ব্যঙ্গাত্মক ভাব প্রকাশ পেয়েছে কোন রচনায়?
A. নেকলেস
B. রেইনকোট
C. কমলাকান্তের দপ্তর
D. মাসিপিসি
সঠিক উত্তরঃ
C.
কমলাকান্তের দপ্তর
Explanation:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'কমলাকান্তের দপ্তর' একটি নকশাধর্মী ব্যঙ্গাত্মক রচনা।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- "বর্বর বলি যাহাদের গলি পাড়িল ক্ষুদ্রমনা, কুপ-মন্দুকন" অসংযগামীর আখ্যা দিয়াছে যারে চরন কোনটি ?
- "কোরানে পুরাণে শিল্পে, পালা-পার্বণের ঢাকে ঢোলেআউল বাউল নাচে; পুণ্যাহের সানাই রঞ্জিতরোদ্দুরে আকাশতলে দেখ কারা হাটে যায়,...... মাঠে ঘাটে শ্রমসঙ্গী নানাজাতি ধর্মের বসতিচিরদিন বাংলাদেশ - "উদ্দীপক ও 'সাম্যবাদী' কবিতার অন্বিষ্ট—
- 'ধন্যবাদ' কবিতায় 'স্যার' শব্দটি কয় বার ব্যবহৃত হয়েছে?
- অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে সীতার সঙ্গে রামচন্দ্রের সম্পর্ককে বেগম রোকেয়া কিভাবে উল্লেখ করেছেন ?
- 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে 'নবাবি চাল ' বলতে কি বোঝানো হয়েছে ?
- কোনটি শওকত ওসমান রচিত?
- পদ্মা নদীর মাঝি' এর লেখকের প্রকৃত নাম কী ?
- ’যৌবনের গান’ রচনাটি প্রকৃতপক্ষে-
- "কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় খই।"এই প্রবচনটি রয়েছে যে রচনায়-
- ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরবর্তী রামাল্লার একটি গ্রামে এক নারী ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি যুদ্ধে ব্যবহৃত খোলস ব্যবহার করে তা দিয়ে ফুল চাষ করে সাজিয়ে তুলেছেন নিজের বাগান। এ যেন এক অভিনব প্রতিবাদ যুদ্ধের ভয়াবহতার বিরুদ্ধে। যে গ্রেনেড যুদ্ধে কেবল ধ্বংসের কাজে ব্যবহার করা হয় সেই গ্রেনেডের খোলসে ফুলের চাষ যেন অস্ত্র, রক্ত আর ক্ষমতার দাপটে গড়ে ওঠা আধুনিক বিশ্বের ভয়াবহতার মুখে চপেটাঘাত। আর এই আঘাত যেন যুদ্ধের বদলে ভালোবাসার জবাব।উদ্দীপকে বর্ণিত নারীর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে 'সেই অস্ত্র' কবিতায় কবির দৃষ্টিভঙ্গির সাদৃশ্য দেখাও।
- কোন কবিতায় সম্বন্ধ পদের ব্যাপক ও বৈচিত্রময় ব্যবহার হয়েছে?
- কোরাণ-পুরাণ-বেদ-দেবান্ত-বাইবেল ত্রিপিটক-জেন্দাবেস্তা-গ্রন্থ-সাহেব পড়ে যাও যত সখ,-'এ লাইনে ব্যবহৃত 'জেন্দাবাস্তা' শব্দের 'জেন্দা' কী?
- উপস্থিত ভদ্রলোকদের অন্যতম ছিলেন...' বাক্যটির ঠিক জবাব হতে পারে--
- 'সেই অস্ত্র' কবিতার গঠনগত বিশেষত্ব তুলে ধরো।
- 'কালাপানি' হল -
- চট্টগ্রামের এক জেলেপাড়ায় হরিশংকর জলদাস জন্মগ্রহণ করেন। দারিদ্র্যপীড়িত জেলে জীবনের সদস্য হলেও আপন প্রতিভাবলে বর্তমানে তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত কথাসাহিত্যিক ও গবেষক। বাংলা সাহিত্যে অনাদৃত জেলে জীবন নিয়ে গল্প-উপন্যাস ও গবেষণা কর্মের জন্য একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন। জেলেপাড়ার সুবিধা বঞ্চিত, অনাহারক্লিষ্ট মানুষের দুঃখ-কষ্টে জর্জরিত বিপন্নতার এক বৈচিত্র্যময় ভাষাচিত্র তিনি অংকন করেছেন তাঁর কথাসাহিত্যে। তাঁর লেখনী কৃত্রিমতার আবরণে ঢাকা নয়, গভীর মমতায় চিত্রায়িত নিম্নবর্ণের সমাজ জীবনের চালচিত্র বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদে পরিণত হয়েছে।"কাছে থেকে দূরে যারা তাহাদের বাণী যেন শুনি" কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এরকম প্রত্যাশিত সাহিত্যকর্মই যেন উদ্দীপকের হরিশংকর জলদাসের রচনার বিষয়বস্তু।-অভিমতটি যাচাই কর।
- ‘হাসুলী বাঁকের উপকথা’ উপন্যাসটি কার লেখা?
- প্রমথ চৌধুরীর মতে সাহিত্যের উদ্দেশ্য কী?
- ‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?