মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

আলোকের কোন ঘটনার জন্য রঙধনুর সৃষ্টি হয়?

A. ব্যাতিচার
B. অপবর্তন
C. বিচ্ছুরণ
D. সমবর্তন
Poster Download
CUUnit-ASet-2পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজ্যামিতিক আলোকবিজ্ঞানপ্রতিসরণাঙ্ক (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. বিচ্ছুরণ
Explanation:

সাদা আলো এইভাবে প্রিজমের মতো প্রতিসারক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে প্রতিসরণের ফলে বিশ্লিষ্ট হয়ে সাতটি বিভিন্ন বর্ণের আলোকগুচ্ছে পরিনত হওয়ার ঘটনতনাক আলোক রশ্মির বিচ্ছুরণ বলে।অন্ধকার ঘরে অসচ্ছ পর্দার একটি সূক্ষ্ম ছিদ্রের মধ্য দিয়ে সাদা আলো বা সূর্যের রশ্মিকে একটি কাচের প্রিজমের প্রতিসারক তলের উপর ফেললে ওই রশ্মি প্রিজমের মধ্য দিয়ে প্রতিসৃত হয়ে বিভিন্ন বর্ণে বিভক্ত হয়ে পড়ে। রশ্মিগুলি একটি রঙিন পটির সৃষ্টি করে। ওই পটিকে বর্ণালী বলে। এই রঙিন পটির রশ্গুতিলোকে পরপর সাজালে যথাক্রমে বেগুনি, গাঢ় নীল, আকাশ নীল, সবুজ, হলুদ, কমলা, ও লাল বর্ণের ক্রমটি পাওয়া যায়।সূর্য রশ্মি থেকে উৎপন্ন বর্ণালীকে সৌর বর্ণালী বলা হয়। রামধনু একটি প্রাকৃতিক সৌর বর্ণালী।

সৌর বর্ণালীতে 7 টি রং থাকে তাদের প্রতি বর্ণের ইংরেজি নামের অক্ষরকে নিয়ে ক্রমানুসারে সাজালে VIBGYOR শব্দটি পাওয়া যায়। বাংলাতেও একটি অনুরুপ শব্দের সৃষ্টি হয়। একে বেনীআসহকলা বলে।

Another Explanation (5):

🌈রংধনু: আলোর বিচ্ছুরণের ফল🌈

রংধনু প্রকৃতির এক চমৎকার সৃষ্টি। এটি মূলত আলো??? বিচ্ছুরণ (Dispersion) নামক ঘটনার কারণে ঘটে থাকে। সূর্যের আলো যখন বৃষ্টির কণার মধ্য দিয়ে যায়, তখন আলোর প্রতিসরণের পাশাপাশি এই বিচ্ছুরণ ঘটে, যা রংধনুর সৃষ্টি করে।

বিচ্ছুরণ প্রক্রিয়াটি যেভাবে ঘটে:

  1. আলোর প্রবেশ: সূর্যের আলো প্রথমে বৃষ্টির কণার মধ্যে প্রবেশ করে। 💧
  2. প্রতিসরণ: আলো যখন এক মাধ্যম (বায়ু) থেকে অন্য মাধ্যমে (বৃষ্টির কণা) প্রবেশ করে, তখন এর দিক পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাকে প্রতিসরণ বলে।
  3. বর্ণালীতে বিভাজন: সাদা আলো সাতটি রঙের মিশ্রণ - বেগুনী, নীল, আকাশি, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল। বৃষ্টির কণার মধ্যে প্রতিসরণের সময় এই সাতটি রঙ আলাদা হয়ে যায়।💎
  4. অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন: আলোর কিছু অংশ কণার ভেতরের পৃষ্ঠ থেকে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।↩️
  5. পুনরায় প্রতিসরণ: প্রতিফলিত আলো যখন কণা থেকে বের হয়ে আসে, তখন আবার প্রতিসরিত হয় এবং রংগুলো আরও স্পষ্ট হয়ে যায়।✨
  6. পর্যবেক্ষকের চোখে: এই সাতটি রঙের আলো যখন কোনো পর্যবেক্ষকের চোখে পৌঁছায়, তখন রংধনু দেখা যায়। 👁️

রংধনুর বৈশিষ্ট্য:

  • রংধনু সবসময় সূর্যের বিপরীত দিকে দেখা যায়। ☀️➡️🌈
  • পর্যবেক্ষকের অবস্থানভেদে রংধনুর আকৃতি ভিন্ন হতে পারে। 🧍
  • কখনো কখনো দুটি রংধনু একসাথে দেখা যায়, যার মধ্যে দ্বিতীয়টি প্রথমটির চেয়ে দুর্বল এবং রংগুলো উল্টোক্রমে সজ্জিত থাকে। 🌈🌈

আলোর বিচ্ছুরণ সম্পর্কিত কিছু তথ্য:

আলোর রঙ তরঙ্গদৈর্ঘ্য (ন্যানোমিটার) আপেক্ষিক বিচ্ছুরণ
বেগুনী 💜 ৩৮০-৪৫০ সর্বাধিক
নীল 💙 ৪৫০-৪৯৫ বেশি
আকাশি 🩵 ৪৯৫-৫৭০ মাঝারি
সবুজ 💚 ৫৭০-৫৯০ মাঝারি
হলুদ 💛 ৫৯০-৬২০ কম
কমলা 🧡 ৬২০-৭৫০ কম
লাল ❤️ ৭৫০-৭৮০ সবচেয়ে কম

এ কারণেই রংধনুর সাতটি রঙ সবসময় একটি নির্দিষ্ট ক্রমে দেখা যায়: বেগুনী, নীল, আকাশি, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল (B-I-B-G-Y-O-R)। 📚

আশা করি, রংধনু সৃষ্টির পেছনে আলোর বিচ্ছুরণের ভূমিকা তোমরা বুঝতে পেরেছ। Happy learning! 😊