কত বছর বয়সে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যু হয়েছিল?
A. উনিশ
B. কুড়ি
C. একুশ
D. বাইশ
সঠিক উত্তরঃ
C.
একুশ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘এ বয়স জেনো ভীরু কাপুরুষ নয় - পঙক্তিতে কত বছরবয়সের কথা বলা হয়েছে?
- মাদক গ্রহণের অপর???ধ মাথায় নিয়ে পুলিশ ভ্যানে উঠে বসল সাজিদ। মা-বাবা, পাড়া- প্রতিবেশী কেউ কল্পনা করতে পারেনি এমন দৃশ্য তাদের দেখতে হবে। শুধু ভালো ছাত্র হিসেবে নয়, তার মতো সাহসী, প্রতিবাদী, পরোপকারী সর্বগুণের অধিকারী একটি ছেলেও খুঁজে পাবে না কেউ। বয়স্করা বলতেন, 'আহা' এমন সোনার টুকরা যদি সবার ঘরে জন্মাত।" কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাজিদের মা বলেন, 'কিছুদিন ধরে অচেনা একটা ছেলে ওর সাথে দেখা করতে আসত। ভাবতে পারিনি এত বড় সর্বনাশ হবে আমার ছেলের।''আহা! এমন সোনার টুকরা যদি সবার ঘরে জন্মাত - 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার শেষ পঙক্তিটির আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'রক্তদানের পুণ্য' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- 'আসমানীদের দেখতে যদি তোমরা সবে চাও' লাইনটির কোন কবির লেখা?
- আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর কেন?
- 'আকাল' সুকান্ত ভট্টাচার্যের কী ধরনের রচনা?
- পূর্ণিমার চাঁদ কে ঝলসানাে রুটির সঙ্গে তুলনা করেছেন কে?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কোন কাব্যগ্রন্থের কবিতা?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- পাড়ার সকলের প্রিয় পল্টু। অদ্ভুত তার চরিত্র। এখনই কারো গাছের ফল চুরি করে খেলো, তো পরক্ষণেই শীতার্তকে নিজের গায়ের জামা খুলে দিয়ে দিলো। কখনো গৃহস্থের গরুর গলার রশি খুলে দিয়ে মজা করছে, কখনো মহিলাদের আড্ডায় রাবারের সাপ ছেড়ে দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, কখনো পথচারীর গায়ে সাইকেল তুলে দিয়ে খিলখিল করে হাসছে। সেই পল্টই আবার প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা করা ডাকাত দলকে একাই রুখে দিতে লড়াই করছে। কারো বাচ্চাটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, কারো অসুস্থ আত্মীয়কে হাসপাতালে নিতে হবে, কোনো কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার বিয়ের সব ব্যবস্থাপনা করে দিতে হবে, কারো অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান করতে হবে—এ সবে পল্টুই সর্বাগ্রে ।'তবু আঠারোর শুনেছি জয় ধ্বনি'-পঙক্তিটির আলোকে উদ্দীপকটিকে মূল্যায়ন করো।
- 'আকাল' সুকান্ত ভট্টাচার্যের কী ধরনের রচনা?
- করোনা মহামারিতে মানুষ যখন খুব ভীত ও আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাপন করছিল বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিশা তখন ভয়ভীতি ত্যাগ করে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা আক্রান্ত মানুষের বাড়িতে ওষুধ ও খাবার নিয়ে গেছে দিন রাত। তিশাকে অনেকেই এসব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিলেও তিশার কাছে মনে হয়েছে তারুণ্যই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। আর এ জন্যই সে সমস্ত সমালোচনা অগ্রাহ্য করে মানবতার সেবায় অংশগ্রহণ করেছে সানন্দে।উদ্দীপকের তিশার সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- "যা চিরস্থায়ী নয়"-
- নিশান নামের ছেলেটির সম্ভাবনাময় জীবন আজ মাদকের নীল ছোবলে বিধ্বস্ত। নিশানের স্বপ্ন ছিল একদিন সে চিত্রশিল্পী হয়ে উঠবে। অথচ রংতুলির বদলে আজ তার আঙুলের ফাঁকে সিগারেট। এতদিনের স্বপ্নের ভুবন দুঃস্বপ্নের কালো ছায়ার অতল গহ্বরে বিলীন।"আঠারো বছর বয়স কবিতায় প্রাণশক্তির যে উদবোধন কবি প্রত্যাশা করেছেন তা উদ্দীপকে রূপায়িত নিশান চরিত্রের মাঝে অনুপস্থিত।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- বাংলাদেশের সড়ক পথে হতাহতের ঘটনা কেন্দ্র করে ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল নয় দিনের একটি আন্দোলন 'নিরাপদ সড়ক চাই।' এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী। আন্দোলনের রেশ ছড়িয়ে পড়েছিল সারা দেশে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার 'পথে-প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান' চরণটি কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- চরণটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- গ্রামের রাস্তা হচ্ছে। কিন্তু মতিব্বর শ্রেণি ঠিকাদারদের সাথে আঁতাত করে নিম্নমানের রাস্তা করছে। গ্রামের যুবকেরা এটি বুঝতে পেরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ল। তারা একত্রিত হয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলো। শেষ পর্যন্ত ঠিকাদারেরা ঠিকমতো কাজ করতে বাধ্য হলো।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় যুবকদের সাথে উদ্দীপকের যুবকদের তুলনা করো।
- তমাল ও পিয়াল দুই বন্ধু মেধাবী ছাত্র হিসেবে প্রশংসিত হয়েছিল পরিচিতজনের কাছে। কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর তমাল ঢাকা মেডিকেল কলেজে আর পিয়াল রাজধানীর একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি তমাল খেলাধুলা, বিতর্ক ইত্যাদিতেও অংশগ্রহণ করে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। অন্যদিকে পিয়াল খারাপ বন্ধুদের সংস্পর্শে পড়ে মাদকসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছে। দুই বন্ধুর জীবন আজ দুটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত।উদ্দীপকের আঠারো বছর বয়সের কোন কোন প্রবণতা ফুটে উঠেছে তা বুঝিয়ে লেখ।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির প্রত্যাশা কী?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন দৈনিক পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন?
