'God particle' বা ঈশ্বর কণার ধারণা ???ে দেন ?
SAUপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রআধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনাকোয়ান্টাম তত্ত্ব ও ফোটন (Topic Practice)SAU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
হিগস ও সত্যন বোস
Explanation:

Another Explanation (5):
'গড পার্টিকেল' বা ঈশ্বর কণা ⚛️
'গড পার্টিকেল' বা ঈশ্বর কণা হলো পদার্থবিদ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। এটি হিগস বোসন (Higgs Boson) নামেও পরিচিত।
ধারণাটি কার? 🤔
এই কণার ধারণা মূলত দুইজন বিজ্ঞানীর অবদানের ফল:
- পিটার হিগস (Peter Higgs): ব্রিটিশ পদার্থবিদ, যিনি ১৯৬০-এর দশকে এই কণার অস্তিত্বের তাত্ত্বিক প্রস্তাবনা দেন।
- সত্যেন্দ্রনাথ বসু (Satyendra Nath Bose): ভারতীয় বাঙালি পদার্থবিদ, যাঁর বোসন কণার পরিসংখ্যানের ধারণা হিগস বোসন তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করে।
হিগস বোসন কী? 🤷
হিগস বোসন হলো একটি মৌলিক কণা, যা হিগস ফিল্ডের কোয়ান্টাম। এই কণা অন্য কণাগুলোকে ভর (mass) প্রদান করে।
গুরুত্ব 🌟
- ভর কিভাবে তৈরি হয়, তার একটা ব্যাখ্যা দেয়।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- মহাবিশ্বের গঠন বুঝতে সাহায্য করে। 🌌
কিছু তথ্য 📊
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| আবিষ্কার | ২০১২ সালে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার (LHC) এ এই কণার অস্তিত্ব পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত হয়। 🎉 |
| ভর | প্রায় ১২৫ GeV/c2 (গিগ ইলেকট্রন ভোল্ট)। |
| আবিষ্কারক দল | সার্ন (CERN)-এর বিজ্ঞানীরা। |
আরও কিছু... ➕
হিগস বোসন আবিষ্কার পদার্থবিজ্ঞানে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এটি মহাবিশ্বের মৌলিক গঠন এবং কণা পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেলকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে। 👍
এই আবিষ্কারের ফলে পিটার হিগস এবং ফ্রাঁসোয়া এংলার্ট ২০১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান। 🏆
আশা করি, এই তথ্যগুলো 'গড পার্টিকেল' সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সহায়ক হবে। 😊