“অতটুকু বুকে লুকাইয়াছিল কে জানিত কত ব্যথা”। উক্তিটি কোন গল্পের /কবিতার ?
A. জীবন বন্দনা
B. কবর
C. পাঞ্জেরী
D. ব্যথার দান
সঠিক উত্তরঃ
B.
কবর
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: “অতটুকু বুকে লুকাইয়াছিল কে জানিত কত ব্যথা” উক্তিটি 'কবর' গল্পের থেকে এসেছে, যেখানে প্রধান চরিত্রের ??েতরের দুঃখ ও ব্যথা প্রকাশ পায়। অপশন বিশ্লেষণ: A. জীবন বন্দনা: ভুল, এটি 'কবর' গল্পের অংশ নয়। B. কবর: সঠিক, এই উক্তিটি 'কবর' গল্পের অংশ। C. পাঞ্জেরী: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. ব্যথার দান: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: এই উক্তি 'কবর' গল্পের অন্তর্গত, যেখানে একটি গভীর অনুভূতি এবং দুঃখের প্রকাশ রয়েছে।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘সূর্যদেব যতই ঊর্ধ্ব উঠিতেছেন , তাপাংশ ততই বৃদ্ধি হইতেছে' উক্তিটি কোন গল্পের / কবিতার?
- নিচের কোন কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত?
- নীল দর্পণ ' নাটক ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?
- কোন কবিতার পঙক্তি -'শিবে নত স্নেহ'- আঁখি মঙ্গল দাত্রি'?
- ঐকতান' শব্দের অর্থ কী?
- ‘কতো নদী সরোবর বা বাংলা ভাষার জীবনী’ কার লেখা?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।জবড়জঙ' শব্দটির বিপরীত অর্থ কী?
- সেই অস্ত্র' কবিতার সারকথা কি?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা কোনটি?
- যে সব বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী / সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় জানি' -কার রচনা?
- ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের নায়কের নাম কী?
- কোন ব্যক্তি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- কোন প্রবন্ধটি রচনার কারণে মীর মশাররফ হোসেন স্বসমাজ হতে নিগৃহীত হন?
- হাতি আড় হলে ................ লাথি মারে।
- সেই অস্ত্র' কবিতায় 'অমোঘ অস্ত্র' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- _________ অন্ধকার হইতে আলোকে আনিয়াছি, ভাবিয়া কমলাকান্তের _____ আনন্দ হইল।' শূন্যস্থানে যথাক্রমে কোনটি বসবে?
- পিতৃদেবকে জিজ্ঞাসিলাম, বাবা, রাস্তার ধারে শিল পোঁতা আছে কেন?' উক্তিটি কোন গল্পের /কবিতার?
- একটি তুলসী গাছের কাহিনি গল্পে কতৃপক্ষের নির্দেশে বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণকারী মানুষগুলো কতদিনের মাথায় বাড়ি ছাড়ে?
- কিণাঙ্ক শব্দটির অর্থ কী?