"কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি/দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?" - কোন কবিতার চরণ?
A. ঐকতান
B. তাহারেই পড়ে মনে
C. লোক-লোকান্তর
D. এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে
সঠিক উত্তরঃ
B.
তাহারেই পড়ে মনে
Explanation:
তাহারেই পড়ে মনে ।। সুফিয়া কামাল
- “হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়,
- বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?”
- কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-
- “দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?
- বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল?
- দখিনা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল?
- “এখনো দেখনি তুমি?” কহিলাম, “কেন কবি আজ
- এমন উন্মনা তুমি? কোথা তব নব পুষ্পসাজ?”
Related Questions (Any University/Year)
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি তার সাথেঅভিযান করেছেন?
- সালমা ও জামিল দাম্পত্য জীবনে সুখেই দিনাতিপাত করছিল। হঠাৎ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল জামিল। ছন্দপতন ঘটল সালমার সুখময় জীবনে। যদিও পরবর্তীকালে শামীম নামের এক ভদ্রলোকের সাথে সালমার আবার বিয়ে হয়। কিন্তু প্রথম স্বামীর স্মৃতি সে এক দিনের জন্যেও ভুলতে পারেনি। কারণ, সে ছিল তার সকল কাজের প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে সালমা প্রথম স্বামীর কথা স্মরণ করে একদম উদাসীন হয়ে যায় এবং স্বামীর কবরের পাশে বসে নীরবে অশ্রুপাত করে। কেননা তার সেই ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালেই তাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেছে।উদ্দীপকের জামিরের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা অনুসারে বসন্তঋতুতে-মানব মনে আনন্দ বিরাজ করেআমের মুকুল ফোটেদখিনা বাতাস বইতে থাকেনিচের কোনটি সঠিক?
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।"উদ্দীপক এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবিদ্বয়ের মধ্যে ঋতুর দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য রয়েছে।"- এ উক্তির সঙ্গে তুমি কি একমত? তোমার মন্ত্রের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- চারদিকে ভীষণ কুয়াশা। অমিতের 'আজ লেখার ইচ্ছে নেই।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার' কোন দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী'-শব্দের অর্থ কী?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।' উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তু ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে।' বুঝিয়ে লেখো।
- 'ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই রাখিনি সন্ধান।'- কবির এই উদাসীনতার প্রকৃত ধারণ কী?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো 'কোন শ্রেণির রচনা?
- ’কাঁটাতারে প্রজাপতি’ কে লিখেছেন-
- কবি পথে পথে কার জন্য ফেরেন?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি কোন ফুল ফোটার কথা জানতে চেয়েছেন?
- 'অর্ঘ্য' শব্দের অর্থ কী?
- সাঁঝের মায়া' কার লেখা?
- 'তাঁহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি গঠনরীতির দিক দিয়ে-
- চিত্রশিল্পী কাজী ইকবাল স্ত্রী-পুত্র-কন্যা নিয়ে বোড়তে গিয়েছিলেন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। হঠাৎ আসা সুনামির আঘাতে ভেসে গেল তার পরিবারের সবাই। নিজে বেঁচে গেলেও বিয়োগান্ত এই ঘটনার শোকে ভীষণ ভেঙে পড়লেন। ছবি আঁকা নেশা ও পেশা হলেও তিনি আর কখনোই হাতে তুলে নেননি ছবি আঁকার তুলি কিংবা রং।'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির প্রকৃতি ঘনিষ্ঠ যে মনোবেদনা বর্ণিত হয়েছে উদ্দীপকে তা অনুপস্থিত।"-মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন ফুলের কুঁড়ির কথা উল্লেখ আছে ?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির মন বিষণ্ণতায় আচ্ছন্ন।যে কারণে—
- বর্ষায় বাংলার প্রকৃতি যেন ভিন্ন এক রূপের পসরা সাজায়। বিলের বুকে কলমিলতা, শাপলার অনাবিল সৌন্দর্য, পানকৌড়ির লুকোচুরি- কার না ভালো লাগে। কিন্তু শিল্পী নাজমা বিলের ধারে বেড়াতে এসেও যেন কেন আনমনা হয়ে আছেন। এমনি এক বর্ষায় নৌকাডুবিতে চিরতরে হারিয়ে যায় তার স্নেহের দুটি ভাই-বোন। শাপলা-শালুকভরা শ??শ্বত বাংলার বর্ষা প্রকৃতি দেখেও আজ তাই কণ্ঠশিল্পী নাজমার কণ্ঠে ধ্বনিত হয় না কোনো গান। তার হৃদয় জুড়ে শুধুই বিষণ্ণতা।"উদ্দীপকের কণ্ঠশিল্পী নাজমার সাথে কবি বেগম সুফিয়া কামালের শিল্পী সত্তার তাৎপর্যপূর্ণ মিল রয়েছে"- উক্তিটির মূল্যায়ন কর।