মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিচের কোন ঘটনা আলোর কণা-প্রকৃতিকে ব্যাখ্যা করতে পারে?

A. বিচ্ছুরণ
B. ব্যতিচার
C. আলোর তড়িৎক্রিয়া
D. সমবর্তন
Poster Download
DU.7ClgScienceপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রআধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনাআলোক তড়িৎক্রিয়া (Topic Practice)DU.7Clg - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. আলোর তড়িৎক্রিয়া
Explanation:

Another Explanation (5):

আলোর কণা-প্রকৃতির ব্যাখ্যা: আলোর তড়িৎক্রিয়া 💡

আলোর কণা-প্রকৃতি (Particle Nature) ব্যাখ্যার জন্য আলোর তড়িৎক্রিয়া (Photoelectric Effect) একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি প্রমাণ করে যে আলো শুধুমাত্র তরঙ্গ নয়, এটি ছোট ছোট প্যাকেট বা কণা হিসেবেও আচরণ করে। এই কণাগুলোকে ফোটন (Photon) বলা হয়। ⚛️

আলোর তড়িৎক্রিয়া কী? 🤔

আলোর তড়িৎক্রিয়া হলো যখন কোনো ধাতব পৃষ্ঠের উপর আলো পড়লে, ঐ ধাতু থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই নির্গত ইলেকট্রনগুলোকে ফটোইলেকট্রন (Photoelectron) বলা হয়। ⚡

আলোর কণা-প্রকৃতি কিভাবে ব্যাখ্যা করে? 🧐

ঐতিহ্যবাহী তরঙ্গ তত্ত্ব আলোর তড়িৎক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছিল। কারণ:

  • আলোর তীব্রতা (Intensity) বাড়ালে নির্গত ইলেকট্রনের গতিশক্তি বাড়ার কথা, কিন্তু বাস্তবে তা বাড়ে না। ❌
  • আলোর কম্পাঙ্ক (Frequency) একটি নির্দিষ্ট মানের নিচে থাকলে কোনো ইলেকট্রন নির্গত হয় না, তা তীব্রতা যতই বেশি হোক না কেন। ❌
  • আলো পড়ামাত্রই ইলেকট্রন নির্গত হওয়া উচিত নয়, কারণ ধাতুকে যথেষ্ট শক্তি শোষণ করতে কিছু সময় লাগার কথা। কিন্তু বাস্তবে আলো পড়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ইলেকট্রন নির্গত হয়। ⏱️

আইনস্টাইন (Einstein) আলোর কণা তত্ত্বের সাহায্যে এই সমস্যা সমাধান করেন। তিনি বলেন:

  • আলো ফোটন নামক ছোট ছোট কণা দিয়ে গঠিত। ✅
  • প্রতিটি ফোটনের একটি নির্দিষ্ট শক্তি (E) আছে, যা আলোর কম্পাঙ্কের (ν) সাথে সম্পর্কিত: E = hν (এখানে h হলো প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক)। ✅
  • যখন একটি ফোটন ধাতব পৃষ্ঠের উপর আপতিত হয়, তখন এটি তার সমস্ত শক্তি একটি ইলেকট্রনকে দিয়ে দেয়। ✅
  • যদি ফোটনের শক্তি ধাতুর কার্য অপেক্ষকের (Work Function, Φ) চেয়ে বেশি হয়, তবে ইলেকট্রন নির্গত হবে এবং বাকি শক্তি ইলেকট্রনের গতিশক্তি (Kinetic Energy, KE) হিসেবে থাকবে: KE = hν - Φ ✅

আলোর তড়িৎক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যসমূহ 📝

  1. সূচন কম্পাঙ্ক (Threshold Frequency): প্রতিটি ধাতুর জন্য একটি নির্দিষ্ট সর্বনিম্ন কম্পাঙ্ক থাকে, যার নিচে আলো পড়লে কোনো ইলেকট্রন নির্গত হয় না। 📉
  2. গতিশক্তি (Kinetic Energy): নির্গত ইলেকট্রনের গতিশক্তি আলোর কম্পাঙ্কের উপর নির্ভরশীল, তীব্রতার উপর নয়। 🚀
  3. তীব্রতা (Intensity): আলোর তীব্রতা বাড়ালে নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যা বাড়ে, কিন্তু তাদের গতিশক্তি বাড়ে না। 🔆
  4. সময় (Time): আলো পড়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ইলেকট্রন নির্গত হয়, কোনো সময় বিলম্ব ঘটে না। ⏳

আলোর তড়িৎক্রিয়ার ব্যবহার ⚙️

  • সৌরকোষ (Solar Cells) এ ব্যবহৃত হয়। 🌞
  • ফটো ডিটেক্টরে (Photo Detectors) ব্যবহৃত হয়। 📸
  • আলো সংবেদী সুইচে (Light Sensitive Switches) ব্যবহৃত হয়। 💡

সংক্ষেপে 📊

বিষয় বর্ণনা
আলোর প্রকৃতি কণা (ফোটন) এবং তরঙ্গ উভয়ই 🌊
আলোর তড়িৎক্রিয়া ধাতু থেকে আলো দ্বারা ইলেকট্রন নিঃসরণ 📤
ফোটন শক্তি E = hν ⚡
গতিশক্তি KE = hν - Φ ⬆️

আলোর তড়িৎক্রিয়া শুধুমাত্র আলোর কণা-প্রকৃতি প্রমাণ করে না, বরং কোয়ান্টাম মেকানিক্সের (Quantum Mechanics) ভিত্তি স্থাপন করে। ⚛️✨