ধূর্ত মোদাচ্ছের গ্রামের সাধারণ মানুষেদের অশিক্ষা ও ধর্মভীতিকে কাজে লাগিয়ে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করে। সে তাদের কাছে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজ বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী আকলিমা সহজ সরল প্রকৃতির। স্বামীর প্রতি অগাধ বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় সে অন্ধ।
উদ্দীপকের আকলিমা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
A.
রহিমা
B.
তানুবিবি
C.
আমেনা
D.
জমিলা
সঠিক উত্তরঃ
A.
রহিমা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'মাজারটি তার শক্তির ম???ল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারীসমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালের মাঝে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার - পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্না ছাড়া তাদের আর কোনো অধিকার ছিল না।'পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা সর্বদাই অবহেলার পাত্র।'-উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- আওয়ালপুর ও মহব্বতনগরের মাঝ পথে একটা মস্ত কী গাছ আছে?
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় কেমনে' উক্তিটি কার?
- সুখে থাকিয়া এবং পেট ভরিয়া খাইয়া কিছুদিনের মধ্যে ভিখুর দেহে পূর্বের স্বাস্থ্য ফিরিয়া আসিল। তাহার ছাতি ফুলিয়া উঠিল, প্রত্যেকটি অঙ্গ সঞ্চালনে হাতের ও পিঠের মাংসপেশি নাচিয়া উঠিতে লাগিল। অবরুদ্ধ শক্তির উত্তেজনায় ক্রমে ক্রমে তাহার মেজাজও উদ্ধত অসহিষ্ণু হইয়া পড়িল। অভ্যস্ত বুলি আওড়াইয়া কাতরভাবে সে এখন ভিক্ষা চায়। কিন্তু ভিক্ষা না পাইলে তাহার ক্রোধের সীমা থাকে না। লোকজন না থাকিলে তাহার প্রতি উদাসীন পথিককে অশ্লীল গাল দিয়া বসে। এক পয়সার জিনিস কিনিয়া ফাউ না পাইলে দোকানিকে মারিতে ওঠে। নদীর ঘাটে মেয়েরা স্নান করিতে নামিলে ভিক্ষা চাহিবার ছলে জলের ধারে গিয়া দাঁড়ায়।'ভিখু ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের টিকে থাকার সংগ্রাম এক কিন্তু পদ্ধতি ভিন্ন'- বিশ্লেষণ কর।
- মহাসড়কের পাশে পোড়াবাড়ি গ্রামে ফসিপাগলের মাজার। মঙ্গল লাভের আশায় টাকা- পয়সা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল মানত করা হয় এই মাজারে। চলমান বাসের চালক, যাত্রাপথের পথিক ভক্তিভরে পর্যাপ্ত দান করে। মাজারের খাদেম এখন প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক। এলাকায় তার প্রভাব-প্রতিপত্তিও কম নয়। কে এই ফসিপাগল? কী তার পরিচয়? এসব প্রশ্নের কোনো প্রকার সদুত্তর মেলে না তার কাছে।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা করো।
- মজিদের আবিষ্কৃত পিরের নাম কী?
- বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।উদ্দীপকে উল্লিখিত চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের ভূমিকা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনাংশের সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য? আলোচনা করো।
- অর্থনৈতিক দুরবস্থার জন্য বাবার বয়সি বজলু মিয়ার সাথে বিয়ে হয় আয়েশার। বিয়ের পরদাম্পত্য জীবনে খুব একটা সুখী নয় সে কারণ জোরে হাসা যাবে না, সাজগোজ করা যাবে না এমনকি পাড়া-প্রতিবেশীর বাড়িতেও যাওয়া বারণ। তাই স্বামীর বাড়িতে আয়েশার নিজেকে খাঁচায় বন্দি পাখি মনে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে আয়েশা এটাও বুঝতে পারে যে বজলু মিয়া গ্রামের মসজিদের ইমাম হলেও মিথ্যা কথা বলে গ্রামবাসীকে নানা রকম দোয়া, তাবিজ, ঔষধ দিয়ে বাড়তি পয়সা উপার্জন করে। এক সময় আয়েশা এসব সহ্য করতে না পেরে গ্রামবাসীর কাছে সব ফাঁস করে দেয়। তখন বজলু মিয়া সকলের কাছে মাফ চেয়ে বলে একটা বাড়তি আয়ের আশায় তিনি এ কাজ করেছেন।"উদ্দীপকের বজলু মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়েই ধর্মকে পুঁজি করে অর্থ উপার্জন করলেও মজিদের দৌরাত্ম্য অপেক্ষাকৃত বেশি।"- তোমার মতামত তুলে ধরো।
- তাহেরের বাপ নিরুদ্দেশ হয়ে যায় কেন?
- নয়নপুর গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য জামালসকলকে একত্রিত করে। কিন্তু গ্রামের মোড়ল আবেদআলী তার শোষণ অব্যাহত রাখার স্বার্থে তাকে বাধাদেয়। এভাবে গ্রামে গণশিক্ষার উদ্যোগ বন্ধ হয়ে যায় । উদ্দীপকের জামাল ‘লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রকে ইঙ্গিত করে?
- 'দেশটা কেমন মরার দেশ'- এখানে কোন অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে, কেন?
- ‘লালসালু’ উপন্যাস তানু বিবির স্বামীর নাম কী?
- "গ্রামের মানুষ যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ"- ব্যাখ্যা কর।
- এনায়েত রসুলপুর মসজিদের ইমাম। সর্বদা এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকে সে। মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ায় সবাই তাকে মান্য করে। সুন্দর নূরানী চেহারা হওয়ায় এলাকার সবাই তাকে পীর সাহেব হিসাবে গণ্য করে। সে হঠাৎ ফতোয়া জারি করে সকল দান খয়রাত এলাকার মানুষ যেন মসজিদ মাদ্রাসায় দেয়। একথা শুনে এলাকার আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু এলাকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ মেহেরার কথায় সায় দেয় না বরং বিরোধিতা করে। তাদের ধারণা বাংলা, ইংরেজি পড়া স্কুল কলেজে পড়লে মানুষ শয়তানের দোসর হয়। পরকাল শেষ হয়ে যায়। তাই সকল দান খয়রাত, পড়াশুনা মসজিদ মাদ্রাসাভিত্তিক হওয়া দরকার।উদ্দীপকে বর্ণিত মসজিদের ইমাম এনায়েতের ফতোয়ার বিরোধিতা করে আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে- আলোচনা কর।
- ‘লালসালু’ উপন্যাসের লেখক কে?
- আমেনা বিবিকে কিরূপ শাস্তি দিয়েছিল মজিদ?
- 'লালসালু' উপন্যাসে কাকে 'একরতি মাইয়া' বলা হয়েছে?
- মজিদকে প্রথম কারা দেখেছিল?
- প্রথম যখন হোসেন মিয়া কেতুপুরে এসেছিল পরনে একটাছেঁড়া লুঙ্গি, মাথায় এক ঝাঁক রুক্ষ চুল — ঘষা দিলে গায়েখড়ি উঠত। এখন সে অনেক সম্পদ ও প্রতিপত্তির মালিক। উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসেরমজিদ উভয়েই—