সিরাজুদ্দৌলা নাটকের প্রথম অংক প্রথম দৃশ্যের স্থান কোনটি?
A. নবাবের দরবার
B. ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গ
C. ঘসেটি বেগমের বাড়ি
D. পলাশীর যুদ্ধক্ষেত্র
সঠিক উত্তরঃ
B.
ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- স্ত্রী জাএদা কর্তৃক বিষ প্রয়োগে মৃত্যুর পূর্ব সময়ে হাসানের উক্তি, শয্যার নিকটে জাএদাকে ডাকিয়া হাসান চুপি চুপি বলিতে লাগিলেন, 'জাএদা, তোমার চক্ষু হইতে হাসান বিদায় হইতেছে, আশীর্বাদ করি, সুখে থাকো। তুমি যে কার্য করিলে সমস্তই আমি জানিতে পারিয়াছি। তোমাকে বড়োই বিশ্বাস করিতাম। বড়োই ভালোবাসিতাম। তাহার উপর্যুক্ত কার্যই তুমি করিয়াছ। ভালো থেকো, সুখে থাকো, আমি তোমাকে ক্ষমা করিলাম।'"উদ্দীপকের সংকট ব্যক্তি পর্যায়ে হলেও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সংকট রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের।" বিশ্লেষণ করো।
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করো।
- 'যার অন্তরে বয়ে যায় দেশপ্রেমকোন অসম্মান তাকে পারে না ছুঁতেশত কলঙ্ক রেখা দিলে টেনেকালের পৃষ্ঠা তাকে খাঁটি করে হেমেপ্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরেতিনি বেঁচে থাকেন অন্তরে।'উদ্দীপকের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মধ্যে বেশি স্পষ্ট? বর্ণনা করো।
- 'দশদিকের দশটি হাত ভর্তি করতে হিমশিম খেয়েযাচ্ছে ইংরেজ, ডাচ আর ফরাসিরা।'- এ কথারমধ্যে কোন তথ্য রয়েছে?
- মিরন সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ শুনিয়েছিল—বাংলার জনসাধারণকে উৎপীড়ন দরবারের পদস্থ আমির- উমরাদের মর্যাদাহানিমতিঝিলের জলসা চিরকালের মতো ভেঙে দেওয়ানিচের কোনটি সঠিক?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান ধানমন্ডির বাসায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকষড়যন্ত্রে সপরিবার শাহাদাত বরণ করেন। কিছু বিপথগামীসেনা সদস্য এ কাজে নিয়োজিত ছিল এবং তারাই হাজারবছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মেরে ফেলল। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাসকরতে পারেননি যে, তাঁকে কেউ মারতে পারে।উদ্দীপকের বিপথগামী সেনা সদস্যদের সঙ্গে‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়াযায়?
- সিরাজউদ্দৌলাকে কোথায় বন্দি করা হয়?
- "শুধু ওই একটি পথেই আবার আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।"- ব্যাখ্যা কর।
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটিবকত সালে প্রকাশিত হয়?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়ো লজ্জার কথা।'– উক্তিটি কে করেছিল?
- 'মেঘনাদবধ কাব্যে'র দেশপ্রেমিক রাক্ষসরাজ রাবণ দেশে শত্রুবেষ্টিত ও অবরুদ্ধ। রামচন্দ্র ও তার বানর সৈন্য লঙ্কা নগরীকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। রাবণের অনুজ বিভীষণ শত্রুসেনাদের সাথে যোগ দিয়ে রাবণের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। চারিদিকে অবিশ্বাস, প্রতারণা ও বিপর্যয়ের হাতছানি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বীর পুত্রদের মৃত্যুর খবর আসে তাঁর কানে । বিষন্ন ও দ্রোহক্ষুব্ধ রাবণ শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য যুদ্ধসাজ নিয়ে রণক্ষেত্রে অগ্রসর হয়। দেশের জন্য এ সংগ্রাম প্রকৃত বীরত্বের মহিমায় উজ্জ্বল।উদ্দীপকের রাবণ চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বিশ্লেষণ করো।
- জবেদা খাতুনের খুব কাছের লোক ছিল মোখলেছার রহমান। জবেদা খাতুন বিশ্বাস করে তার জমিজমা দেখাশোনার ভার দেন মোখলেছার রহমানকে। কিন্তু একদিন জবেদা খাতুন দেখেন তার সম্পত্তি মোখলেছার রহমানের নামে হয়ে আছে। তিনি ভাবলেন-এতদিন ভুল মানুষকে বিশ্বাস করেছেন। বিশ্বাস করা ভালো কিন্তু অন্ধবিশ্বাস কখনো কখনো মানুষকে পথে বসিয়ে দেয়।'বিশ্বাস করা ভালো কিন্তু অন্ধবিশ্বাস মানুষকে কখনো কখনো পথে বসিয়ে দেয়'- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- সিরাজউদ্দৌলা ও তার স্ত্রীর মাঝে কীসের দেয়াল?
- সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে কালী দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ায় শোকার্ত অপর্ণা রাজার কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারিণীর দুঃখ রাজাকে মর্মাহত করে। তিনি রাজ্যে পশুবলি বন্ধ করে দেন। কিন্তু রাজার এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজপুরোহিত রঘুপতি। পৌরহিত্যের দাম্ভিকতা নিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন তিনি। রাজার অনুজ নক্ষত্ররায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান। রাজা হবার স্বপ্নে বিভোর নক্ষত্ররায়ও রক্তসম্পর্ক ভ্রাতৃপ্রেম ভুলে গিয়ে রাজাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে।উদ্দীপকের রঘুপতির সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজদের সাদৃশ্য দেখাও।
- সিরাজউদ্দৌলা' চলচ্চিত্রে সিরাজউদ্দৌলার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন কে
- স্বাধীনতা স্পর্শমণি সবাই ভালোবাসে,সুখের আলো জ্বালে বুকে দুঃখের ছায়া নাশে।স্বাধীনতা সোনার কাঠি খোদার স???ধা-দান,স্পর্শে তাহার নেচে উঠে শূন্য দেহে প্রাণ।মনুষ্যত্বের বান ডেকে যায় পশুর হৃদয় তলে,বুক ফুলিয়ে দাঁড়ায় ভীরু স্বাধীনতার বলে।দর্প করে পদানত উচ্চ করে শির,শক্তিহীনেও স্বাধীনতা আখ্যাদানে বীর।উদ্দীপকের স্বাধীনতার আস্বাদন 'সিরাজউদ্দৌলা" নাটকে কীভাবে দেখানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ‘নেমেসিস’ নাটকে নূরুল মোমেন কোন বিষয়কে তুলে ধরেছেন?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' - নাটকে প্রধান গুপ্তচরের নাম কি?
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর কে?
- জহিরউদ্দীন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে হুমায়ূন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তাঁর বয়স অল্প। সিংহাসনে বসার সাথে সাথেই চারদিকে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। আপন আত্মীয়স্বজন তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এমনকি আপন ভাইয়েরাও তাঁকে সহযোগিতা করেনি। তারপরেও বাবরের বড়ো ছেলে হিসেবে তিনি শক্ত হাতে শাসনকার্য চালিয়ে যান এবং মুঘল সাম্রাজ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।'উদ্দীপকের হুমায়ূনের সিংহাসনে আরোহণ আর নবাব সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে আরোহণ অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ।'- আলোচনা করো।
- 'আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু।'- উক্তিটি কার?
- কোলকাতা থেকে তাড়া খেয়ে ড্রেক দলবলসহ কোন জাহাজে আশ্রয় গ্রহণ করে?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- “আজ নবাবকে ডোবাচ্ছেন, কাল আমাদের পথে বসাবেন নাতা কি বিশ্বাস করা যায়?”- ক্লাইভের এ উক্তিতে প্রকাশপেয়েছে মীরজাফর ও তার সঙ্গীদের প্রতি—
- সিরাজ তাঁর চারপাশে 'দেয়াল' বলেছেন কোনটিকে?
