কম্পটন ক্রিয়া কোন তত্ত্বের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা হয়?
কোয়ান্টাম তত্ত্ব
কম্পটন ক্রিয়া (Compton scattering) হলো এমন একটি ফেনোমেনা যেখানে আলোর (ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন) কণিকা যখন অণু বা অণুর সঙ্গে সংঘর্ষ করে, তখন তার দৈর্ঘ্য বা ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি প্রথমবারের মতো ১৯০৫ সালে আর্নস্ট কম্পটন আবিষ্কার করেছিলেন।
এই ক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করতে গেলে কোয়ান্টাম তত্ত্ব-এর সাহায্য নেওয়া হয়। কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুযায়ী, আলোর কণিকা বা ফোটন এককভাবে শক্তির ক্ষুদ্র কণা হিসেবে বিবেচিত হয়। এই ফোটনের সঙ্গে ইলেকট্রনের সংঘর্ষের ফলে, ফোটনের দেহের ভর ও গতি পরিবর্তিত হয়, ফলে তার ফ্রিকোয়েন্সি ও দৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়।
অর্থাৎ, কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্র??োগ করে বলা হয় যে, আলোর শক্তি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত, যা ফোটন নামে পরিচিত, এবং এই ফোটনের সঙ্গে ইলেকট্রনের সংঘর্ষের মাধ্যমে কম্পটন ক্রিয়া ঘটে।
- কম্পটন ক্রিয়া হলো আলোর ফোটন ও ইলেকট্রনের মধ্যে সংঘর্ষ।
- কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুযায়ী, আলোর ফোটন শক্তির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা।
- এই সংঘর্ষের কারণে ফোটনের দেহের গতি ও শক্তি পরিবর্তিত হয়, যা ফোটনের দৈর্ঘ্য ও ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।