ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা কোনটি?
A. প্রভাবতী সম্ভাষণ
B. পথের পাঁচলী
C. স্বপ্নপ্রয়াণ
D. ফুলবালা
সঠিক উত্তরঃ
A.
প্রভাবতী সম্ভাষণ
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' একটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা যা সংস্কৃত ভাষার মাধ্যমে তাঁর দর্শন প্রকাশ করে। অপশন বিশ্লেষণ: A. প্রভাবতী সম্ভাষণ: সঠিক, এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা। B. পথের পাঁচলী: ভুল, এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা। C. স্বপ্নপ্রয়াণ: ভুল, এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা নয়। D. ফুলবালা: ভুল, এটি অন্য লেখকের রচনা। নোট: 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম যা তাঁর চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।
Related Questions (Any University/Year)
- স্বাধীনতা তুমি অন্ধকারের খাঁ খাঁ সীমান্তে মুক্তিসেনার চোখের......' শূন্যস্থানে কি বসবে?
- সনেটের স্বটক এর বিভাজনকে কী বলে?
- সাগরকন্যা'কোন এলাকার ভৌগোলিক নাম?
- একটি তুলসী গাছের কাহিনি গল্পে কতৃপক্ষের নির্দেশে বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণকারী মানুষগুলো কতদিনের মাথায় বাড়ি ছাড়ে?
- 'কত ঊর্ণাজাল বুনে কেটেছে' 'একটি ফটোগ্রাফ' কবিতায় 'ঊর্ণাজাল' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত?
- ঐকতান' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- নিচের কোন কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত?
- ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি মনের ক্ষোভে কোন ধরনের গ্রন্থ পড়েন?
- ‘সূর্যদেব যতই ঊর্ধ্ব উঠিতেছেন , তাপাংশ ততই বৃদ্ধি হইতেছে' উক্তিটি কোন গল্পের / কবিতার?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কোন যুদ্ধের উল্লেখ আছে?
- নিচের কোনটি সঠিক?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকা দারিদ্র্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে কোনটি নির্দেষ করেছেন?
- কেহ মরে বিল ছেঁচে , কেহ খায় কই' উক্তিটি কোন গল্পের / কবিতার ?
- ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি’ কবিতায় কবির চোখে কোন নদীটির পলিমাটি গলিত সোনায় মেশানো?
- পিতৃদেবকে জিজ্ঞাসিলাম, বাবা, রাস্তার ধারে শিল পোঁতা আছে কেন?' উক্তিটি কোন গল্পের /কবিতার?
- অনুচ্ছেদটির শূণ্যস্থান পূরণ করঃ
- ঐকতান' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত?
- তরুলতা যেমন বৃষ্টির সাহায্যপ্রার্থী, মেঘও সেইরূপ তরুর সাহায্য চায়'। উক্তিটি কোন গল্পের/ কবিতার?
- আল মাহমুদ এর রচনা নয়-
- জয়নুল সংগ্রহশালা কোন জেলায় অবস্থিত?
- লোক-লোকান্তর' কবিতায় কবি তাঁর কাব্যচেতনাকে মূর্ত করেছেন কোন অলঙ্কারের মধ্যে দিয়ে?
- নিচের কোনটি ভিন্ন?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।জবড়জঙ' শব্দটির বিপরীত অর্থ কী?
- শিয়া সম্প্রদায়ের শিয়া শব্দটি কোন অর্থে প্রয়োগ করা হয়?
- ‘বিড়াল’ প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র কাকে অন্ধকার হতে আলোতে এনেছেন?
- বিড়াল' কোন ধরনের রচনা?
- চাষার দুক্ষু' গল্পের বর্ণনা মতে, একদা বিহার অঞ্চলে কৃষক পত্নী কন্যা বিক্রয় করতো-
- কোন নাটকটি শেক্সপিয়রের 'মার্চেন্ট অব ভেনিস' এর ভাবানুবাদ?
- শাস্ত্রশিক্ষা নীতিশিক্ষা একেবারে নাই, কাজেই' -উক্তিটি কোন গল্পের?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।বক্তিয়ার খিলজিকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- কবর কবিতায় পরির সঙ্গে যার তুলনা করা হয়েছ সে হলো-
- ঐকতান' কবিতায় কবিগুরু কী দ্বারা জ্ঞানের দীনতা পূর্ণ করতে চেয়েছেন?
- আফিমের ঘোরে কমলাকান্ত বিড়ালকে কী মনে করেছিল?
- সাম্যবাদী' কবিতায় উল্লিখিত 'চার্বাক' দর্শনের উৎস কোথায়?
- সেই ভালোবাসার চারিদিকে ভারী একটি স্বাস্থ্যকর হাওয়া বহিত। এ বাক্যটি কোন লেখকের লেখায় পড়েছ/
- মার্তগুপ্রায়, অগ্নিমান্দা, উর্দি, জবাকুসুমসঙ্কাশ, তিমিরবিদারী, আলোর দেবতা প্রভৃতি শব্দ তোমার পঠিত কোন গল্প/কবিতা/প্রবন্ধে বিদ্যমান?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।কবিদের বাণী কেন ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো বয়ে যায়?
- কোন নাটকটি সেলিম আল দীন লিখিত?
- “তারি পরে ভর দিয়া চলিতেছে .........সংসার”- চরণটির শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে ?
- একটি তুলসি গাছের কাহিনী কার রচনা-