মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারী শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্য বিয়ে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছেলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এখানে সেলাই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।
উদ্দীপকের মনির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারলেও 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস সফল হয়নি।"- মন্তব্যটি বিচার করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'আপনারা জাহেল, বে-এলেম, আনপাড়হ্'-এই উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- ধূর্ত কবিরাজ রাজীব সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও ধর্মান্ধতাকে কাজে লাগিয়ে সেখানে শুরু করে পানিপড়া দেওয়া এবং কবিরাজি চিকিৎসা। সে লোকজনকে ঠকিয়ে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী সহজ-সরল শিলা স্বামীর প্রতি বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় অন্ধ।উদ্দীপকের রাজিব ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়েরই অর্থোপার্জনের কৌশল হলো-প্রতারণা প্রভাব বিস্তার ব্যাকুলতা নিচের কোনটি সঠিক ?
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এ-এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন, সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক রূপায়ণ- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই কর।
- মজিদ বুড়াকে মাজারে কয় পয়সার সিন্নি দিতে বলেছেন?
- 'যোগসূত্র হচ্ছে রহিমা'-ব্যাখ্যা করো।
- ঢেঙা বুড়ো তার মেয়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে, কারণ-
- 'আপনারা জাহেল, বে-এলেম, আনপাড়হ্।'- উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- ইজারাদারদের স্বার্থরক্ষার প্রভাবশালীরা নদীতেসাঁকো তৈরির উদ্যোগ থামিয়ে দেয়।'— এখানেপ্রভাবশালীরা লালসালু উপন্যাসের কোনচরিত্রকে স্মরণ করিয়ে দেয়?
- তাহেরার বিয়ে হলো তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি বয়সি হামিদআলীর সাথে। বিয়ের আগে পাত্রী দেখতে এলে হামিদআলীকে তাহেরা ভেবেছিল সে তার হবু শ্বশুর।উদ্দীপকের ঘটনাটি 'লালসালু' উপন্যাসে বিধৃত সমাজেরকোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে?
- মজিদ ক্রোধে কেমন করে?
- মজিদ কিভাবে মহব্বতনগর গ্রামে শিকড় গেড়েছিল?
- উম্মত মিয়া অনেক বছর আগেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপান্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- "মনে হয় এটা খোদা তা'লার বিশেষ দেশ।"- কেন? ব্যাখ্যা করো।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি?
- গফুর মিয়ার সংসার টিকিয়ে রেখেছে তার স্ত্রী মরিয়ম। বিশাল সংসারের সকল দায়িত্ব মরিয়মের গরুবাছুরের তত্ত্বতালাশ, ধান মাড়াই থেকে সিদ্ধ করা, মেহমান মুসাফির সবকিছুই একহাতে সামলান তিনি। অবশ্য এতে তার ক্লান্তি নেই। শুধু মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একলা মনে হয়। গফুর মরিফমের মনের অবস্থা বোঝে। কারণ সে জানে, তাদের কোনো সন্তান নেই।'মরিয়মের সন্তান কামনা অতৃপ্ত কিন্তু রহিমার মাতৃহৃদয় কিছু পরিতৃপ্ত'- কীভাবে? বিশ্লেষণ করো।
- নয়ন গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য একতাবদ্ধ করে। কিন্তু মৌলবি সাহেব এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা ধূলিসাৎ করে দেয়। উদ্দীপকের গণশিক্ষার বিষয়টি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'লালসালু' উপন্যাসে “যেখানে সাপ জাগে সেখানে আবারকোমলতার ফুল ফোটে।”— এখানে 'সাপ' কী অর্থ প্রকাশকরে?
- ‘লালসালু' উপন্যাসে মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী ?
