সাবভার্সিভ অ্যাকটিভিটিস' কী?
- ‘সংশপ্তক’ শব্দের অর্থ -
- You shall suffer in the long run- এর বঙ্গানুবাদ কোনটি?
- কোনটি অশুদ্ধ?
- মিসক্রিয়েন্টরা সব খতম।'— এখানে 'মিসক্রিয়েন্টবলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
- নূরুল হুদার কাছে কোন বিষয়টি 'স্রেফ উৎপাত' বলে মনে হয়? ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি 'জল' এর সমার্থক শব্দ নয় ?
- প্রতিশব্দদ্বয়
- ‘রেইনকোট' গল্পটি পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা জানতেপারবে—মুক্তিযোদ্ধার স্বরূপসাধারণ ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপাকবাহিনীর বর্বরতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ ঢাকার চিত্র ফুটে উঠেছে। ওই সময়ে পাকিস্তানি মিলিটারি ঢাকা শহরকে পুরো নিয়ন্ত্রনে রেখেছিল। সময়ে- অসময়ে কারফিউ জারি করে মানুষকে ঘরে থাকতে বাধ্য করত। কখনো মানুষকে ধরে কিংবা বাস থেকে নামিয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে মেরে ফেলত। সেই পরিস্থিতিতেই বদিউল আলম তাঁর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা দল নিয়ে ঢাকায় ঢুকে বিভিন্ন অপারেশন চালাত। এভাবেই একদিন গুলিবিদ্ধ হন এবং মারা যান।উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্রটি 'রেইনকোট' গল্পের আরেক রূপ-ব্যাখ্যা কর।
- মিলিটারির আশঙ্কায় দরজা খোলার পর পিওন ঘরে ঢুকলে নুরুল হুদার কী অনুভূতি হয়?
- কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতিআক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায় খানসেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুলমাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে বন্দুকের নল উচিয়ে জিজ্ঞাসা করছে, 'মুক্তি কিধার হ্যায় বোলা।'- এক উত্তর- ওরা জানে না।"উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্প উভয়ক্ষেত্রেই গেরিলাযুদ্ধের গৌরবগাঁথা বর্ণিত হয়েছে।"- যথার্থতা যাচাই করো।
- ‘Liberalism’ এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
- 'রেইনকোট' গল্পের প্রধান চরিত্রটির নাম কী?
- কোন বানানটি সঠিক?
- চারদিন ধরে বৃষ্টি। শনিবার রাতে কি মুষলধারেই যে হলো, রোববার তো দিনভর একটানা। গতকাল সকালের পর বৃষ্টি থামলেও সারাদিন আকাশ মেঘলা ছিল। মাঝে মাঝে এক পশলা বৃষ্টি এখন সন্ধ্যার পর বৃষ্টি নেই। ঘন ঘন মেঘ ডাকছে আর বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। বসার ঘরের জানালা দিয়ে তাকিয়ে ভাবছিলাম, আমার জীবনেও এতদিনে সত্যি সত্যি দুর্যোগের মেঘ ঘন হয়ে আসছে। এ 'রকম সময় করিম এসে ঢুকল ঘরে। সামনে সোফায় বসে বলল, ফুফুজান এ পাড়ার অনেকেই চলে যাচ্ছে বাড়ি ছেড়ে। আপনারা কোথাও যাবেন না? আরও একটা কথা শুনেছেন ফুফুজান? নদীতে নাকি প্রচুর লাশ ভেসে যাচ্ছে। পেছনে হাত বাঁধা, গুলিতে মরা লাশ।উদ্দীপকের প্রথমাংশের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- . রেইনকোটটা খুলে ফেললেও নুরুল হুদার শরীরে কী অনুভূত হয়েছে-
- বৃত্তাকারে দাঁড়ানো মিলিটারির মাঝখানে হাত-পা বাঁধা কালামকে টানতে টানতে এনে দাঁড় করানো হলো। কালামের নাক-মুখ থেকে রক্ত ঝরছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, মুক্তিবাহিনী কোথায় পালিয়ে গেছে? তিনি ঠিক করলেন, কিছুই বলবেন না। বন্দুকের নলটা কপালের ঠিক মাঝখানটায় ধরা হলো। তিনি বললেন, 'আমার মতো সাধারণ কালামের মৃত্যুতে কিছু এসে যায় না। কিন্তু মুক্তিফৌজদের জীবনের দাম আছে। মুক্তিফৌজ না বাঁচলে তোমাদের মারবে কে?' গুলিটা কপাল ভেদ করে বেরিয়ে যায়।"উদ্দীপকের কালাম ও 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদার মতো সাধারণ ব্যক্তিরাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রেরণা।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'রাশিয়ায় ছিল' জেনারেল উইন্টার, আমাদের জেনারেল মনসুন'-বাক্যটির তাৎপর্য বুঝিয়ে লেখো।
- লেফাফা দুরস্ত' বাগধারাটির অর্থ কী ?
