‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটির রচয়িতা কে?
A. মুনীর চৌধুরী
B. হুমায়ূন আহমেদ
C. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
D. কল্যাণ মিত্র
সঠিক উত্তরঃ
A.
মুনীর চৌধুরী
Explanation: ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হচ্ছে- কবর, চিঠি, দণ্ডকারণ্য, পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে কাকে প্রাণিজগতে পিছিয়েপড়া প্রাণী বলা হয়েছে?
- আলাউদ্দিন হুসেন শাহ বাংলা সাহিত্যে কী কারণে খ্যাতিমা?? ?
- কবর কবিতায় কোন রস প্রাধান্য পেয়েছে?
- “মানুষ পণ করে পণ ভাঙিয়া ফেলিয়া হাঁফ ছাড়িবার জন্য” কার উক্তি?
- 'শিরে দিয়ে বাঁকা তাজঢেকে রাখে টাক- ব্যাখ্যা করো।
- ‘তাপসী’ নাটকটি কে রচনা করেছেন?
- ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কবি নিজেরপরিচয় জ্ঞাপন করেছেন-
- 'আমার পূর্ব বাংলা' কবিতায় নিকুঞ্জ এর তমাল কী দিয়ে ঘেরা?
- জাদুঘর একটি-
- আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘর কোথায় অবস্থিত?
- আব্দুল মিয়া একজন কুমোর। সাত পুরুষ ধরে তার পরিবারের সবাই এই পেশায় জড়িত। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় তার আর্থিক অবস্থা আর আগের মতো নেই। তবে সে ভেঙে পড়েনি। পরিবারের সকলের সহযোগিতা ও. কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে সে অনেকটা আত্মনির্ভরশীল। পাশাপাশি সে সাত পুরুষের পেশাও ছাড়েনি। সময় পেলেই সে মাটির শৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করে বিক্রি করে।উদ্দীপকের আব্দুল মিয়ার আত্মনির্ভরশীল হওয়ার কারণ হিসেবে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে যে বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তা আলোচনা করো।
- ’বনের ঘুঘুরা উহু উহু করি কেঁদে মরে রাতদিনপাতায় পাতায় কেঁপে উঠে যেন তারি বেদনার বীণ।’-যার কথা বলা হয়েছে সে বৃদ্ধের নাতির কী হয়?
- 'ঐকতান' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ নিজেকে কোথাকার কবি বলে উল্লেখ করেছেন ?
- গাহি সাম্যের গান -মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহ??? কিছু মহীয়াননাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্ম জাতি,সব দেশে, সব কালে, ঘরে ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।— কোথায় সকল রাজমুকুট লুটিয়ে পড়ে বলে কবিরবিশ্বাস?
- 'বিড়াল' প্রবন্ধে কার কথা ভারি সোশিয়ালিস্টিক?
- ‘বনি আদম’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- জহির রায়হানের জন্ম কোন জেলায়?
- গ্রন্থাগার জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডার। এটা জাতীয় ইতিহাস,ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক বলে মানুষের মনকেজাগিয়ে তুলতে সাহায্য করে। উদ্দীপকটি জাদুঘরে কেন যাব রচনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ,কারণ—
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের পটভূমি কী?
- বৃক্ষের অঙ্কুরিত হওয়া থেকে ফলবান হওয়া পর্যন্ত সেখানেকেবলই—
- ‘মহাকবি আলাওল’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- 'কবর' নাটকটি কোন পটভূমিতে রচিত?
- "পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল তার।" 'একুশের গল্প' এ কার অশ্রু কথা বলা হয়েছে?
- বহুদিন ধরে বহুক্রোশ দূরেবহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরেদেখিতে গিয়াছি পর্বতমালাদেখিতে গিয়াছি সিন্ধু।দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়াএকটি ধানের শীষের উপরএকটি শিশির বিন্দু।উদ্দীপকে এবং 'ঐকতান' কবিতার মূলভাবে আপাত বৈপরীত্য থাকলেও দুটোতেই দূর ও নিকটকে জানার আগ্রহ প্রাধান্য পেয়েছে- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- নয়নপুর গ্রামের ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকরা পূর্বে একবেলামাঠে কাজ করত, একবেলা রিকশা চালাত। এখন তারাএক বেলা অটোকিশা চালায়, আরেক বেলা চায়েরদোকানে আড্ডা দেয়। তাদের বাহ্যিক আচরণ দেখেউন্নত মনে হলেও গ্রামের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থাপূর্বের মতোই শোচনীয় রয়ে গেছে। গ্রাম্য মাতব্বরজব্বার মিয়া বিষয়টি সবাইকে বুঝালেন। উদ্দীপকের জব্বার মিয়া 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।"উদ্দীপকে বিধৃত 'কীত্তনখোলা' নাটকে নাট্যকারের যে কীর্তি তা-ই অন্বিষ্ট ছিল 'ঐকতান' কবিতার কবির।"- আলোচনা করো।
- ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- মুজিব কাব্যের রচয়িতা কে?
- ’যতো বড় ক্ষতি ততো বড় লাব- এই তো নিয়ম’ - এ কার সংলাপ?
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম প্রতিরক্ষা আবুল ফজল কোন যুগান্তকারী আন্দোলনের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন?
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- হে সুন্দরী বসুন্ধরে, তোমা পানে চেয়েকতবার প্রাণ, মোর উঠিয়াছে গেয়েপ্রকান্ড উল্লাস ভরে, ইচ্ছা করিয়াছেসবলে আঁকড়ি ধরি এ বক্ষের কাছেসমুদ্র মেখলা পরা তব কটিদেশ;প্রভাত রৌদ্রের মতো অনন্ত অশেষব্যপ্ত হয়ে দিকে দিকে অরণ্যে ভূধরেকম্পমান পল্লবের হিল্লোলের পরেকরি নৃত্য সারাবেলা;উদ্দীপকের বর্ণনার সাথে 'ঐকতান' কবিতার যে দিকের মিল দেখা যায় তা বিশ্লেষণ করো।
- ”সাম্যবাদী” কবিতায় মানবের "মহাবেদনার ডাক" দ্বারা প্রকাশ পেয়েছে-
- 'যৌবনের গান' -এ যাঁর উল্লেখ নেই
- 'কাদম্বিনী' অর্থ-
- 'অতএব পুরুষের ন্যায় আচরণ করাই বিধেয়'—বলতে বিড়ালের প্রতি কোন ধরনের আচরণের কথাবলা হয়েছে?
- কোন কোন নদী জলাঙ্গীরে অবিরল জল দেয়?
- মানুষ মানুষের জন্য/ জীবন জীবনের জন্যএকটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না/ ও বন্ধুমানুষ মানুষকে পণ্য করেমানুষ মানুষকে জীবিকা করেপুরোনো ইতিহাস ফিরে এলেলজ্জা কি তুমি পাবে না?"উদ্দীপকে 'সাম্যবাদী' কবিতার মূলসুর ধ্বনিত হলেও 'সাম্যবাদী' কবি কবিতা বৈচিত্র্যময় তথ্য উপমায় অধিকতর ব্যঞ্জনাসহ হয়েছে"- মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- 'ঐকতান' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?