মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

ফটো ইলেক্ট্রিক ক্রিয়ার লেখচিত্রের ঢালকে কি বলে?

A.

নিবৃত্তি বিভব 

B.

কার্যাপেক্ষক

C.

প্লাঙ্কের ধ্রুবক 

D.

তরঙ্গদৈর্ঘ্য

Poster Download
পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রআধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনাআলোক তড়িৎক্রিয়া (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C.

প্লাঙ্কের ধ্রুবক 

Explanation:

Another Explanation (5): ```html

ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়ার লেখচিত্রের ঢাল: প্লাঙ্কের ধ্রুবক ⚛️

ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম ঘটনা। এই ক্রিয়ায়, কোনো ধাতব পৃষ্ঠের উপর আলো আপতিত হলে, ধাতু থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই নির্গত ইলেকট্রনগুলোকে ফোটোইলেকট্রন বলা হয়। এই ঘটনাটিকে ব্যাখ্যা করার জন্য আইনস্টাইন প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করেন।

ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়ার মূল বিষয়সমূহ 💡

  • আলোর কণা ধর্ম: আলো ফোটন নামক ছোট ছোট কণিকা দ্বারা গঠিত।
  • কার্য অপেক্ষক (Work Function): কোনো ধাতু থেকে একটি ইলেকট্রন নির্গত করতে প্রয়োজনীয় ন্যূনতম শক্তি। (Φ)
  • আইনস্টাইনের সমীকরণ: E = hν = Φ + KEmax, যেখানে:
    • E = ফোটনের শক্তি
    • h = প্লাঙ্কের ধ্রুবক (Planck's constant)
    • ν = আলোর কম্পাঙ্ক (frequency)
    • KEmax = নির্গত ইলেকট্রনের সর্বোচ্চ গতিশক্তি

লেখচিত্রের ব্যাখ্যা 📈

ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়ার ক্ষেত্রে, যদি আপতিত আলোর কম্পাঙ্ক (ν) এবং নির্গত ইলেকট্রনের সর্বোচ্চ গতিশক্তির (KEmax) মধ্যে একটি লেখচিত্র অঙ্কন করা হয়, তবে তা একটি সরলরেখা হবে।

এই সরলরেখার সমীকরণ হবে: KEmax = hν - Φ

এই সমীকরণটিকে y = mx + c এর সাথে তুলনা করলে দেখা যায়:

  • y = KEmax
  • x = ν
  • m = h (ঢাল)
  • c = -Φ (y-অক্ষ বরাবর ছেদ)

সুতরাং, লেখচিত্রের ঢাল (m) হলো প্লাঙ্কের ধ্রুবক (h)।

প্লাঙ্কের ধ্রুবক (Planck's Constant) ℏ

প্লাঙ্কের ধ্রুবক একটি মৌলিক ভৌত ধ্রুবক। এর মান প্রায় 6.626 x 10-34 জুল-সেকেন্ড (J⋅s)। এই ধ্রুবক কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়ার লেখচিত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ 📊

বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা
ঢাল (Slope) প্লাঙ্কের ধ্রুবকের সমান (h) ➡️
y-অক্ষের ছেদ (Y-intercept) -Φ (কার্য অপেক্ষকের ঋণাত্মক মান) 📉
x-অক্ষের ছেদ (X-intercept) সূচন কম্পাঙ্ক (Threshold frequency) (ν0) ➡️ যে কম্পাঙ্কের নিচে কোনো ইলেকট্রন নির্গত হয় না।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🔑

  • আলোর তীব্রতা (Intensity) বাড়ালে নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যা বাড়ে, কিন্তু ইলেকট্রনের গতিশক্তি বাড়ে না। 💡
  • আলোর কম্পাঙ্ক (Frequency) বাড়ালে নির্গত ইলেকট্রনের গতিশক্তি বাড়ে। ⚡

আশা করি, ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়ার লেখচিত্র এবং এর ঢাল সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 👍

```