'নিরাক পড়া' কী?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ঝালরওয়ালা সালু দ্বারা আবৃত কবরটি দেখতে কীসের মতো?
- মজিদের সহযোগী ব্যক্তিটির নাম কী?
- মজিদকে দেখে প্রথম জমিলার কী মনে হয়েছিল?
- ‘লালসালু’ উপন্যাসের প্রকৃত প্রতিপাদ্য-
- মজিদের আবিষ্কৃত পিরের নাম কী?
- ফকির মুন্সীর স্ত্রী মরিয়ম সহজ-সরল মেয়ে। স্বামীর প্রতি তারঅগাধ অটল বিশ্বাস। তার বিবেচনায় ফকির মুন্সী একজনকামেল ও পরহেজগার লোক। অথচ গ্রামের অশিক্ষিতসহজ-সরল মানুষের খোদাভীতিকে কাজে লাগিয়ে ফকিরমুন্সী নানা ফতোয়া জারি করে সাধারণ মানুষকে ঠকায় । 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সঙ্গে উদ্দীপকেরমরিয়মের সাদৃশ্য রয়েছে?
- ‘লালসালু’ উপন্যাসে রহিমার পেটে কত প্যাচ বেড়ি রয়েছে?
- তাহেরের বাপ নিরুদ্দেশ হয়ে যায় কেন?
- ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশেবুঝছোনি ভাই বুঝছোনি, আসল কথা বুঝছোনি?এক গেরামের গরিব চাষি কালামিয়া নামসবার পেটে ভাত জুটাইতে ক্ষেত্রে ঝরায় ঘামও তার ছাওয়াল কান্দে ক্ষুধার জ্বালায়মহাজনরা হাসে।ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশে।'জমিদার, মুৎসুদ্দি শ্রেণির বিলোপ হলেও আধুনিক পির প্রথা সেই স্থান দখল করে নিয়েছে।' বক্তব্যটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস অবলম্বনে বিচার করো।
- রমজান ও হালিমার দশ বছরের সংসার। বিয়ের পর থেকে অনেক চেষ্টার পরও তাদের কোনো সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরে এক গ্রামের কেরামত নামক কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল রমজান দ্রুত হালিমাকে সেখানে নিয়ে যায়। কবিরাজ হেকমত অনেকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে বলেন "পেটে বেড়ি পড়ে বইলাইতো স্ত্রীলোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ কারো চৌদ্দ।উদ্দীপকের কেরামত কবিরাজ এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের লোক ঠকানোই পেশা- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদের পলাশনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক সুজন গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষকে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে একটি নৈশবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকে অপশক্তি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন শক্তিকে নির্দেশ করে? সেই শক্তির উৎস সম্পর্কে মতামত পেশ করো।
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচনা নয়?
- দরিদ্র বালক সবুজের তিন কুলে কেউ নেই। পেটের দায়ে লঞ্চঘাটে গিয়ে পাঁচ টাকার বিনিময়ে একজনের ব্যাগ মাথায় নিতেই পুরোনো কুলিরা তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। সবুজ দমে না গিয়ে সেখানে শেকড় গাড়ার চেষ্টা করে। একসময় সে কুলিদের সর্দার হয়। তাতেও সে নিশ্চিন্ত হতে পারে না। বিশাল এ দুনিয়ায় সে অর্থবিত্ত অর্জনের পাশাপাশি প্রভাব, প্রতিপত্তি ও আধিপত্যের নেশায় মেতে ওঠে। পরবর্তীতে তার সব হয়। এখন আর কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে পারে না।উদ্দীপকের সবুজ 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?- আলোচনা কর।
- 'আসলে সে ঠান্ডা, ভীতু মানুষ'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।'- ব্যাখ্যা করো।
- মহাসড়কের পাশে পোড়াবাড়ি গ্রামে ফসিপাগলের মাজার। মঙ্গল লাভের আশায় টাকা- পয়সা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল মানত করা হয় এই মাজারে। চলমান বাসের চালক, যাত্রাপথের পথিক ভক্তিভরে পর্যাপ্ত দান করে। মাজারের খাদেম এখন প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক। এলাকায় তার প্রভাব-প্রতিপত্তিও কম নয়। কে এই ফসিপাগল? কী তার পরিচয়? এসব প্রশ্নের কোনো প্রকার সদুত্তর মেলে না তার কাছে।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা করো।
- মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ একটি-
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খো???াই সে-চোখ।' কাদেরকথা বলা হয়েছে?
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে । কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া 'ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।'উদ্দীপকে প্রতিফলিত সমাজচিত্রে 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন ঘটেনি।'-আলোচনা করো।
- পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে যারা নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে সদা তৎপর। নিজের ক্ষমতা, লোভ, প্রভাব ও স্বপ্নকে টিকিয়ে রাখতে যেকোনো কাজ তার দ্বারা সম্ভব। যারা প্রবৃত্তির এই ফাঁদে পা দেয় তারাই জানে এই দুনিয়ায় সচ্ছলভাবে টিকে থাকতে হলে তাকে নিজের সবটুকু দিয়েই চেষ্টা করতে হবে। ন্যায়-অন্যায়, পাপবোধ সেখানে ক্ষি ক্ষণিকের জন্য জন্য বিবেকবোধকে বিবেক জাগ্রত করলেও ৯৮ তা দুনিয়ার স্বার্থে অচিরেই ম্লান হয়ে যায়।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'লালসালু' উপন্যাসে শাসন ও শোষণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিবরণের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- “লালসালু” উপন্যাসে 'নলি' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ'- বাক্যটিতে মরার দেশ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- "বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই যে চোখ।"-এ উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?'- ব্যাখ্যা করো।
- 'নাফরমানি করিও না। খোদার উপর তোয়াক্কল রাখ" – উক্তিটি কার?