- ধনকুবের উত্তম দেবনাথ তার চাচাতো ভাইয়ের ষড়যন্ত্রে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন। সরল মনের মানুষ উত্তম দেবনাথ তাঁর ভাইকে বিশ্বাস করে ঠকেছেন। তিনি পুলিশের ভয়ে চোরের মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁর স্ত্রী মাধবী ছোটো সন্তান নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঘোরেন। তার স্বামীর যখন এ দুরবস্থা, তখন তার কীসের অহংকার, কীসের কষ্ট।উদ্দীপকের মাধবী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের লুৎফা কোন দিক দিয়ে অভিন্ন? ব্যাখ্যা করো।বিশ্লেষণ করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ধনকুবের কে?
- "আপনার দুঃসাহসের সীমা নেই। আমার প্রাসাদে কার অনুমতিতে আপনি প্রবেশ করেছেন?" ব্যাখ্যা কর।
- 'তুমি কম সাপিনী নও' — ঘসেটি বেগমের এই উক্তিতেপ্রকাশ পেয়েছে-
- পাকিস্তানি মিলিটারিরা একটি স্কুল ঘরে ক্যাম্প করেছিল। তাদের সাথে কিছু রাজাকারও ছিল। মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার জাভেদের যুদ্ধের নৈপুণ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে থাকা রাজাকারদের পরামর্শে তারা আত্মসমর্পণ করে প্রাণ রক্ষা করল।'নবাব সিরাজউদ্দৌলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা, জুগিয়েছে।'- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্য অবলম্বনে আলোচনা করো।
- মীর জাফরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-ক্ষমতালোভী, পরশ্রীকাতরকূটকৌশলী, ব্যক্তিত্বশালী সুযোগসন্ধানী, ষড়যন্ত্রকারীনিচের কোনটি সঠিক?
- কাদায় আটকে পড়ে আর্তনাদরত এক ২ সিংহের প্রতি সদয় হয়ে তাকে উদ্ধার করে একজন পথচারী। কিন্তু পরক্ষণে সে পথচারীকে সিংহটি খেতে চায়।উদ্দীপকের সিংহ এবং 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মোহাম্মদি বেগ কোন অর্থে অভিন্ন?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম সংলাপটি কার?
- সিরাজউদ্দৌলাকে কে হত্যা করেন?
- 'আমি দওলতের পূজারি।'- উক্তিটি কার?
- নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চতুর ও উচ্চাভিলাষী চন্দ্রগুপ্ত গ্রিক শিবিরে আলেকজান্ডারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নন্দবংশের উৎখাতের জন্য তার সাহায্য কামনা করে। আলেকজান্ডার চন্দ্রগুপ্তের ধৃষ্টতায় রুষ্ট হয়ে তার প্রাণদণ্ড দিলেও সে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে। পরে বিচক্ষণ কূটনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদ চাণক্যের পরামর্শে নন্দবংশ ধ্বংসপূর্বক সিংহাসনে আরোহণ করে চন্দ্রগুপ্ত।উদ্দীপকের চন্দ্রগুপ্তের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফরের সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- "ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।" ব্যাখ্যা করো।
- কাদায় আটকে পড়ে আর্তনাদরত এক সিংহের প্রতি সদয় হয়ে তাকে উদ্ধার করে একজন পথচারী। কিন্তু পরক্ষণে সে পথচারীকে সিংহটি খেতে চায়। উদ্দীপকের পথচারীর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল আছে?
- নকল দলিল দেখিয়ে কাকে ঠকানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল?
- ইতিহাস বলে সম্রাট বাবরের মৃত্যুর পর তার জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ুন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তার বয়স মাত্র বাইশ বছর। একদিকে অল্প বয়সে শাসনকার্যের গুরুদায়িত্ব, অন্যদিকে সিংহাসনে বসার পর থেকেই চলে নানামুখী ষড়যন্ত্র। এ রকম প্রতিকল পরিস্থিতিতেও যুবক শাসক হুমায়ুন ঠিকভাবে হাল ধরে অত্যন্ত সাহসিকতায় শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুনের ভাইয়েরা এবং আত্মীয়-স্বজনেরা যদিও সহযোগিতার পরিবর্তে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল, তথাপি দুর্দান্ত প্রতাপে শক্ত হাতে সবকিছুর মোকাবেলা করেন তিনি।উদ্দীপকের হুমায়ুনের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে এবং কীভাবে? আলোচনা করো।