- আফজাল মিয়ার স্ত্রী হালিমা পরপর তিনটি কন্যা সন্তান জন্মদেয়। পূত্র সন্তান লাভের আশায় খ্যাতিমান পির জুনাইদ আলীকুতুবশাহীর দরবারে গমন করে। পির কুতুবশাহী এক বোতল'পড়া পানি' দিয়ে বলেন যে, এই 'পড়া পানি' খেয়ে তার যদিপুত্র সন্তান না হয় তবে বুঝতে হবে সে পাপী। হালিমা যথারীতিচতুর্থ কন্যার জন্ম দেয় এবং স্বামীর রোষানলে পড়ে।উদ্দীপকের হালিমার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- আগে এক গ্রাম্য মাতব্বরের শাসন ও শোষণে অতিষ্ঠ ছিল স্বরপুর গ্রামের মানুষ। এখন সেখানে এসে জুটেছে এক ভন্ড চিকিৎসক। অলৌকিক তার চিকিৎসা পদ্ধতি। সে নিজেকে 'জিনের বাদশা' পরিচয় দেয়। বন্ধ্যত্ব, পঙ্গুত্ব, ক্যান্সার প্রভৃতি রোগ নিয়ে লোকেরা তার কাছে আসে। মানুষের অসহায়ত্ব ও সরলতার সুযোগ নিয়ে সে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়। মাতব্বরের কাছে নালিশ করেও কোনো প্রতিকার মেলে না। কারণ, চোরে চোরে মাসতুত ভাই।'চোরে চোরে মাসতুত, ভাই' কথাটি 'লালসালু' উপন্যাসের যে, দিকটির ইঙ্গিত করে, তার পরিচয় দাও।
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারী শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্যবিবাহ নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছেলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এছাড়া সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।উদ্দীপকের মুরাদপুর গ্রামের সমাজ বাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার তুলনা করো।
- আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত যুবক এমদাদ। ধর্ম-খোদা-রসুল কিছুই বিশ্বাস করে না। খেলাফত আন্দোলনে যোগ দিয়ে একেবারে বদলে গেল। পীরের মুরিদ হয়েছে এবং নিয়মিত নামাজ পড়ছে। পীরের ভণ্ডামি ও লোলুপ দৃষ্টি এমদাদের কাছে ধরা পড়ল। মুরিদের সুন্দরী বউ কলিমনকে জোরপূর্বক তালাক পড়িয়ে নিজে বিয়ে করেছে। এমদাদ এতে ক্রুদ্ধ হয়ে পীরের মেহেদি রঞ্জিত দাড়ি ধরে হেঁচকা টানে মাটিতে ফেলে দিল।উদ্দীপকের এমদাদ 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ যে নামে প্রকাশিত হয় তা হলো-
- মজিদের মুখে থুতু ফেলেছিল কে ?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'যেন বিশাল সূর্যোদয় হয়েছে, আর সে-আলোয় প্রদীপের আলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- অর্থনৈতিক দুরবস্থার জন্য বাবার বয়সি বজলু মিয়ার সাথে বিয়ে হয় আয়েশার। বিয়ের পরদাম্পত্য জীবনে খুব একটা সুখী নয় সে কারণ জোরে হাসা যাবে না, সাজগোজ করা যাবে না এমনকি পাড়া-প্রতিবেশীর বাড়িতেও যাওয়া বারণ। তাই স্বামীর বাড়িতে আয়েশার নিজেকে খাঁচায় বন্দি পাখি মনে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে আয়েশা এটাও বুঝতে পারে যে বজলু মিয়া গ্রামের মসজিদের ইমাম হলেও মিথ্যা কথা বলে গ্রামবাসীকে নানা রকম দোয়া, তাবিজ, ঔষধ দিয়ে বাড়তি পয়সা উপার্জন করে। এক সময় আয়েশা এসব সহ্য করতে না পেরে গ্রামবাসীর কাছে সব ফাঁস করে দেয়। তখন বজলু মিয়া সকলের কাছে মাফ চেয়ে বলে একটা বাড়তি আয়ের আশায় তিনি এ কাজ করেছেন।"উদ্দীপকের বজলু মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়েই ধর্মকে পুঁজি করে অর্থ উপার্জন করলেও মজিদের দৌরাত্ম্য অপেক্ষাকৃত বেশি।"- তোমার মতামত তুলে ধরো।
