'তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় কবির অনুভূতির সাথে কোনটি তুলনীয়?
A. প্রকৃতির সৌন্দর্য
B. শীতের রিক্ততা
C. প্রকৃতির বিরূপতা
D. বসন্তের আমেজ
সঠিক উত্তরঃ
B.
শীতের রিক্ততা
Explanation:
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার রচিয়তা কবি সুফিয়া কামাল। এ কবিতাটি ১৯৩৫ সালে মাসিক মােহাম্মদী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- কবি সুফিয়া কামাল কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- "তাহারেই পড়ে মনে" কবিতায় কবি কাকে ভুলতে পারেন না ?
- 'তাহারেই মনে পড়ে' কবিতাটির লেখক-
- 'পুষ্পশূন্য দিগন্তে??? পথে'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় দু'ধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা- তোমার মন ভালো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই বন্ধু। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'উদ্দীপকের বাতেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? উভয়ের ভূমিকার তুলনা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির উদাসীনতার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- কলেজ থেকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার গেল গালিবসহ তার বন্ধুরা। সাগরের পানিতে নেমেছে সবাই, খুবখুব হৈচৈ আর লাফালাফি করে গোসল করছে তারা। হিমছড়ি পাহাড়ে উঠে আনন্দে আত্মহারা সবাই। কিন্তু গালিব এক কোণে বসে আছে, তার মনে কোনো-আনন্দ নেই, কারণ পাঁচ বছর আগে সে তার বাবার সাথে এখানে এসেছিল, অনেক আনন্দ করেছিল সবাই মিলে। এখন তার বাবা নেই, কিন্তু বাবার রেখে যাওয়া সেই স্মৃতি তাকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে সমস্ত আনন্দই তার কাছে ম্লান হয়ে আসে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও গালিব ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-/দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?" এখানে কবির কোন অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে?
- 'পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে' — এর প্রতীকী তাৎপর্যকোনটি?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি কোন ফুল ফোটার কথা জানতে চেয়েছেন?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বসন্ত কাকে স্মরণ করে এসেছে?
- 'যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- বিশ্ব প্রকৃতিতে বসন্তের আগমনে কবি এত উদাসীন কেন? বুঝিয়ে দাও।
- 'দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?'- উক্তিটি কার?
- ‘হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে,রাঙিয়া উঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'অনুচ্ছেদটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনসুর ধ্বনিত হয়েছে?
- "বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লিমায়ের কোল,ঝাউশাখে সেথা বনলতা বাঁধি, হরষে খেয়েছি দোল,কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া কাঁচাপাকা কুল খেয়ে,অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছি গাঁয়ের দুলালি মেয়ে।উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' 'কবিতার ভাববস্তুর বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- এ আমার ছোটো ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরোর মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরেবছর তিনেক আগে কাক ডাকা গ্রীষ্মের দুপুরে।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে বিশ্লেষণ কর।
- বসন্তের প্রতি কবি বিমুখ কেন?
- মাঘের সন্ন্যাসী' দিগন্তের কেমন পথে চলে গেছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার আগমনী গানের কথা বলা হয়েছে?
- 'বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল'- কবিতাংশে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- মনে পড়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি,লাখো বাঙালির কাতর চিত্তে করুণ আহাজারি,একুশ তুমি বাংলার মানুষের হৃদয়ভরা আশা,তোমার কারণে পেয়েছি আজ কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা,রক্ত ঝরাল, সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বার,বায়ান্নর সেই করুণ কাহিনি মনে পড়ে বরাবর,স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে সে বিষণ্ণ দিনের কথা,যত ভাবি ততই যেন মনে পাই বড়ো ব্যথা।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মর্মবাণীকে পুরোপুরি ধারণ না করলেও আত্মত্যাগ ও অধিকার আদায়ের কথাই বলে।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে আছে তাহার জন্য। উদ্দীপকের 'তার' শব্দটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিষয়কে স্মরণ করায়?
- সে বসন্ত একদিন করেছিল শত কোলাহল- সে আজ নিঃশব্দে আসে আমার নির্জনে' - উদ্দীপকের ভাবানুষজ্ঞ 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন চরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- 'কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী।'- পঙক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- ’জননী সাহসিকা’ কাকে বলা হয়-
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার গুরুত্বপূর্ণ দিক কোনটি?
- ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি সাজ সাজ রবে মেতে উঠলেও ডা. ইমরান তার পেশায় ব্যস্ত থাকায় কিছুই অনুভব করেননি। ডা. ইমরানের মধ্যে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কোন দিকটির দৃশ্যমান?
- নিচের কোনটি সুফিয়া কামালের গ্রন্থ নয়?
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।"উদ্দীপক এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবিদ্বয়ের মধ্যে ঋতুর দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য রয়েছে।"- এ উক্তির সঙ্গে তুমি কি একমত? তোমার মন্ত্রের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটির লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্যহলো-অন্ত্যমিল প্রবণতা সংলাপধর্মিতা নাটকীয়তানিচের কোনটি সঠিক?
- চারদিকে ভীষণ কুয়াশা। অমিতের 'আজ লেখার ইচ্ছে নেই।কবিতার উক্ত দিকটির আলোকে বলা যায়- মানবমন প্রকৃতির সাথে সম্পর্কিতপ্রকৃতি মানবমনে প্রভাব ফেলেপ্রকৃতি ছাড়া সাহিত্য সাধনা অসম্ভবনিচের কোনটি সঠিক?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি তার সাথেঅভিযান করেছেন?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কে গন্ধে অধীরআকুল হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছে?
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।উদ্দীপকে বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্রের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'কী' বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে কোন বাক্যে?
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার প্রধান গুণ কী?
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় প্রকৃতিতে কোন ঋতুর আগমনের কথা বলা হয়েছে?