কৃষ্ণবিবরের এরূপ নামকরণের কারণ কী?
RUUnit-CSet-2পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রআধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনাকৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
এর মহাকর্ষ এত বেশি যে এটা থেকে আলাে বিকিরিত বা প্রতিফলিত হতে পারে না
Explanation:
কৃষ্ণগহ্বর শব্দের অর্থ কালো গর্ত। একে এই নামকরণ করার পেছনে কারণ হল এটি এর নিজের দিকে আসা সকল আলোক রশ্মিকে শুষে নেয়। কৃষ্ণগহ্বর থেকে কোন আলোক বিন্দুই ফিরে আসতে পারে না ঠিক থার্মোডায়নামিক্সের কৃষ্ণ বস্তুর মতো।
Another Explanation (5):
কৃষ্ণবিবর: নামকরণের কারণ 🌌
কৃষ্ণবিবর নামকরণের প্রধান কারণ হলো এর অভূতপূর্ব মহাকর্ষীয় ক্ষমতা। নিচে এর কয়েকটি দিক আলোচনা করা হলো:
আলোরescape escape-এর অভাব 💡
- কৃষ্ণবিবরের মহাকর্ষ এতটাই শক্তিশালী যে এর থেকে কোনো কিছুই পালাতে পারে না, এমনকি আলোও নয়। 🤔
- আলোকরশ্মি এর দিকে আকৃষ্ট হয়ে ভেতরে প্রবেশ করে এবং চিরতরে হারিয়ে যায়। 🚫
- এই কারণে এটি সম্পূর্ণরূপে কৃষ্ণ বা অন্ধকার দেখায়। 🌑
পর্যবেক্ষণের অভাব 🔭
- যেহেতু কৃষ্ণবিবর থেকে আলো বা অন্য কোনো প্রকার বিকিরণ নির্গত হয় না, তাই একে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যায় না। 🤷♀️
- বিজ্ঞানীরা এর অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পারেন এর আশেপাশের বস্তুর উপর মহাকর্ষীয় প্রভাব দেখে। 🌠
- উদাহরণস্বরূপ, কোনো নক্ষত্রের গতিপথ যদি অস্বাভাবিক হয়, তবে সেখানে কৃষ্ণবিবর থাকার সম্ভাবনা থাকে। 💫
নামকরণের তাৎপর্য 🏷️
কৃষ্ণবিবরের বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে এর নামকরণ করা হয়েছে। 'কৃষ্ণ' শব্দটি অন্ধকারের প্রতীক এবং 'বিবর' শব্দটি গর্ত বা ফাঁপা স্থান নির্দেশ করে। অর্থাৎ, এটি এমন একটি স্থান যেখানে সবকিছু হারিয়ে যায়। 🕳️
সংক্ষেপে 📊
| বৈশিষ্ট্য | কারণ |
|---|---|
| আলোর নির্গমন নেই | অত্যধিক মহাকর্ষীয় টান 🧲 |
| প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ অসম্ভব | আলো প্রতিফলিত বা বিকিরিত হয় না 🕶️ |
| নামকরণের সার্থকতা | অন্ধকার গহ্বর যেখানে সবকিছু বিলীন হয়ে যায় 🗑️ |
অতএব, কৃষ্ণবিবরের নামকরণ এর বৈশিষ্ট্য ও কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। এটি মহাবিশ্বের একটি রহস্যময় বস্তু। ❓
আরও জানতে:
কৃষ্ণবিবর - উইকিপিডিয়া