“অর্ধাঙ্গী' রচনায় উল্লেখিত ভগিনীদের রোগের নাম কি?
A. রান্নাকরা
B. স্বামীসেবা
C. দাসত্ব
D. গৃহসজ্জা
সঠিক উত্তরঃ
C.
দাসত্ব
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'জাদুঘর' কোন ধরণের শক্তিশালী সংগঠন?
- শাস্ত্রকারেরা গাহস্থ্য ব্যাপারটিকে কী হিসেবে কল্পনা করেছ??ন?
- কোন কোন নদী জলাঙ্গীরে অবিরল জল দেয়?
- সুন্দরপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে হালদা নদী। নদী বিধৌত গ্রামটি যেন সবুজ প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর সজীবতা। জাম, জারুল, কড়ই, ডুমুর, শিমুলসহ নানা জাতের গাছ- গাছালি, পাখির কলতান, ফল-ফুলের মাধুর্য, দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ যেন দৃশ্যমান ছবি।নদীর জলে নানা প্রজাতির মাছ ও দুকূলে হরেক রকমের লতা-গুল্মের সমাহার।উদ্দীপকে 'দৃশ্যমান ছবি' 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার কোন প্রসঙ্গের সাথে, কোন বিবেচনায় তুলনীয়?
- রবিন মফস্বলের একটি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। সে তার প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'সংকল্প' কবিতার "দেখব এবার জগতটাকে” চরণটির প্রতি অনুরক্ত। তাই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশ করে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হয়। প্রিয় কবির জগৎটাকে দেখার ইচ্ছায় সে প্রায়ই দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো দেখতে যায়। এতে জ্ঞানপিপাসু মনে জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধির পাশাপাশি ঐতিহাসিক তত্ত্ব সম্পর্কেও জানতে পারে।'মানবজাতির আত্মপরিচয় তুলে ধরায় জাদুঘরের ভূমিকা অনস্বীকার্য।'- বক্তব্যটি কি সমর্থনযোগ্য? উদ্দীপক ও 'জাদুঘরে কেন যাব' রচনার আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- মুনীর চৌধুরী রচিত ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’ একটি-
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শহীদুলের 'ব্রত' এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের 'বৃক্ষের সাধনা' একই সূত্রে গাঁথা।"- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- "যখন বিচারে পরাস্ত হইবে তখন গম্ভীরভাবে উপদেশ প্রদান করিবে।"- ব্যাখ্যা কর।
- ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- স্কুলশিক্ষক আবির জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে নিজেকে যেমনসমৃদ্ধ করেছেন, তেমনি আলোকিত করেছেন শিক্ষার্থীদের।উদ্দীপকের ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে 'জীবন ও বৃক্ষপ্রবন্ধের কোন ভূমিকায়?
- 'জীবন বন্দনা' কবিতার মূল ভাব-
- "সেই অমোঘ অস্ত্র_______পৃথিবীতে ব্যাপ্ত করো। "- শূন্যস্থানে কী হবে?
- ’আমার পূর্ব বাংলা’ কবিতায় উল্লিখিত কদম গাছের ফুল ও পাতার সংখ্যা-
- শাক্ত পদাবলির জন্য বিখ্যাত –
- শামসুর রাহমানের জন্মাসাল হচ্ছে?
- জসীমউদ্দীনকে কোন বিশ্ববিদ্যালয় ডি-লিট ডিগ্রিপ্রদান করে?
- কোনটি শােক-কবিতার পর্যায়ে পড়ে?
- জহির রায়হানের উপন্যাস নয়?
- 'সমাজের উচ্চ মঞ্চে বসেছি সংকীর্ণ বাতায়নে'- পঙক্তির মর্মার্থ বুঝিয়ে লেখ।
- 'এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির কাবা নাই'- ব্যাখ্যা করো।