- মকবুল তিন বিয়ে করেছে। তিন বউই বেঁচে আছে ওর। সবার ছোটো টুনি। গায়ের রং কালো। ছিপছিপে দেহ। আয়ত চোখ। বয়স তার তেরো-চৌদ্দের মাঝামাঝি। সংসার কাকে বলে সে বুঝে না। সমবয়সি কারও সঙ্গে দেখা হলে সবকিছু ভুলে গিয়ে মনের সুখে গল্প জুড়ে দেয়। আর হাসে। হাসাতে হাসাতে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয় টুনি।উদ্দীপকের টুনির সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রটির সাদৃশ্য কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- বিদ্রোহী বালিকা বধূ 'জমিলা' কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- হঠাৎ করে সুন্দরপুর গ্রামে এক দরবেশ এসে উপস্থিত হয়। আজানুলম্বিত পোশাক আর হাতে একটি লাঠি নিয়ে গ্রামে সে প্রবেশ করে। গ্রামের নিরক্ষর, সাধারণ মানুষ তাকে দেখে যেন অনেক অপ্রাপ্তি আর বেদনা থেকে আশাবাদী চেতনা ফিরে পায়। নবাগতের ভিতর থেকে যেন মুক্তির আলো ছড়িয়ে পড়তে লাগল। মানুষের ভালোর জন্য তিনি সব করতে পারেন। সময়ের ব্যবধানে দরবেশ সকলের হৃদয়ের মণি হয়ে উঠলেন।"উদ্দীপকে দরবেশের আগমন ও 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদের আগমন ঠিক একই রকম।"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো-ধর্ম পিরবাদ অস্তিত্ববাদ নিচের কোনটি সঠিক?
- গৌরিপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে আরিফ হোসেন। এলাকার উন্নয়ন, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলার লক্ষ্যে সে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ও প্রতিপত্তি বজায় রাখার জন্য মাতব্বর আনসার আলী ও তার লোকেরা আরিফকে অপমানিত করে গ্রাম ছাড়া করে।'গ্রামের অনগ্ররতার ক্ষেত্রে আনসার আলী ও তাঁর অনুসারীদের মতো লোকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- জব্বার তালুকদার ভদ্রদিয়া গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলেই তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে জব্বার তালুকদার সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত আফসার আলীকে। তার ওপর জব্বার তালুকদারের অগাধ বিশ্বাস। তাই আফসার আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন জব্বার তালুকদার তা বাস্তবায়নে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন আফসার আলী জব্বার তালুকদারকে বললেন, 'জব্বার, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় জব্বার তালুকদার।'উদ্দীপকের জব্বার তালুকদারের স্ত্রীর জীবন এবং লালসালু উপন্যাসের আমেনা বিবির জীবনের পরিণতি একই'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।- ব্যাখ্যা করো।
- 'শুধু ওই একটি পথেই আমরা উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।' কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।
- অর্জিত জ্ঞান মানুষের মূল্যবান সম্পদ। প্রকৃত শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত করে তোলে। জ্ঞানচর্চা না করে কোনো জাতি উন্নতির শিখরে পৌছাতে পারে না। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে আমরা এর সত্যতা সহজেই উপলব্ধি করতে পারি। শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করা তাই প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার- যার মাধ্যমে সে তার জাতিকে ক্রমমুক্তি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে?
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদের পলাশনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক সুজন গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষকে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে একটি নৈশবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকে অপশক্তি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন শক্তিকে নির্দেশ করে? সেই শক্তির উৎস সম্পর্কে মতামত পেশ করো।
- 'লালসালু' কী ধরনের উপন্যাস?
- 'কলমা জানস্ না ব্যাটা?” উক্তিটি কার?