বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে”- এ উক্তিটির প্রকৃত তাৎপর্য হচ্ছে -
A. বনের পশু বনে থাকতেই ভালোবাসে
B. প্রকৃতির রূপ সৌন্দর্য আদি ও অকৃত্রিম
C. আদিবাসী মানুষ অরণ্য জনপদে বাস করে
D. জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
সঠিক উত্তরঃ
D.
জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
Explanation: বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে''
- চমৎকার এ কথাটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন 'পালামৌ' নামের ভ্রমণকাহিনীতে।
এর মূলভাব হলো সৌন্দর্য্য সর্বত্র বিকশিত হয় না । প্রাকৃতিক নিয়মে যার যথা স্থান সেখানেই তার সৌন্দর্য ফুটে উঠে।
- 'পালামৌ' সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা।
- ছোটনাগপুরের আদিম গিরিদরী অরণ্যানী ও আরণ্যক পশু ও মানব লেখকের বর্ণনাগুণে উচ্চ সাহিত্যমূল্য লাভ করে।
- ''বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে'' এই গ্রন্থের যুগোত্তীর্ণ বাক্য।
- এই বাক্য সৃষ্টির মাধ্যমে লেখক স্মরনীয় হয়ে থাকবেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
- চমৎকার এ কথাটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন 'পালামৌ' নামের ভ্রমণকাহিনীতে।
এর মূলভাব হলো সৌন্দর্য্য সর্বত্র বিকশিত হয় না । প্রাকৃতিক নিয়মে যার যথা স্থান সেখানেই তার সৌন্দর্য ফুটে উঠে।
- 'পালামৌ' সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা।
- ছোটনাগপুরের আদিম গিরিদরী অরণ্যানী ও আরণ্যক পশু ও মানব লেখকের বর্ণনাগুণে উচ্চ সাহিত্যমূল্য লাভ করে।
- ''বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে'' এই গ্রন্থের যুগোত্তীর্ণ বাক্য।
- এই বাক্য সৃষ্টির মাধ্যমে লেখক স্মরনীয় হয়ে থাকবেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
Related Questions (Any University/Year)
- দুঃখ যত প্রবলভাবে মানুষের মনে আঘাত করে, সুখ ততটা করে না। সুখকে কোনো কোনো লোকে যত নিস্পৃহভাবে গ্রহণ করতে পারে, চেষ্টা করলেও দুঃখকে তত সহজে মনের গোপনে লুকিয়ে রাখতে পারে না??? এজন্য জীবনে দুঃখের মূল্য বড় বেশি। আগে দুঃখ পেতে হবে, তবেই সমস্ত অনুভূতি সজাগ ও তীক্ষ্ণ হবে। ভুল করে যে দুঃখ পায়, তার ভুল করা সার্থক। আর ভুল করলেও যে নির্বিকার,- আত্ম-বিচার যার নাই- তার কাছে সত্য-মিথ্যা, পাপ-পুণ্য, অর্থশূন্য শব্দ ছাড়া আর কিছুই নয় ।
- সারাংশে কোনটি প্রয়োজন নেই ?
- ‘শৈবাল দীঘিরে কহে উচ্চ করি শির; লিখে রেখ, একবিন্দু দিলেম শিশির।’ এ অংশটুকুর মূল প্রতিপাদ্য-
- রাত্রির গায়ে জ্বলে জোনাকি/তটিনীর বুকে মৃদু ছন্দ'-এ গানের কথা তটিনী’ বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?
- সারমর্ম লেখার ক্ষেত্রে কোনটি বর্জন করতে হবে?
- সারাংশে প্রত্যক্ষ উক্তির ক্ষেত্রে কী করতে হবে?
- “শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শির, লিখে রেখাে এক ফোঁটা দিলেম শিশির।”- এর মূল প্রতিপ???দ্য কী?
- ‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।’ - চরণ দুটি কার লেখা?
- সারাংশের মূল উদ্দেশ্য কী?
- সারমর্ম লেখ (অনধিক চার বাক্যে) দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ।পাহাড়-কাটা সে পথের দুপাশে পড়িয়া যাদের হাড়,তােমারে বহিতে যারা পবিত্র অঙ্গে লাগাল ধুলি,তাদেরি ব্যথিত বক্ষে পা ফেলে আসে নব উত্থান।
- 'কীর্তি যত গড়ে তুলি/ ধূলি তারে করে টানাটানি' এর মর্মার্থ:
- কবিতাটির পড়ে প্রশ্নটির উত্তর দাও -]'কোথায় স্বর্গ,কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর।'এখানে সাম্যবাদী কবিতার যে দিকটি উচ্চারিত হয়েছে তা হলো -
- সারাংশ লিখনে একাধিক অনুচ্ছেদ থাকা -
- তাই আমি মেনে নিলাম সে নিন্দার কথা আমার সূরের অপূর্ণতা। আমার কবিতা, জানি আমি,গেলেও বিচিত্র পথে হয় নাই সে সর্বত্রগামী
- সারাংশে নিচের কোনটির প্রয়োজন নেই?
- যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারেযে জাতি জীবনহারা অঢ়ল আসাড় সর্বজন সর্বক্ষণ চলে যেই পথে যে জাতি চলে না কভু তারি পথ পরে
- ' প্রকৃতির যে ধর্ম, মানুষের সে ধর্ম।' উক্তিটি দ্বারা কী বুঝানো হয়ছে?
- 'নদীর এপাড় কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস /ওপাড়েতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস এই পংক্তিদ্বয়ের মূল প্রতিপাদ্য:
- 'যাকে বাড়িতে হইবে তাকে কড়া হইলে চলিবে না প্রাণ সেইজন্য কোমল। -প্রাণ জিনিসটা অপূর্ণতার ব্যঞ্জনী।' এই মন্তব্যের আলোকে প্রাণের প্রকৃতি হল:
- সারাংশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক কোনটি ?