- "চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি কার লেখা ?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চিন্তে দেশেই অবস্থান করেছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনী অকারণে মানুষ হত্যা করবে না। অন্তত যুদ্ধের নিয়ম, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী এমনই হওয়ার কথা। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সাহায্যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। যাদের কেউ আর ফিরে আসেননি; লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও বাংলার স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করতে পারেনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।'পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতা বাঙালির স্বাধীনতাকে দমাতে পারেনি'- উদ্দীপক ও পঠিত গল্পের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘সৃষ্টি’-র বিপরীত শব্দ-
- 'রেইনকোট' গল্পের প্রধান চরিত্রটির নাম কী?
- 'সিচুয়েশন নর্ম্যাল '- ব্যাখ্যা করো?
- “রেইনকোট'' গল্পে অধ্যক্ষ মহােদয়ের পিয়নের নাম কী?
- “রেইনকোট' গল্পের পটভূমি কী?
- সঠিক বানান কোনটি?
- 'রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল -------'। শূন্যস্থানে কী হবে?
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসে উল্লিখিত সুদীপ্ত শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতের ভয়াবহতায় আতঙ্কগ্রস্ত একজন মানুষ। তাঁর যাপিত জীবন আতঙ্ক আর ভয়ের মধ্য দিয়ে কাটে। কারণ সে রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকার নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সেই হত্যাযজ্ঞ থেকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন পর্যন্ত রেহাই পায়নি। সুদীপ্ত শাহীন এর মাঝে বেঁচে আছেন এটা বিশ্বাস করতে তাঁর বিস্ময় লাগে। ২৬ মার্চের সূর্যোদয় দেখবার কথা তিনি ভাবতেও পারে না।উদ্দীপকে বর্ণিত সুদীপ্ত শাহীন 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? কীভাবে? বিচার করো।
- 'রেইনকোট' গল্পের কলেজের পিওনের নাম কী?
- খোয়াবনামা' উপন্যাসটির লেখক কে?
- 'রেইনকোট' গল্পে ইসহাক ট্যাক্সি ক্যাবে কার বাড়ির দিকে রওনা হয়?
- ’প্রজাতির দুই পক্ষ’ কথাটির প্রজাপতি বলতে বোঝানো হয়েছে-
- সাদবীন একটি স্কুলে মালীর কাজ করে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজমান। হঠাৎ রাতে তার বাড়িতে আশ্রয় নেয় দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়। পরে জানতে পারে সে ছিল একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা। ভুলক্রমে তার একটি অস্ত্র ফেলে ভোররাতে সে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রটি হাতে নিলে সাদবীনের ভিতরে দ্রোহের ভাব লক্ষ করে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সে যুদ্ধে চলে যায় দেশ স্বাধীন করার জন্য।'সাদবীনদের 'দ্রোহ চেতনা স্বাধীনতা অর্জনের অন্যতম কারণ।'- উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একটি ছাত্রাবাস থেকে মিলিটারিরা সাজ্জাদকে তুলে নিয়ে যায়। অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তারা তার পিতার সন্ধান চায়। ক্ষত-বিক্ষত হয়েও সাজ্জাদ নীরর থাকে। মনে পড়ে বাবার শেষ উপদেশ, 'জীবনের চেয়ে দেশ অনেক বড়ো।' নিজেকে একজন দেশপ্রেমী মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মনে করায় তার বুক ফুলে ওঠে।সাজ্জাদের চেতনা 'রেইনকোট' গল্পের মূলভাবকে কতখানি ধারণ করে বলে তুমি মনে করো? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।