‘পিজিন ভাষা' কী ধরণের ভাষা?
A. মিশ্রভাষারীতির কৃত্রিম ভাষা
B. উপভাষা
C. ক্রেওল ভাষা
D. লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা
সঠিক উত্তরঃ
A.
মিশ্রভাষারীতির কৃত্রিম ভাষা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'Existentialism'-এর মূলকথা কী?
- শব্দের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
- কোনটি তৎসম শব্দ নয়?
- 'মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে।'এখানে ‘মহত্ত্ব' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আবুলফজল কোন যুগান্তকারী আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরিযুক্ত ছিলেন?
- ‘খ্রিষ্টাব্দ’ শব্দটি-
- নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল;গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত,বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মাইয়া, নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরিহিত তরে।কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- রূপক কবিতার ভাববস্তুর কয়টি দিক থাকে?
- পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীন-দুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে বিকালে সাঁঝে।"উদ্দীপকের মূলভাব 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূলভাবকে সামগ্রিকভাবে ফুটিয়ে তোলেনি" বক্তব্যের সপক্ষে তোমার যুক্তি উপস্থাপন করো।
- মানুষের মনস্তত্ত্বে ক্ষমা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণ থাকা আবশ্যক। মননশীলতার চর্চায় তাই শ্রদ্ধাবোধ, শিষ্টাচার প্রভৃতি গুণ ব্যক্তিকে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে আদর্শ নাগরিক। হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।উদ্দীপকে উল্লিখিত গুণাবলি মানব-কল্যাণ সাধনে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- গড়ে ওঠে অরণ্যভেদী লোকালয়মানুষের শ্রমে,গড়ে ওঠে মধুকুঞ্জ বংশধারামানুষের প্রেমে কামে,জ্বলে ওঠে দাবানলমানুষের ক্রোধে,লোকালয় অরণ্য হয়।উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক রূপায়ণ। মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- জাতিকে কী-হিসেবে গড়ে তুলতে হবে?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি লেখকের কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- 'আনারস' শব্দটি-
- আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।নির্দেশিত ভাবটি নিচের কোন বাক্যে বিদ্যমান?
- খোদা, চশমা, ফেরেশতা শব্দগুলো কোন ভাষা থেকে আগত?
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- র্যাশনাল শব্দের অর্থ কী?
- বিদেশি শব্দের বানানের ক্ষেত্রে কোন ধ্বনির ব্যবহারের প্রয়োজন নেই ?
- কারক' শব্দের বিশ্লেষণ করলে হয়-