নিচের কোন ব্যক্তি ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না?
A. কাজী আব্দুল ওদুদ
B. এস ওয়াজেদ আলি
C. আবুল ফজল
D. আবদুল কাদির
সঠিক উত্তরঃ
B.
এস ওয়াজেদ আলি
Explanation: বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কারবিরোধী একটি প্রগতিশীল আন্দোলন। ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল হুসেনের নেতৃত্বে ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সমাজ তাদের মুখপত্র হিসেবে ‘শিখা’ নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করত, যার প্রতিটি সংখ্যায় লেখা থাকত ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন গঠিত হয় কয়েকজন আলোকিত মানুষের উদ্যোগে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন আবুল হুসেন, কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল ফজল, কাজী আবদুল ওদুদ, আবদুল কাদির প্রমুখ।
Related Questions (Any University/Year)
- ’অর্ধাঙ্গী’ রচনায় উল্লেখিত ভগিনীদের রোগের নাম-
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে ভুলের মধ্য দিয়ে কীভাবে সত্যকে পাওয়া যায়?
- 'বৃক্ষের পানে তাকিয়ে আমরা লাভবান হতে পারি'—কীভাবে?
- আমার দেশের মতন এমন দেশ কি কোথাও আছেবউ কথা কও পাখি ডাকে নিত্য হিজল গাছে।দোয়ের কোয়েল কুটুম পাখি, বন-বাদাড়ে যায়রে ডাকিআছে শাপলা শালুক ঝিলে বিলে, পুকুর ভরা মাছে।হাজার তারার মানিক জ্বলে হেথায় মাটির ঘরেসবার মুখের মিষ্টি কথায় সবার হৃদয় ভরে রে।উদ্দীপকটির সাথে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতা কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ বর্ণনা করো।
- ‘পদ্মা নদীর মাঝি' কোন ধরনের উপন্যাস?
- ‘এতদিন পরে এলে’- ‘কবর’ কবিতায় এ কথা দাদি কিভাবে বলতেন?
- “সাত-ভায়া” গ্রামের উল্লেখ আছে কোন রচনায়?
- ‘বিড়াল’ কোন ধরনের রচনা?
- সব সাধকের বড় সাধক আমার দেশের চাষাদেশ মাতারই মুক্তিকামী দেশের সে যে আশা।উদ্দীপকের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোনউক্তিটি সাদৃশ্যপূর্ণ?
- মুসলমান, খ্রিষ্টান ও ইহুদি সকলের জন্য পুণ্যস্থান কী?
- 'সমস্ত দোষ হৈমর'-এখানে হৈমর দোষ কী?
- পানি পথের কততম যু্দ্ধ নিয়ে রক্তাক্ত প্রান্তর রচিত?
- "যখন বিচারে পরাস্ত হইবে তখন গম্ভীরভাবে উপদেশ প্রদান করিবে।"- ব্যাখ্যা কর।
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার মূলউপজীব্য বিষয় বাংলার-
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।উদ্দীপকের ডাক্তার মনিরুলের চেতনার সাথে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- সকল লোকের মাঝে ব'সেআমার নিজের মুদ্রাদোষেআমি একা হতেছি আলাদা। উদ্দীপকের মুদ্রাদোষ 'লোক-লোকান্তর' কবিতার কোনপঙক্তিকে ধারণ করে ?
- ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত জাদুঘরেনানা ধরনের মূল্যবান ভাস্কর্য ও শিলালিপি দেখে সিমি খুববিস্মিত হলো। রাতে সে বাংলার প্রাচীন ও মধ্যযুগেরস্থাপত্য শিল্পের ওপর একটি নিবন্ধ লিখে ফেলল ।সিমি আসলে কোন জাদুঘর দর্শনে গিয়েছিল?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় সন্ধ্যার বাতাসেকে উড়ে যায়?
- ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কবি নিজেরপরিচয় জ্ঞাপন করেছেন-
- পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত কবি জসীমউদ্দীন 'নক্সী কাথারমাঠ', 'রাখালী', 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' কাব্যে নিখুঁতভাবেউপস্থাপন করেছেন গ্রামের অবহেলিত মানুষের দৈনন্দিনজীবনচিত্র।উদ্দীপকে প্রকাশিত 'ঐকতান' কবিতার প্রত্যাশিত বৈশিষ্ট্যহলো-মৃত্তিকা সংলগ্নতাসর্বত্রগামী বৈচিত্র্যসাধারণের মনোযাতনা প্রকাশনিচের কোনটি সঠিক?
- 'ইহা আর একটি শক্তি।'- উক্তিতে কোন শক্তিরকথা বলা হয়েছে?
