'পাথর এবার হঠাৎ নড়ে'- চরণে উল্লেখিত ‘পাথর' হলো-
A. মজিদ
B. মাজার
C. সমাজ
D. খালেক
সঠিক উত্তরঃ
A.
মজিদ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- শিক্ষিত মানুষের সংস্কৃতিই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই সংস্কৃতি। তাই অশিক্ষিত দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। এই সংগঠনের নেতাগণ সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। তেমনি একজন নেতা শাহ্ কদম আলী। নিজের পানি পড়ায় বিশ্বাস নেই তার। তাই চিকিৎসার জন্য ভক্তদের টাকা নিয়ে সিঙ্গাপুর যান। তবে গ্রামবাসীর মহৌষধ হলো শাহ্ কদম আলীর পড়া পানি।"উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের সম্পূর্ণ অংশের সাথে মিলে না"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের খন্ডাংশ মাত্র, সামগ্রিক চিত্র নয়।”- বিশ্লেষণ করো।
- মজিদ জমিলার মধ্যে খোদাভীতি জাগাতে চায় যেকারণে—জমিলাকে বশ করতেস্বীয় আধিপত্য বিস্তার করতেস্রষ্টার সন্তুষ্টির জন্যনিচের কোনটি সঠিক?
- মেহের আলী রসুলপুর গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলে তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে, মেহের আলী সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত সোলায়মান আলীকে। তার ওপর মেহের আলীর অগাধ বিশ্বাস। তাই সোলায়মান আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন মেহের আলী তা বাস্তবায়ন করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন সোলায়মান আলী মেহের আলীকে বললেন, 'মেহের, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় মেহের আলী।"উদ্দীপকে মেহের আলীর স্ত্রীর জীবন এবং 'লালসালু' উপন্যাসের আমেনা বিবির জীবনের পরিণতি একই"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- আক্কাসের বাবার নাম কী?
- রমজান ও হালিমার দশ বছরের সংসার। বিয়ের পর থেকে অনেক চেষ্টার পরও তাদের কোনো সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরে এক গ্রামের কেরামত নামক কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল রমজান দ্রুত হালিমাকে সেখানে নিয়ে যায়। কবিরাজ হেকমত অনেকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে বলেন "পেটে বেড়ি পড়ে বইলাইতো স্ত্রীলোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ কারো চৌদ্দ।উদ্দীপকের রমজান ও 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর মধ্যে বিদ্যমান সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- করিম মুন্সীর স্ত্রী মোমেনা বেশ সহজ-সরল। স্বামীর প্রতিতার বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতা প্রবল। সাধারণ মানুষেরসারল্য ও খোদাভীতিকে পুঁজি করে তার স্বাম?? তাবিজ বিক্রিকরে এবং পানি পড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে।উদ্দীপকের করিম মুন্সী ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়েরই ব্যাবসার উৎস হলো— প্রতারণা মানুষের সরলতাধর্মভীতিনিচের কোনটি সঠিক?
- খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করে সুজন গ্রামে এসে সাধারণ মানুষের সেবাদানের উদ্যোগ গ্রহণ করে। গ্রামে একটি হাসপাতাল তৈরি তার ??োটোবেলার স্বপ্ন। যখন সুজন তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিচ্ছে, তখনই গ্রামের অশিক্ষিত মানুষগুলো এর প্রতিবাদ জানায়। গ্রামবাসী মনে করে হাসপাতাল তৈরি হলে কাটাছেঁড়া করতে গিয়ে ডাক্তাররা মানুষ মেরে ফেলবে। তাদের কাছে ডাক্তার মানেই কসাই। তার চেয়ে গ্রামের কবিরাজ, ফকির, বৈদ্য, ঝাড়ফুঁকেই তাদের জন্য মঙ্গল। কসাই ডাক্তারখানার দরকার নেই।উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের সাদৃশ্য দেখাও।
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারী সমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্ন্যা ছাড়া তাদের আর কোন অধিকার ছিল না।"উদ্দীপকের বর্ণিত বিষয়গুলো রহিমার মধ্যে বিদ্যমান"- মন্তব্যটির পক্ষে ও বিপক্ষে মতামত দাও।
- 'নাফরমানি করিও না। খোদার ওপর তোয়াক্কল রাখো।' ব্যাখ্যা করো।
- তোমার দাড়ি কই মিঞা?__কাকে বলা হয়েছে?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- বুঝিয়ে লেখো।
- ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- রসুলপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের দুরন্ত মেয়ে নাসরিন। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটোছুটি করা, অবাধ সাঁতার কাটা তার আনন্দের কাজ। নাসরিনের বিয়ে হয় পাশের গ্রামের, মাতব্বরের সাথে। গ্রামের সকলেই তাঁকে মানলেও নাসরিন তাঁকে মানে না।"নাসরিন 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।"- ব্যাখ্যা করো।
- খালেক ব্যাপারি দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- সুপ্রভা প্রভুত্ব করার চেয়ে নির্ভর করিতেই ভালোবাসে বেশি, আদর পাওয়াটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্য। মন্দার গৃহিণীপনার ভিত্তিও ওইখানেই-সুপ্রভাকে সে নয়নের মণি করিয়া রাখিয়াছে। কে বলিবে সুপ্রভা তাহার সতিন? স্নেহ-যত্নে সুপ্রভার দিনগুলিকে সে ভরাট করিয়া রাখে। সতিনের সংসারেও তাই এখানে কলহ-বিবাদ মান-অভিমান মন-কষাকষি নাই।"উদ্দীপকের মন্দার ও সুপ্রভার চেয়ে পাঠ্য উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা অধিকতর প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী।"-বিশ্লেষণ করো।
- হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক-বৃদ্ধ যুবক-বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর কিংবা বদরপীরের সাহায্যও কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরেই হয়তো অভাব আছে কিন্তু তাদের দুঃখ-কষ্ট আছে কিনা তা বোঝা দায়। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা এদের ঠকায়।'এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ'- উদ্দীপকের এই উক্তির আলোকে মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরো।
- 'তাগো কথা হুনলে পুরুষ মানুষ আর পুরুষ থাকে না, মেয়ে মানুষের অধম হয়'- কে কেন বলেছে?
- তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের মানুষেরা নিত্য অভাব-অনটন নিয়ে বসবাস করে। দিনের পর দিন আসে, কিন্তু হতভাগা এ অঞ্চলের মা??ুষদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন আসে না। বৎসরান্তে তিস্তার অপ্রতিরোধ্য ভাঙ্গন মানুষকে আরও বেশি অসহায়, নিঃস্ব করে ফেলে। শস্যহীন মানুষগুলো ক্ষুধা-তৃষ্ণা, রোগ-শোক, শিশুর আর্তচিৎকার, সব মিলিয়ে আনন্দহীন এক মানবেতর জীবন অতিবাহিত করে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য তারা কখনো কখনো মানত করে। এতেও তাদের জীবনযাত্রায় কোনো পরিবর্তন আসে না। ভাগ্যের অন্বেষণে তখন তারা বহির্মুখী হয়ে ওঠে।"উদ্দীপকের দুর্ভাগা মানুষগুলো ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য যে মানত করে ও বহির্মুখী হয়, তা 'লালসালু' উপন্যাসের পশ্চাৎপদ দারিদ্র্যপীড়িত সমাজ বাস্তবতারই প্রতিরূপ।"- তুমি কি এ মত সমর্থন কর? যুক্তিসহকারে আলোচনা কর।
- “তোমার দাড়ি কই মিঞা”- উক্তিটি কাকে উদ্দেশ্যকরে বলা?
- মমতাজ প্রভুত্ব করার চেয়ে নির্ভর করিতেই ভালোবাসে বেশি, আদর পাওয়াটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্য। কুলসুমের গৃহিণীপনার ভিত্তিও ওইখানেই। মমতাজকে সে নয়নের মণি করিয়া রাখিয়াছে। কে বলিবে মমতাজ তাহার সতীন? স্নেহ-যত্নে মমতাজের দিনগুলিকে সে ভরাট করিয়া রাখে।- সতীনের সংসারেও তাই এখানে কলহ-বিবাদ, মান-অভিমান, মন-কষাকষি নাই।"উদ্দীপকের কুলসুম ও মমতাজের চেয়ে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা অধিকতর প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী।"- বিশ্লেষণ করো।
- ‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচনা নয়?
- মহাসড়কের পাশে পুরাতন একটি কবরকে মাজার বানিয়ে জমজমাট ব্যবসায় চালিয়ে যাচ্ছে মোখলেছ। কবরটিকে মাজারে রূপান্তরিত করার ঘটনাটি ছিল বেশ নাটকীয়। একদিন একটি যাত্রীবাহী বাস কবরটির পাশে সামান্য ধাক্কা লেগে থেমে যায়। ঠিক তখনি কবরের পাশে দাঁড়ানো মোখলেছ ড্রাইভারকে ধমকে বলে, "ল্যাংটা বাবার সাথে বেয়াদবি। সামনে তোর জন্য মহাবিপদ অপেক্ষা করছে। বাঁচতে চাইলে বাবার দরবারে যার যা আছে ফেলে যা।" মুহূর্তের মধ্যে বাসের জানালা দিয়ে কবরের পাশে বৃষ্টির মতো পড়তে লাগলো দশ টাকা, বিশ টাকা এবং একশ টাকার নোট।উদ্দীপকে বর্ণিত মাজার প্রতিষ্ঠার ঘটনাটি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার অনুরূপ? বিশ্লেষণ কর।
- বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।' উক্তিটির তাৎপর্য হলো-নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করাবিশেষ ক্ষমতার অধিকারী মনে করাঅন্ধভাবে বিশ্বাস করানিচের কোনটি সঠিক?
