'কামাল পাশা' ও 'আনোয়ার পাশা' গ্রন্থ দুটির রচয়িতা কে?
A. আবুল ফজল
B. ইব্রাহীম খাঁ
C. কাজী নজরুল ইসলাম
D. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তরঃ
B.
ইব্রাহীম খাঁ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ইশান একজন এম.এ পাস যুবক। প্রচলিত ধ্যান-ধারণার সাথে কখনই সে একমত হতে পারে না। তাই তার বন্ধুরা যখন আচার সর্বস্ব ধর্মের আনুষ্ঠানিকতা পালন করে তখন সে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখে। সে নিজের অন্তরধর্ম থেকে অনুভব করেছে সৃষ্টিকর্তা সর্বত্র বিরাজমান। আকাশে খুঁজে তাঁকে পাওয়া যায় না। মানুষের মাঝে তাঁকে খুঁজতে হবে।ইশানের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতার কোথায় মিল পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা কর।
- সকলের দেবতার বিশ্ব-দেউল কী?
- ‘ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতি শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম।’ – কে বলেছেন?
- ’একটি তুলসী গাছের কাহিনী’ তে কে গল্প-প্রেমিক?
- কাজী নজরুল ইসলামের জীবনবন্দনা কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত হয়েছে?
- 'আমার পূর্ব বাংলা' কবিতায় নিকুঞ্জ এর তমাল কী দিয়ে ঘেরা?
- 'চার্বাক' কে ছিলেন?
- সংগ্রহশালার দিক থেকে আলেকজান্দ্রিয়ার সাথেসাদৃশ্য রয়েছে কোন জাদুঘরের?
- শূন্যস্থানে কোন শব্দগুলো বসবে ? কমলাকান্ত ___ নহে _____ ৷
- ওই যে দাঁড়ায়ে নতশিরমুক সবে, ম্লান মুখে লেখা শুধু শত শতাব্দীরবেদনার করুণ কাহিনী; স্কন্ধে যত চাপে ভারবহি চলে মন্দগতি যতক্ষণ থাকে প্রাণ তার-তার পরে সন্তানেরে দিয়ে যায় বংশ বংশ ধরি,নাহি ভর্ৎসে অদৃষ্টেরে, নাহি নিন্দে দেবতারে, স্মরি,মানবেরে নাহি দেয় দোষ, নাহি জানে অভিমান,শুধু দুটি অন্নখুঁটি কোনমতে কষ্টক্লিষ্ট প্রাণরেখে দেয় বাঁচাইয়া।উদ্দীপকে 'ঐকতান' কবিতার ভাবার্থ পরিপূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়েছে কিনা আলোচনা কর।
- আজ উদ্যান লতা সৌন্দর্য গুণে বনলতার নিকট পরাজিত হইল।' এ বাক্যটি কোন লেখকের ?
- ১৯৩২ সালে “যৌবনের গান” প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলাম পাঠ করেন-
- কাকে ইতঃপূর্বে যথোচিত পুরস্কার দেওয়া গিয়েছে বলে কমলাকান্ত মনে করল?
- 'নবদম্পতির প্রেমালাপ’ কোন্ রচনায় উদ্ধৃত হয়েছে?
- ’দেখিয়া সফেদ দেয়ালের শান্ত ফটোগ্রাফটিকে বললাম জিজ্ঞাসু অতিথিকে' - চরণদ্বয়ে বিশ্লেষণ রয়েছে
- 'যে জন বঙ্গেতে জন্মে হিংসে বঙ্গবাণী' কার লেখা ?
- গ্রিক ট্রাজেডির মর্মবাণী-
- 'কমলাকান্তের জবানবন্দি' প্রবন্ধে মোকদ্দমার ফরিয়াদির নাম-
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।"উদ্দীপকে বিধৃত 'কীত্তনখোলা' নাটকে নাট্যকারের যে কীর্তি তা-ই অন্বিষ্ট ছিল 'ঐকতান' কবিতার কবির।"- আলোচনা করো।
- ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ -এর প্রধান বিষয় কী?