- ‘জীবন-বন্দনা' কবিতাটি কোন্ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী বৃক্ষের জীবনের কোন দুটিজিনিস উপলব্ধি করার পক্ষপাতী?
- গ্রন্থাগার জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডার। এটা জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্যও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক বলে মানুষের মনকে জাগিয়েতুলতে সাহায্য করে।উদ্দীপকটি 'জাদুঘরে কেন যাব' রচনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ,কারণ—
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় ধানেরগন্ধের মতো অস্ফুট কে?
- ‘বিশাল বিশ্বের আয়োজন; মন মোর জুড়ে থাকে অতি ক্ষুদ্র তারি এক কোণ।’ চরণটি কোন কবিতার?
- সক্রেটিস ছিলেন বিশ্বখ্যাত দার্শনিক। তাঁর প্রচারিত'নিজেকে জানো' বক্তব্যটি সারা বিশ্বে আলোড়ন তুলেছে।তাঁর আপন সত্তাকে চেনার দর্শন আজও অমলিন।ওপরের সাদৃশ্যজ্ঞাপক দিকটি নিচের যে চরণেরসাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তা হলো-এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির-কাবা নাইএই হৃদয়ই সে নীলাচল, কাশী, মথুরা, বৃন্দাবনত্যাজিল রাজ্য মানবের মহা-বেদনার ডাক শুনিনিচের কোনটি সঠিক?
- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কখন ও কীভাবে গড়ে ওঠে?
- ’হে আমি একা ফির্যা আইলাম গো মামা, সব কটারে গাঙের জলে ভাসাইয়া দিয়া আমি একা ফির্যা আইলাম । ‘ - এ কথা কে বলেছে?
- "একত্তে বরেণ্য তুমি /শরণ্য এককে/ আত্নার আত্মীয়" পরক্তিটি কোন কবিতার?
- বাবু মজুমদার এলাকার জনগণকে অনেক ভয়ভীতি দেখিয়েওজনসমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হয়েছেন; অথচ তার ছেলে স্বপনমজুমদার সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে, সম্পদে-বিপদেকাছাকাছি থেকে সকলের প্রিয় ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে।উদ্দীপকের বাবু মজুমদারের মনোভাব ‘সেই অস্ত্র'কবিতার কোন অনুষঙ্গের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'ঐকতান' কবিতায় 'চিত্রময়ী বর্ণনার বাণী' বলতেবোঝানো হয়েছে-
- 'হস্তপদ থাকা সত্ত্বে ও পুত্তিলিকা অচেতন পদার্থ'। বাক্যটি রচনা করেছেন -
- কমলাকান্ত কোন পরিচয়ে আদালতে এসেছেন ?
- চৌচালা চিনের ঘরের টুয়া সুস্পষ্ট। 'কলিমদ্দি দফাদার ' গল্পে ব্যবহৃত টুয়া হচ্ছে-
- মুজিব কাব্যের রচয়িতা কে?
- '... অনাহারে মরিয়া যাইবার জন্য এ পৃথিবীতে কেহ আইসে নাই'- উক্তিটি কার?
- 'ঐকতান' কবি??ায় কবি জ্ঞানের দীনতা পূরণ করেনকী দ্বারা?
- দরিদ্র বাবা-মা তাদের প্রথম সন্তানের নাম রাখেন সাজাহান। তাদের স্বপ্ন সাজাহান অনেক বড় হবে। কিন্তু আর্থিক অভাব ও শিক্ষা না থাকায় সাজাহান কিশোর বয়সেই কাজে নেমে পড়ে। পাশের গ্রামের কৃপণ ও ধনী আলম সাহেবের বাড়িতে সাজাহান কাজের লোক হিসেবে নিযুক্ত হয়। প্রতিদিন ঘরে ও বাইরে সমান পরিশ্রম করে সাজাহান। কিন্তু পরিশ্রম অনুযায়ী তাঁর ভাগ্যে খাবার জোটে না। একদিন বাজারের টাকা বাঁচিয়ে সাজাহান লাড্ডু কিনে খায়। কিন্তু টাকার হিসেব দিতে না পারায় আলম সাহেব তাকে নির্দয়ভাবে মারে। মনে ক্ষোভ নিয়েও সাজাহান সব সহ্য করে, কারণ সে জানে, সে গরীব-অসহায়।"উদ্দীপকটি 'বিড়াল' রচনার ভাবসত্যের যেন প্রতীকী রূপ।"- এ মত কতটা গ্রহণযোগ্য? মূল্যায়ন করো।
- আপেল রঙের মেয়ে-