- 'দলিল-দস্তাবেজ জাল হয়, কিন্তু খোদাতালার কালাম জাল হয় না'- একথার তাৎপর্য কী?
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালন করেন।শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবের বিরোধবাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।সাদৃশ্যের কারণ হলো, উভয়ই- কৃতঘ্নক্ষমতালোভীঅর্থলোভীনিচের কোনটি সঠিক?
- মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের বিশেষ কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া কৃষ্ণ'- উদ্ধৃতিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'কোটরাগত নিমীলিত সে চোখে একটুও কম্পন নেই'- 'লালসালু' উপন্যাসের উক্ত বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে-
- পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে যারা নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে সদা তৎপর। নিজের ক্ষমতা, লোভ, প্রভাব ও স্বপ্নকে টিকিয়ে রাখতে যেকোনো কাজ তার দ্বারা সম্ভব। যারা প্রবৃত্তির এই ফাঁদে পা দেয় তারাই জানে এই দুনিয়ায় সচ্ছলভাবে টিকে থাকতে হলে তাকে নিজের সবটুকু দিয়েই চেষ্টা করতে হবে। ন্যায়-অন্যায়, পাপবোধ সেখানে ক্ষি ক্ষণিকের জন্য জন্য বিবেকবোধকে বিবেক জাগ্রত করলেও ৯৮ তা দুনিয়ার স্বার্থে অচিরেই ম্লান হয়ে যায়।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? যুক্তি দেখাও।
- 'বিষাদ সিন্ধু' কোন ধরনের রচনা?
- 'লালসালু' উপন্যাসের চরিত্র কোনটি?
- মজিদ আক্কাসকে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয় কেন?
- জনাব নুরুল ইসলাম একজন শিল্পপতি। দীর্ঘকাল পর তিনি নিজ গ্রামে এসে দেখেন, এখানকার মানুষ এখনও দুঃখদুর্দশা আর অভাব-অনটনে জর্জরিত। তাই তিনি মনিস্থর করেন যে, গ্রামে একটি ফ্যাক্টরি স্থাপন করবেন। এতে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু গ্রামের চেয়ারম্যান তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, বেকার লোকেরা কর্মজীবী হয়ে গেলে তাদেরকে আর মিটিং-মিছিলে ব্যবহার করা যাবে না।'উদ্দেশ্যগত মিলই উদ্দীপকের চেয়ারম্যান ও উপন্যাসের মজিদ চরিত্র দুটোকে পরস্পরের প্রতিনিধি করে তুলেছে' মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ করো।
- সময়ে অসময়ে মিথ্যা কথা না বললে নয়। উক্তিটির প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধর।
- লালসালু উপন্যাসে 'প্রাণধর্মের সহজ প্রকাশে'র প্রতীক নারীচরিত্র-
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়া জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।"উদ্দীপকের তোতা মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারী দুজনেরই পরিণতি বেদনাবহ।"- বিচার কর।
- আওয়ালপুরের পির সাহেবের প্রধান মুরিদ কে?
- নারিশা গ্রামের একটা ভাঙা রাস্তা মেরামতের জন্য জনপ্রতিনিধিদের নিকট ধর্ণা দিতে দিতে গ্রামের মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। গ্রামেরই ছেলে বুলবুল একদিন গ্রামের ছেলেদের নিয়ে খাল থেকে মাটি তুলে রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু করে দিল। চেয়ারম্যান এসে ধমকের সুরে বুলবুলকে বললেন, 'তুমি কার মাটি কার রাস্তায় ফেলছ? অনুমতি নিয়েছ? খালের পাড় ভেঙে জমিজমা ঘরবাড়ি নষ্ট হবে না? এমন পাপের কাজে ছেলেদের জড়ালে কেন, ওদের মা-বাবার অনুমতি নিয়েছ? শিশুশ্রম নিষিদ্ধ জানো না? ভুল স্বীকার করে এ কাজে বিরত না হলে তোমার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খেতে এসেছ?''উদ্দীপকের বুলবুলের কার্যক্রম আইনবিরোধী নয়, কর্তৃত্ববাদীদের জন্য অশনিসংকেত।'- 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।