মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

যখন একটি শব্দের উৎস কোনো স্থির স্রোতের দিকে এগিয়ে আসে তখন যা ঘটে তা হল-

A. তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আপাত বৃদ্ধি
B. কম্পন সংখ্যার আপাত বৃদ্ধি
C. কম্পন সংখ্যার আপাত হ্রাস
D. শব্দের গতিবেগের পরিবর্তন
Poster Download
DUUnit-Aপদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রতরঙ্গঅগ্রগামী তরঙ্গ (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. কম্পন সংখ্যার আপাত বৃদ্ধি
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এখানে শব্দের উৎস এবং স্থির স্রোতের মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়েছে। শব্দের উৎস যখন স্রোতের দিকে এগিয়ে আসে তখন তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে যায় এবং কম্পন সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। অপশন বিশ্লেষণ: A. তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আপাত বৃদ্ধি: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. কম্পন সংখ্যার আপাত বৃদ্ধি: সঠিক, এটি সঠিক উত্তরের ব্যাখ্যা। C. কম্পন সংখ্যার আপাত হ্রাস: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. শব্দের গতিবেগের পরিবর্তন: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: শব্দের উৎসের গতির কারণে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে যায় এবং কম্পন সংখ্যা বাড়ে, যা ডপলার এফেক্টের এক অংশ।
Another Explanation (5):

শব্দের উৎসের গতির প্রভাব: কম্পন সংখ্যার আপাত বৃদ্ধি 🔊

যখন কোনো শব্দ সৃষ্টিকারী উৎস (যেমন: একটি সাইরেন বাজানো গাড়ি 🚑) একজন স্থির পর্যবেক্ষকের দিকে এগিয়ে আসে, তখন শব্দের কম্পাঙ্কে পরিবর্তন ঘটে। এর ফলে যা শোনা যায়, তা হলো কম্পন সংখ্যার আপাত বৃদ্ধি। এই ঘটনা ডপলার প্রভাব (Doppler effect) নামে পরিচিত। নিচে এর কারণ এবং প্রভাব আলোচনা করা হলো:

ডপলার প্রভাব কী? 🤔

ডপলার প্রভাব হলো তরঙ্গ-ভিত্তিক একটি ঘটনা। যখন কোনো তরঙ্গের উৎস এবং পর্যবেক্ষকের মধ্যে আপেক্ষিক গতি থাকে, তখন পর্যবেক্ষক কর্তৃক অনুভূত তরঙ্গের কম্পাঙ্কে পরিবর্তন ঘটে। আলোর ক্ষেত্রেও এই প্রভাব দেখা যায়।

কম্পন সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ 📈

  1. উৎস যখন এগিয়ে আসে: যখন শব্দের উৎস পর্যবেক্ষকের দিকে এগিয়ে আসে, তখন উৎস থেকে নির্গত শব্দ তরঙ্গগুলো একে অপরের কাছাকাছি চলে আসে।
  2. তরঙ্গদৈর্ঘ্য হ্রাস: এর ফলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য (wavelength) ছোট হয়ে যায়।
  3. কম্পাঙ্ক বৃদ্ধি: যেহেতু শব্দের বেগ ধ্রুব থাকে, তাই তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট হয়ে গেলে কম্পাঙ্ক (frequency) বৃদ্ধি পায়। কম্পাঙ্ক বাড়লে শব্দ তীক্ষ্ণ (higher pitch) শোনা যায়।

বিষয়টি একটি টেবিলের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো: 📊

অবস্থা তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম্পাঙ্ক শ্রবণযোগ্য শব্দ
উৎস এগিয়ে আসছে ➡️ হ্রাস পায় 📉 বৃদ্ধি পায় 📈 তীক্ষ্ণ 🗣️
উৎস দূরে সরে যাচ্ছে ⬅️ বৃদ্ধি পায় 📈 হ্রাস পায় 📉 মোটা 🗣️

দৈনন্দিন জীবনে উদাহরণ 🌇

  • অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন: অ্যাম্বুলেন্স যখন কাছে আসে, সাইরেন তীক্ষ্ণ শোনা যায় এবং দূরে গেলে মোটা শোনা যায়।
  • ফর্মুলা ওয়ান কার রেসিং: কার যখন দ্রুতগতিতে যায়, তখন শব্দের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
  • বৃষ্টির শব্দ: বৃষ্টির সময়ও ডপলার এফেক্ট অনুভব করা যায়। 🌧️

ব্যবহারিক প্রয়োগ 🛠️

  • চিকিৎসা বিজ্ঞান: আলট্রাসাউন্ড ইমেজিং এবং রক্ত ​​​​প্রবাহ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। 🩺
  • জ্যোতির্বিদ্যা: নক্ষত্রের বেগ এবং মহাবিশ্বের প্রসারণ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। 🔭
  • রাডার: আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং যানবাহনের গতি নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। 📡

সুতরাং, যখন একটি শব্দের উৎস কোনো স্থির শ্রোতার দিকে এগিয়ে আসে, তখন কম্পন সংখ্যার আপাত বৃদ্ধি ঘটে। ডপলার প্রভাবের কারণে এটি সম্ভব হয়।