- দেশ ও জাতির কল্যাণে তারুণ্যশক্তি এগিয়ে যায় কেন?
- আমরা চলি সম্মুখপানেকে আমাদের বাঁধবে?রইল যারা পিছুর টানেকাঁদবে তারা কাঁদবে।ছিঁড়ব বাধা রক্ত পায়ে,চলব ছুটে রৌদ্রে ছায়েজড়িয়ে ওরা আপন গায়েকেবলই ফাঁদ ফাঁদবে।উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকের সাদৃশ্য লক্ষণীয়? ব্যাখ্যা করো।
- আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য - কী ?
- যেন গতিহীন, প্রাণহীন, সৃজনবিরাগী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রতিটি প্রাত্যহিক আজ। এ দেশের তরুপসমাজ এক অনিবার্য স্থবিরতায় ক্রমে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। মোবাইল ও মাদক তাদের এই অধঃপাতের প্রধান দুটি কারণ বলে মনে হয়। মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য যে আত্মমর্যাদা, ব্যক্তিত্ব, স্বনির্ভরতা, দুরন্ত গতিবেগ, সৃজন, নির্ভীকতা, পরোপকার, অসাম্প্রদায়িকতা, সংস্কৃতিবোধ ও স্বদেশপ্রেম তা থেকে এ দেশের যুবসমাজ নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। পক্ষান্তরে গেমিং, টিকটক করা বা দেখা, অনলাইন আসক্তি এবং নানা রকম নেশা গ্রহণে তারা এখন ডুবে আছে। আসুন এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজি।"এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে' উক্তিটির সার্থকতা উদ্দীপকে বর্ণিত 'মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্যর সাথে সম্পর্কিত।”- বিষয়টি আলোচনা করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য আমৃত্যু কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- ”আঠার বছর বয়স” কবিতাটি সংকলিত হয়েছে কোন কাব্য থেকে?
- আঠারো বছর বয়সীদের তাজা প্রাণে কেমন যন্ত্রণারসৃষ্টি হয়?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য তার 'আঠার বছর বয়স' কবিতায় পদাঘাতে কী ভাঙ্গতে চেয়েছেন?
- নিশান নামের ছেলেটির সম্ভাবনাময় জীবন আজ মাদকের নীল ছোবলে বিধ্বস্ত। নিশানের স্বপ্ন ছিল একদিন সে চিত্রশিল্পী হয়ে উঠবে। অথচ রংতুলির বদলে আজ তার আঙুলের ফাঁকে সিগারেট। এতদিনের স্বপ্নের ভুবন দুঃস্বপ্নের কালো ছায়ার অতল গহ্বরে বিলীন।উদ্দীপকে নিশান চরিত্রের যে চিত্রায়ণ তা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কীভাবে বর্ণিত? আলোচনা করো।
- আঠারো বছর বয়স' কোন ছন্দে রচিত?
- 'ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?- প্রলয় নূতন সৃজন-বেদন!আসছে নবীন-জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন!তাই সে এমন কেশে বেশেপ্রলয় বয়েও আসছে হেসে-মধুর হেসে!ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর!'উদ্দীপকে বর্ণিত ইতিবাচক দিকের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মিল নির্ণয় করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করে বলেছেন, 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং হুড়াইতে ছড়াইতে আহার অন্ত'। কারণ, তাঁর কাছে যৌবন হলো অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। তা মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। ??ুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক। যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে। সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। আর বিপন্ন মানবতার পাশে সে দাঁড়ায় সেবাব্রতী ভূমিকা নিয়ে। উদ্দীপকের তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আঠারো বছর বয়সি তরুণদের কতটুক সাদৃশ্য লক্ষ করার মতো তা আলোচনা করো।
- 'কিশোর সভা' সুকান্ত ভট্টচার্য সম্পাদিত কোন পত্রিকার অংশ ছিল?
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।উদ্দীপকের 'আমরা করি ভুল' পংক্তির সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বিষয়ের সঙ্গতি রয়েছে? বর্ণনা কর।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাক-হানাদার বাহিনী নির্বিচারে অগণিত বাঙালিকে হত্যা করে। দেশে এমন অরাজকতা দেখে তরুণ যুবক রফিক আর চুপ থাকতে পারে না। অপরিসীম সাহস নিয়ে সে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশ ও দশের কল্যাণে সে নিজেকে উৎসর্গ করে।"আত্মত্যাগ ও মানব কল্যাণ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে উক্তিটির তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'- ব্যাখ্যা কর।