রাদারফোর্ডের আলফা কণা পরীক্ষা থেকে কোনটির অস্তিত্ব পাওয়া যায়?
RUUnit-CSet-2পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরমাণুর মডেল ও নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানপরমাণুর আকার, শক্তি ও ব্যাসার্ধ (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
নিউক্লিয়াস
Explanation:

Another Explanation (5):
রাদারফোর্ডের আলফা কণা পরীক্ষা ⚛️
আর্নেস্ট রাদারফোর্ড এবং তার সহকর্মীরা (হ্যান্স গাইগার ও আর্নেস্ট মার্সডেন) ১৯১১ সালে এই বিখ্যাত পরীক্ষাটি করেন। এই পরীক্ষা থেকে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য 🎯
পরমাণুর অভ্যন্তরে ধনাত্মক চার্জ কীভাবে বণ্টিত আছে, তা জানা।
পরীক্ষার উপকরণ ⚙️
- আলফা কণা উৎস (যেমন: রেডিয়াম) ☢️
- সোনার পাত (খুব পাতলা) 🥇
- জিঙ্ক সালফাইড পর্দা (আলো সনাক্ত করার জন্য) 💡
- একটি সীসার বাক্স 📦
পরীক্ষার পদ্ধতি 🔬
- আলফা কণা উৎস থেকে নির্গত কণাগুলোকে সোনার পাতের উপর ফেলা হলো।
- সোনার পাতের চারদিকে জিঙ্ক সালফাইডের পর্দা রাখা হলো, যাতে আলফা কণাগুলো কোথায় আঘাত করছে, তা দেখা যায়।
পর্যবেক্ষণ 👀
- বেশিরভাগ আলফা কণা সোজা পথে সোনার পাত ভেদ করে চলে যায়। ➡️
- কিছু কণা সামান্য কোণে বেঁকে যায়। ↩️
- অত্যন্ত অল্প সংখ্যক কণা (প্রায় ২০,০০০ এ ১টি) যে পথে এসেছিল, প্রায় সেই পথেই ফিরে আসে। 🔙
সিদ্ধান্ত 🧠
রাদারফোর্ড এই পর্যবেক্ষণগুলো থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে উপনীত হন:
- পরমাণুর বেশিরভাগ স্থানই ফাঁকা। 🌌
- পরমাণুর ভেতরের ধনাত্মক চার্জ একটি ক্ষুদ্র জায়গায় কেন্দ্রীভূত থাকে। 📍
- এই ক্ষুদ্র স্থানটিকে "নিউক্লিয়াস" বলা হয়। ядра
ফলাফলস্বরূপ নিউক্লিয়াসের আবিষ্কার 🎉
রাদারফোর্ডের আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা থেকে নিউক্লিয়াসের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়। এই আবিষ্কার পরমাণু বিজ্ঞান এবং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করে।
ফলাফল টেবিল 📊
| পর্যবেক্ষণ | সিদ্ধান্ত |
|---|---|
| বেশিরভাগ কণা সোজা চলে যায় | পরমাণুর বেশিরভাগ স্থান ফাঁকা |
| কিছু কণা বেঁকে যায় | নিউক্লিয়াসে ধনাত্মক চার্জ আছে |
| অল্প সংখ্যক কণা ফিরে আসে | নিউক্লিয়াস খুব ছোট এবং ভারী |
আরও কিছু তথ্য ℹ️
রাদারফোর্ড তার মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেছিলেন, যেখানে সূর্য হলো নিউক্লিয়াস এবং গ্রহগুলো হলো ইলেকট্রন। ☀️
এই পরীক্ষাটি পরবর্তীতে নিলস বোরের পরমাণু মডেলের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ⚛️