জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কোনটি যৌগিক বাক্য?
- কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন মেন্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। জেলখানায় বসেই তিনি বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশনকরেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি বিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেন।"নেলসন মেন্ডেলার আন্দোলন ছিল বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আর 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় শেখ মুজিবুর রহমানের আন্দোলন ছিল জাতি-সত্তার পক্ষে"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- বন্ধু, তোমার ছাড়ো উ???্বেগ, সুতীক্ষ্ণ করো চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দূর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোতে রুখে, তন্দ্রাকে করো ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোলো ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে, গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়ান্তে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় প্রতিবাদের ভাষার যে বৈসাদৃশ্য ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখো।
- 'গুরুজনে ভক্তি করো,' এখানে গুরুজনে কোন কারক?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষাসৈনিকদের শহিদ হওয়ার খবর কিভাবে পেয়েছিলেন?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'- কোন প্রসঙ্গে লেখক এ কথা বলেছেন?
- পঁচিশে মার্চের সেই কালরাত্রি। তীব্র একাত্তরদানবীয় হত্যা ও লুণ্ঠন অগ্নি হিংসার তাণ্ডবহানাদার হায়েনার পৈশাচিক উল্লাসসেই নগ্ন কালরাত্রে অতর্কিত বন্য হামলায়উজাড় নিঃশেষ আর দগ্ধতার ধু ধু শূন্য ভগ্নস্তূপঝরেছিল প্রাণ অগণন, সাঁদামাটি বাংলার প্রান্তরে…………….…………….…………….…………….অধিকৃত দেশ-মাটি-মানুষের মুক্তির সংগ্রামেবাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে, নাই কোনো ক্ষমা নাইযেকোনো ত্যাগের মূল্যে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা চাইমুক্তিযুদ্ধ দিয়েছে মূল্যে লাল পতাকার অগ্নি অহংকারমুক্তিযুদ্ধ চিরকালই চলমান, কোনো অন্ত বিরতিও নাই।"সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের খণ্ডাংশ মাত্র।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'যদি এই পথে মৃত্যু এসে থাকে তবে তাই হবে'- কোন রচনার উদ্ধৃতি?
- "জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়" কোন রচনার অংশ?
- সেমিকোলনের বাংলা
- মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দেয়তারা কেমন মানুষআজ আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে।আমার বুকের মধ্যেসেই বাংলাদেশের জন্যএকটুখানি বাঙালি হয়ে ওঠার জন্যএকটা ভয়ংকর যন্ত্রণা টনটন করে ওঠে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাদৃশ্যের অংশটুকু তুলে ধরো।
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।উদ্দীপকের ব্রিটিশ শাসকের নির্যাতন এবং 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতনের তুলনা করো।
- "বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায় "- বুঝিয়ে লেখো।
- ‘বায়ান্নর দিনগুলি’র লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ কার লেখা?
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।' -বাক্যটি যে রচনার অন্তর্গত-
- অনশন ধর্মঘটে থাকাকালে বঙ্গবন্ধু কয়টি চিঠি লিখেছিলেন?
- ’সদা সত্য কথা বলবে’ বাক্যটি-
- কখন জনগণের মঙ্গল হওয়ার চেয়ে অমঙ্গলই বেশি হয়- শাসকরা যখন শোষক হয় স্বৈরাচার যখন জেঁকে বসে আমলাতন্ত্রের দৌরাত্ম্য যখন বেড়ে যায়নিচের কোনটি সঠিক?
- বন্ধু, তোমার ছাড় উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ কর চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোত রুখে, তন্দ্রাকে কর ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে হয়ে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোল ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়াস্তে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের প্রতিবাদের ভাষার যে বৈসাদৃশ্য ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখ।