‘মানবজীবন’, ‘মহৎজীবন’, ‘উন্নতজীবন’- প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা-
A. এস ওয়াজেদ আলী
B. এয়াকুব আলী চৌধুরী
C. মোঃ লুৎফর রহমান
D. মোঃ ওয়াজেদ আলী
সঠিক উত্তরঃ
C.
মোঃ লুৎফর রহমান
Explanation: চিন্তাশীল ও যুক্তিবাদী প্রাবন্ধিক ডাঃ লুৎফর রহমান রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্হ ‘মানবজীবন’, ‘মহৎজীবন’, ‘উন্নতজীবন’। এস ওয়াজেদ আলী রচিত গ্রন্হ ‘মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ’ ‘ভবিষ্যতের বাঙালি’। এয়াকুব আলী চৌধুরী রচিত গ্রন্হসমূহ ‘ধর্মের কাহিনী’, ‘শান্তিধারা’, ‘মানব মুকুট’। মো. ওয়াজেদ আলী রচিত গ্রন্হসমূহ ‘মরুভাস্কর’ ‘মহামানুষ মুহসীন’, ‘মণিচয়নিকা’।
Related Questions (Any University/Year)
- "উদ্দীপকের চিত্র এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্য একই সূত্রে গাঁথা"- কথাটি বিশ্লেষণ করে তোমার মতামত দাও।
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ অনুযায়ী মানুষের মর্যাদা কীসে?
- 'দোকানে কেন এ দর কষাকষি? পথে ফোটে তাজা ফুল।'- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- ‘বিশাল বিশ্বের আয়োজন; মন মোর জুড়ে থাকে অতি ক্ষুদ্র তারি এক কোণ।’ চরণটি কোন কবিতার?
- বহুদিন ধরে বহুক্রোশ দূরেবহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরেদেখিতে গিয়াছি পর্বতমালাদেখিতে গিয়াছি সিন্ধু।দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়াএকটি ধানের শীষের উপরএকটি শিশির বিন্দু।উদ্দীপকে এবং 'ঐকতান' কবিতার মূলভাবে আপাত বৈপরীত্য থাকলেও দুটোতেই দূর ও নিকটকে জানার আগ্রহ প্রাধান্য পেয়েছে- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ’অর্ধাঙ্গী’ রচনায় উল্লেখিত ভগিনীদের রোগের নাম-
- ‘বৈতালিক’ উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?
- ছনু মিয়া তার বড়ো পরিবারের ভরণপোষণ করতে না পেরেমিথ্যার আশ্রয় নেয়। একদিন রাতে সে তার বাড়ির সামনেএকটি সাইনবোর্ড টাঙ্গায়। সেখানে লেখা থাকে যে, সেস্বপ্নে অলৌকিক ক্ষমতা পেয়েছে এবং এর দ্বারা যাবতীয়সমস্যার সমাধান করা হয়।উদ্দীপকটি নিচের কোন রচনার সাথে অধিকতরসাদৃশ্যপূর্ণ—
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শহীদুলের 'ব্রত' এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের 'বৃক্ষের সাধনা' একই সূত্রে গাঁথা।"- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- কোন নদীর পলিতে 'গলিতে হেম' আছে?
- 'একুশের গল্পের' লেখক কে?
- প্রমথ চৌধুরীর মতে পৃথিবীতে শ্রেণিভেদ নেই কোথায়?
- ‘খোকা’ ও ‘রঞ্জু’ মাহমুদুল হক এর কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- আমার চেতনা যেন একটি ___ সত্যিকার পাখি । শূন্যস্থানে কী বসবে?
- "সেই অমোঘ অস্ত্র-ভালোবাসা, পৃথিবীতে ব্যাপ্ত করো" কার লেখ ?
- ক) কাব্যাংশটির ভেতরের সংলাপে জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি' নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কেন?খ) মেঘনাদের সংলাপের মূলভাব অনধিক পাঁচ বাক্যে ব্যক্ত কর।গ) যে ভঙ্গি ও স্বরে বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ ঘৃণা ব্যক্ত করেছেন তা নিজের ভাষায় লেখ । ঘ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে কাব্যাংশটির সাদৃশ্য রয়েছে- কীভাবে?
- প্রাচীনকালে কোনো এক রাজ্যে নাকি মানুষ গাছপালা কেটে উজাড় করে দিত। রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা মানুষের এ ধরনের অবিবেচনা-প্রসূত নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে উদবিগ্ন হয়ে পড়েন। সবুজ নিধনের এই ভয়ংকর বাজে অভ্যাস বন্ধে তখন দেশে এক কঠোর আইন প্রণীত হয়। এ আইনে ব্যক্তিগত গাছসহ যেকোনো ধরনের গাছপালা কাটার ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। বর্তমান সময়ে পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সবুজ বৃক্ষরাজি সংরক্ষণের আন্দোলন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু, মানুষের গাছপালা নিধনের প্রবণতা এখনো রয়েই গেছে।"উদ্দীপকে বর্ণিত 'কঠোর আইন'-এর উদ্দেশ্য ও 'সেই অস্ত্র' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষা অভিন্ন।" বিশ্লেষণ করো।
- 'বঙ্গবন্ধু জাদুঘর' কোথায় অবস্থিত?
- "তরুতলে বসে পান্থ শ্রান্তি করে দূরফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুরবিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়,তরু তবু অকাতর, কিছু নাহি কয়।দুর্লভ মানব জন্ম পেয়েছো যখনতরুর আদর্শ কর জীবনে গ্রহণপরার্থে আপন সুখ দিয়ে বিসর্জনতুমিও হওগো ধন্য তরুর মতন।"'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বিকাশ ও দানের কথা বর্ণিত হলেও উদ্দীপকে শুধুই ত্যাগের মহিমা কীর্তন করা হয়েছে।- বিশ্লেষণ কর।
- যে মোরে দিয়েছে বিষে-ভরা বাণ,আমি দেই তারে বুকভরা গান;- এখানে 'বিষে-ভরাবাণ' কী অর্থ জ্ঞাপন করেছে?