- লক্ষ্মীপুর গ্রামের দাহির ও পারুলের আজ সাত বছরের সংসার। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তাদের কোনো সন্তান নেই। এজন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়েই চরম হতাশায় নিমজ্জিত। এমন অবস্থায় তারা শুনতে পায়; পাশের গ্রামের চেয়ারম্যানের বাড়িতে এক কামেল পির সাহেব এসেছে। তাদের মনে যেন আশার আলো, জ্বলে। স্ত্রী পারুলকে সাথে নিয়ে পরদিনই দাহির পির সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করে। পির সাহেব পারুলকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে জানায়, 'পেটে বেড়ি পড়ে বইলাই তো স্ত্রীলোকদের সন্তান হয় না।'"উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের বর্ণিত পির সাহেবের চেয়ে বেশি ক্ষমতাশালী নয়।"-এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- আওয়ালুপুরের পিরসাহেবের প্রধান মুরিদের নাম কী?
- ত্রিপুরা রাজ মন্দিরের পুরোহিত রঘুপতি মিথ্যা ধর্মবোধ ও অন্ধসংস্কারের ধারক। মন্দিরে বলিদান প্রথার বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদের বাণী ধ্বনিত হয় অপর্ণার মধ্যে। তার ছাগ-শিশু বলির বিচার দাবি 'বিসর্জন' নাটকের বিরোধের বীজ। এ বীজ প্রথম বপিত হয় রাজার হৃদয়ে। আর এ বপিত বীজের কারণে রাজার বিরুদ্ধে বিরোধ, জয়সিংহের আত্মবিসর্জন, রঘুপতির প্রতিমা বিসর্জন এবং পরিণতিতে মাতৃরূপে অপর্ণার নিকট রঘুপতির দর্প চূর্ণ হয়।'প্রচলিত প্রথা ও কুসংস্কার কখনো ব্যক্তি ও সমাজের জন্য সহায়ক নয় বরং অন্তরায়' উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- কী মিঞা? তোমার দিলে কি ময়লা আছে?- এখানে ময়লা কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারী সমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্ন্যা ছাড়া তাদের আর কোন অধিকার ছিল না।উদ্দীপকের বর্ণিত বিষয়গুলো ছাড়া 'লালসালু' উপন্যাসে নারী অবমাননার আর কী কী চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে?
- 'প্রশ্নটি এইরকম যে মজিদের ইচ্ছা হয় একটা হুঙ্কার ছাড়ে।' মজিদের এই ক্ষোভ যার আচরণের প্রতিক্রিয়ায়-
- মজিদ আওয়ালপুর যায় কেন?- ব্যাখ্যা করো।
- কিছু কিছু মানুষ তাদের চাওয়া-পাওয়ার প্রত্যক্ষ উৎস হিসেবে মাজারকে বেছে নেয়। হরেক রকম মানত করে। তেমনি এক অসহায় বৃদ্ধ সালাম মণ্ডল। তার রোগগ্রস্ত ছেলের জন্য মাজারে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি মানত করে। এতে ছেলের শারীরিক কোনো উন্নতি ঘটে না। ছেলে তার দিনকে দিন খারাপের দিকেই যায়। তার শেষ সম্বল টাকা-পয়সা যা ছিল তাও সে মাজারে ছুড়ে দিয়ে ছেলের জন্য রোগমুক্তির প্রার্থনা করে।উদ্দীপকে বর্ণিত সালাম মন্ডলের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রের বর্ণনা দাও।
- দোগাছা গ্রামের সুশিক্ষিত ও স্বশিক্ষিত রিপন ঢাকা থেকে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেছে। সে নিরক্ষর মানুষকে সাক্ষর করতে গ্রামে একটি নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। এ কল্যাণমূলক কাজে সমাজপতি জব্বার বাধা দেয়। গ্রামের মৌলবি, সমাজপতি ও মূর্খ গ্রামবাসীর কাছ রিপণের মহৎ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।উদ্দীপকের রিপন 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- 'দেশটা কেমন মরার দেশ'- এ কথা বলা হয়েছে কেন?
- ‘বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।’ লালসালু উপন্যাসে গ্রামবাসী সম্পর্কে লেখকের এই মন্তব্যের তাৎপর্য-
- 'কোটরাগত নিমীলিত সে চোখে একটুও কম্পন নেই'- 'লালসালু' উপন্যাসের উক্ত বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে-
- গারো পাহাড় মধুপুর গড় থেকে কত দিনের পথ?
- মেহের আলী রসুলপুর গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলে তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে, মেহের আলী সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত সোলায়মান আলীকে। তার ওপর মেহের আলীর অগাধ বিশ্বাস। তাই সোলায়মান আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন মেহের আলী তা বাস্তবায়ন করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন সোলায়মান আলী মেহের আলীকে বললেন, 'মেহের, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় মেহের আলী।উদ্দীপকের মেহের আলী 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতীক বহন করে? যুক্তিসহকারে আলোচনা করো।
- ‘বিষাদ সিন্ধু’ একটি–