সিরাজউদ্দৌলা নাটকে দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের স্থান কোনটি?
A. ঘসেটি বেগমের বাড়ি
B. নবাবের দরবার
C. মীর জফরের আবাস
D. লুৎফুন্নিসার কক্ষ
সঠিক উত্তরঃ
B.
নবাবের দরবার
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- দারিদ্রতা ও দুর্নীতিমুক্ত সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ চাই।
- ‘আমি এ কথা, এ ব্যথা, সুখব্যাকুলতা কাহার চরণতলে দিব নিছনি’– রবীন্দ্রনাথের এ গানে ‘নিছনি’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারলাভ করেন?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কবির কবিতা সম্পর্কে ‘চিত্ররূপময়’ কথাটি ব্যবহার করেছেন?
- 'অপরিচিতা' গল্পের শীর্ষ-মুহূর্ত (গ্রন্থিবন্ধন) কোনটি?
- প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম কী?
- 'প্রমাণ হইয়া গেছে, আমি কেহই নই।'- ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নষ্টনীড়’ গল্পের একটি বিখ্যাত চরিত্র-
- আদিব ও শাফিক দুই বন্ধু। আদিব অহংকারী, নির্জীব,পৌরুষশূন্য। অন্যদিকে শাফিক উচ্ছল, রসিক। শাফিকযেকোনো পরিবেশে দ্রুত নিজেকে মানিয়ে নেয়। সে হয়েওঠে আলোচনার মধ্যমণি। কোন কারণে উদ্দীপকের আদিব ও 'অপরিচিতা' গল্পেঅনুপম সাদৃশ্যপূর্ণ?অহমিকায়নিস্পৃহতায়মেরুদণ্ডহীনতায়নিচের কোনটি সঠিক?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থী শ্রীযুক্তা। পড়ালেখা শেষ করতেই ২৭. বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসা এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। শ্রীযুক্তা আইন ও সালিশ কেন্দ্রে সমাজের অধিকারবঞ্চিত নারীদের আইনি সহায়তা দিচ্ছে। হঠাৎ একদিন শ্রীযুক্তার কাকা বিয়ের সম্বন্ধের কথা বললেন। তিনি বিনয়ের সাথে কাকাকে বললেন, 'নারীর কল্যাণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।'"উদ্দীপকে শ্রীযুক্তার বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের জাগরণ 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর শুচিশুভ্র আত্মপ্রকাশ।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'এই তো আমি জায়গা পাইয়াছি।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'একে তো বরের হাট মহার্ঘ, তাহার পরে ধনুক-ভাঙা পণ'- এই কথার অর্থ বুঝিয়ে দাও।
- লিটন শীল আর চন্দনা একে অপরের ভালো বন্ধু। ছাত্রজীবন থেকে তাদের মাঝে বেশ সখ্য আর জানা-শোনা। উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। চন্দনা এম.এ পাশ করে স্বল্প বেতনের একটা চাকরি করে। স্বল্প বেতনের জন্য মা-বাবাকে সাথে নিয়ে শরহতলিতে একটা পুরোনো ভাড়া বাসায় বাস করে। তার যাপিত জীবন আভিজাত্যের নয় নিম্নমধ্যবিত্তের। লিটন শীল সরকারি চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাবা বিক্রম শীলের কাছে চন্দনকে বিয়ে করার কথা জানালে বাবা বিক্রম শীল মেয়েকে এবং মেয়ের 'পরিবারকে দেখতে চান। মেয়ের পারিবারিক অবস্থা দেখে ফিরে এসে বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলেন, "মেয়ে দেখতে সুন্দর তবে এ বিয়ে হবে না।" বাবার এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনি লিটন শীল। কারণ বাল্যকাল থেকেই সে তার বাবার কথার অবাধ্য হয়নি কখনো।"উদ্দীপকের বিক্রম শীল এবং 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার মতো মানুষের হীনমানসিকতার কারণেই তৎকালীন সমাজে যৌতুক প্রথা মারাত্মক রূপ ধারণ করেছিল।"- আলোচনা করো।
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিস্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয়ে মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।'উদ্দীপকে বর্ণিত মাতৃস্নেহের আধিক্যে অনুপম চরিত্রের- বিকাশ ব্যাহত হয়েছে ঠিকই কিন্তু গল্পের পরিণতিতে বৃত্তভাঙা ভিন্ন এক ব্যক্তি হিসেবে তাকে পাওয়া যায়।'- মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ যাচাই করো।
- 'মামা বিবাহ-বাড়িতে ঢুকিয়া খুশি হইলেন না।'-কেন?
- 'ঐহিক' শব্দের বিপরতি শব্দ হলো:
- 'অপরিচিতা' গল্পে আসর জমাতে অদ্বিতীয় কে?
- 'ঘরেতে এলো না সে তো, মনে তার নিত্য আসা যাওয়া'- 'পরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।' উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোন গদ্যের সাদৃশ্য রয়েছে?
- নিবেদিতা তার স্বামী প্লাবনসহ বইয়ের দোকানে এসে অবাক হলেন। ফোনে নিবেদিতা বই বিক্রেতাকে বইয়ের নাম, সংখ্যা, প্রকাশনী, কমিশন এবং সরবরাহের তারিখ প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত সব বলে দিয়েছিলেন। কিন্তু দোকানদার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বই সরবরাহের ন্যূনতম প্রস্তুতিও নেননি। একপর্যায়ে দোকানদার প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করলে নিবেদিতা মোবাইল থেকে প্রমাণ উপস্থাপন করলেন। প্লাবনের অনুরোধে নিবেদিতা দোকানদারের সাথে আর তর্কে জড়ালেন না। "উদ্দীপকের 'অপরিচিতা' গল্পের মূলভাবকে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।"- মন্তব্যটির পক্ষে তোমার যুক্তি তুলে ধরো।
- 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর বিয়ে না করার কারণ কী ছিল ?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থী শ্রীযুক্তা। পড়ালেখা শেষ করতেই ২৭. বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসা এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। শ্রীযুক্তা আইন ও সালিশ কেন্দ্রে সমাজের অধিকারবঞ্চিত নারীদের আইনি সহায়তা দিচ্ছে। হঠাৎ একদিন শ্রীযুক্তার কাকা বিয়ের সম্বন্ধের কথা বললেন। তিনি বিনয়ের সাথে কাকাকে বললেন, 'নারীর কল্যাণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।'উদ্দীপকের শ্রীযুক্তার সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়?
