প্রাচীন গ্রীসের স্থাপাত্য কলায় নন্দিত শহর কোনটি?
A. আকুজা
B. কায়রো
C. ট্রয়
D. মিলান
সঠিক উত্তরঃ
C.
ট্রয়
Explanation:
Type explanation here...
Related Questions (Any University/Year)
- আমার পূর্ব বাংলা এক গুচ্ছ স্নিগ্ধঅন্ধকারের তমালঅনেক পাতার ঘনিষ্ঠতায়একটি প্রগাঢ় নিকুঞ্জসন্ধ্যার উন্মেষের মতোসরোবরের অতলের মতোকালো-কেশ মেঘের সঞ্চয়ের মতোবিমুগ্ধ বেদনার শান্তি।উদ্দীপকে বর্ণিত 'বিমুগ্ধ বেদনার শান্তি' 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার কোন অনুষঙ্গের সাথে তুলনীয়?
- ’স্বাধীনতা তুমি’ কবিতায় স্বাধীনতাকে কবি শামসুর রাহমান কার হাসির সঙ্গে তুলনা করেছেন?
- 'সাম্যবাদী' কবিতায় “পথে ফোটে তাজা ফুল।” কীঅর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- জাদুঘরের 'জাদু' শব্দটির আগমন কোন ভাষা থেকে?
- 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানোহয়েছে?
- 'টাওয়ার অফ লন্ডনে' সকলে কী দেখতে ভিড় করে?
- 'ন্যায্য অধিকারস্বত্ব এক কথা, অন্যায়ের ওপর ভাগ্য লাভ অন্য কথা' -কোন রচনার অংশ/
- 'এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির কাবা নাই।'- পংক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- কোন সম্পর্কটি ঠিক?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কবি কোন নদীরযৌবন চেয়েছেন?
- নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতা আছে কটি সদস্য দেশের ?
- ‘মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয় আত্মিকও’ কার উক্তি?
- আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় আলপথ দিয়ে হাজার বছর চলি।চলি পলিমাটি কোমলে, আমার চলার চিহ্ন ফেলে।তেরোশত নদী শুধায় আমাকে, 'কোথা থেকে তুমি এলে?'কবিতাংশের 'বাংলার আলপথ'-এর সাথে 'আমিকিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ ভাবকোনটি?
- “পলাশ ঢাকা কোকিল ডাকা আমার এ দেশ ভাইরে;ধানের মাঠে ঢেউ খেলানো এমন কোথাও নাইরে।”উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ চরণ হলো—
- কোনটি সমাজবিজ্ঞানের মৌল প্রত্যয় নয়?
- ‘কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যাবেলায় দীপ জ্বালার আগে সকালবেলায় সলতে পাকানো’- বাক্যদ্বয় কোন রচনা থেকে উদ্ধৃত?
- "স্বপ্ন নয়— শান্তি নয়ভালোবাসা নয়হৃদয়ের মাঝে এক বোধ জন্ম লয়আমি তারে পারি না এড়াতে।"উদ্দীপক ও 'লোক-লোকান্তর' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণচরণটিতে অনুরণিত হয়-প্রকৃতি ভাবনারহস্যময়তাবিচ্ছিন্নতাবোধনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘আনোয়ারা’ উপন্যাসের রচয়িতার নাম-
- বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ চিত্রকর্মের সংগ্রহ রয়েছে কোন জাদুঘরে?
- "গাহি সাম্যের গান-মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়াননাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্ম জাতি,সব দেশে, সব কালে, ঘরে ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।""সাম্যবাদী' কবিতার মূলভাবের সাথে উদ্দীপকে প্রকাশিত ভাব হৃদয়ে লালন করে আমরা সুখী- সমৃদ্ধ সম্প্রীতির সমাজ গড়তে পারব।"- তোমার মতামত তুলে ধরো।
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্হ হচ্ছে–
- চারদিকে নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন হচ্ছে। উক্ত বিপর্যয় রক্ষা করতে প্রয়োজন মানুষের -উদারতাউদাসীনতাসংবেদনশীলতানিচের কোনটি সঠিক?
- জন্ম বর্তমান বাংলাদেশে নয়
- ‘সেই অস্ত্র' কবিতায় সভ্যতার সেই প্রতিশ্রুতি দ্বারাবোঝানো হয়েছে—
- “ঐকতান” কবিতায় কবি যে নিন্দার কথা বলেছেন-
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' প্রবন্ধে বর্ণিত কাদের দেহেরতাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত নয়?
- ‘জীবন-বন্দনা’ নজরুলের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কবিতা?
- বহুরূপে সম্মুখে তোমার, ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর?জীবে প্রেম করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।"উদ্দীপকের মূলবক্তব্যের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতার মূলবক্তব্য কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- 'ঐকতান' কবিতায় কবি জ্ঞানের দীনতা অনুভব করেছেন কেন?
- মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত উপন্যাস কোনটি?
- 'পাঞ্জেরী' কবিতাটি সংকলিত হয়েছে ফররুখ আহমদের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে?
- গাহি সাম্যের গান -মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহ??? কিছু মহীয়াননাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্ম জাতি,সব দেশে, সব কালে, ঘরে ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।— কোথায় সকল রাজমুকুট লুটিয়ে পড়ে বলে কবিরবিশ্বাস?
- নিচের যে উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ জীবনের চিত্র প্রাধান্য লাভ করেনি-
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা?
- বৃক্ষের গান শুনতে হবে কীভাবে?
- ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় ৫ম ও ৬ষ্ঠ পংক্তিতে কয়টি জাতি-গোষ্ঠীর নাম আছে?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।
- কথা না দেয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।' হৈমন্তী গল্পের উক্তিটি কার ?
- আপেল রঙের মেয়ে-
- ওই যে দাঁড়ায়ে নতশিরমুক সবে, ম্লান মুখে লেখা শুধু শত শতাব্দীরবেদনার করুণ কাহিনী; স্কন্ধে যত চাপে ভারবহি চলে মন্দগতি যতক্ষণ থাকে প্রাণ তার-তার পরে সন্তানেরে দিয়ে যায় বংশ বংশ ধরি,নাহি ভর্ৎসে অদৃষ্টেরে, নাহি নিন্দে দেবতারে, স্মরি,মানবেরে নাহি দেয় দোষ, নাহি জানে অভিমান,শুধু দুটি অন্নখুঁটি কোনমতে কষ্টক্লিষ্ট প্রাণরেখে দেয় বাঁচাইয়া।উদ্দীপকের আলোকে 'ঐকতান' কবিতার শ্রমজীবী মানুষের জীবনচিত্র বর্ণনা কর।