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শ্রী গীতা রাণী সরকার। লেখাপড়া শেষ করতেই ২৭ বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসে এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। গীতা রাণী লেখাপড়া শেষে একটি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। সমাজের অবহেলিত, পশ্চাৎপদ নারীদের গভীর মনোযোগ সহকারে শিক্ষাদান করেন। হঠাৎ প্রতিবেশী কালীচরণ রায় একটি সম্বন্ধ নিয়ে আসে। গীতা তাকে বিনয়ের সঙ্গে জানান- তিনি এখন আর বিয়ে করতে পারবেন না। কারণ, সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের শিক্ষার গুরুদায়িত্ব তিনি নিয়েছেন।উদ্দীপকের গীতা রাণীর বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের জাগরণ 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর ব??দ্ধিদীপ্ততার আত্মপ্রকাশ- তুমি কি এ মত সমর্থন করো? যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দাও।
- মুক্তিযুদ্ধের বিষয় আছে যে কবিতায়-
- কোন ঘটনাকে 'অপরিচিতা' গল্পের শীর্ষমুহূর্ত বলা যায়?
- সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত পরপারের গ্রামের অবস্থা কেমন ছিল?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তী' গল্পে যৌতুকের বলি হৈমন্তী। মানসিক নির্যাতনের জর্জরিত হয়ে সে পিতা গৌরীশংকর বাবুকে খবর পাঠায় স্বামীগৃহ হতে তাকে পিত্রালয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। গৌরীশংকর বাবু মেয়ের র বাড়িতে এসে মেয়ের কষ্ট বুঝতে পারেন। কিন্তু ধনী বেয়াই- এর বিরুদ্ধে প্রতিকার করতে না পেরে নীরবে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বিদায় নেন। আর চরম পরিণতির দিকে এগিয়ে যায় হৈমন্তী।'উদ্দীপকের গৌরীশংকর বাবুর ভূমিকা যদি শম্ভুনাথ বাবুর মতো হতো, তাহলে হয়তো হৈমন্তীকে অকালে চলে যেতে হতো না।'-উক্তিটির পক্ষে যুক্তি দাও।
- অপাদমস্তক স্বার্থন্ধ মানুষ সমীরণ বাবু। নিজের স্বার্থ আদায়ে তিনি সিদ্ধহস্ত। একমাত্র ছেলের বিয়েতে তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি তার শিক্ষিত ও যোগ্য ছেলের বিয়েতে কন্যাপক্ষের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের যৌতুক চান। সবকিছুই ঠিক ছিল- সুন্দরী কনে, কনের গহনা, পণের টাকা, নিমন্ত্রণ করা। কিন্তু গোল বাধল বিয়ের সভাতে। অর্থলোভী সমীরণ বাবু যৌতুক নিয়ে বাড়াবাড়ি এবং আপত্তিকর কিছু আচরণ করে বিয়ে ভেঙে দিতে চায়। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে তাঁর আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলে টিটন বেঁকে বসে। আজন্ম বাধ্যগত ছেলে টিটন তখন বাবার হীনমানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বলে, সে কেনাবেচা করতে আসেনি; কাউকে অপমান করতেও আসেনি; একজনকে জীবনসঙ্গী করতে এসেছে। তাই বিয়ে করে তাকে নিয়েই বাড়ি ফিরবে।উদ্দীপকের সমীরণ বাবুর সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান___' এ পঙক্তির শূন্যস্থানে বসবে যে শব্দ:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ছন্দের নাম কী?
- 'অপরিচিতা' গল্পে উল্লিখিত 'ফল্গু' নদীর বৈশিষ্ট্য কী?
- ’অতিকায় হন্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে। কার উক্তি?
- তিনি কোনোমতেই কারো কাছে ঠকিবেন না- তিনি বলতে অপরিচিতা গল্প?? কাকে বোঝানো হয়েছে?
- "কালে ইহাদের বংশে লক্ষ্মীর মঙ্গলঘট ভরা ছিল।" কার বংশের ঐতিহ্য বোঝাতে লেখক এ উক্তিটি ব্যবহার করেছেন
- ’যত চাও তত লও’ কোন পদের দৃষ্টান্ত?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথের সৃষ্ট চরিত্র?
- শ, ষ, স এ তিনটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি কী?
- ’ধোপদুরস্ত’ বাগ্ধারাটি কী বোঝায়?
- "ধলেশ্বরী নদীর তীরে পিসিদের গ্রামতাঁর দেওরের মেয়ে অভাগার সাথে তার বিবাহ ছিল ঠিকঠাকলগ্ন শুভ, নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গেল-সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে।মেয়েটা তো রক্ষা পেলআমি তথৈবচঘরেতে এলো না সে তো, মনে তার নিত্য আসা যাওয়াপরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।'সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে'- এ চরণের আলোকে বুঝিয়ে লেখো যে, উদ্দীপকের নায়কের মতো অনুপমের বিরহের জন্য নিজের অক্ষমতাই দায়ী।