‘ঐকতান’ কবিতায় কবি মনের ক্ষোভে কোন ধরনের গ্রন্থ পড়েন?
A. ভ্রমণবৃত্তান্ত
B. ধর্মগ্রন্থ
C. ইতিহাস
D. পল্লীকাব্য
সঠিক উত্তরঃ
A.
ভ্রমণবৃত্তান্ত
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি মনের ক্ষোভে কোন ধরনের গ্রন্থ পড়েন জানতে চাওয়া হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. ভ্রমণবৃত্তান্ত: সঠিক, কবি মনের ক্ষোভের মধ্যে ভ্রমণবৃত্তান্ত পড়ছেন। B. ধর্মগ্রন্থ: ভুল, কবি এখানে ধর্মগ্রন্থ পড়েননি। C. ইতিহাস: ভুল, কবি ইতিহাস বই পড়ছেন না। D. পল্লীকাব্য: ভুল, কবি এখানে পল্লীকাব্য পড়ছেন না। নোট: কবি মনের ক্ষোভ থেকে ভ্রমণবৃত্তান্ত পড়েন, যা তাঁর মনের অবস্থা বুঝাতে সাহায্য করে।
Related Questions (Any University/Year)
- কোন ব্যক্তি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন?
- রোহিনী'-কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- কোন নাটকটি সেলিম আল দীন লিখিত?
- বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব কে ছিলেন?
- অমিত ও লাবণ্য কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- \আমি সেই ______অস্ত্রের প্রত্যাশী\- চরণটির শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে?
- “জ্ঞানের দীনতা এই আপনার মনে পূরণ, করিয়া লই যত পারি ______ ধনে।” শূন্যস্থানের যথার্থ শব্দ কোনটি?
- শিয়া সম্প্রদায়ের শিয়া শব্দটি কোন অর্থে প্রয়োগ করা হয়?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।জালিয়াতির চেষ্টা' বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূল/মৌলিক রচনা কোনটি?
- লোক-লোকান্তর' কবিতায় কবি তাঁর কাব্যচেতনাকে মূর্ত করেছেন কোন অলঙ্কারের মধ্যে দিয়ে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- “গাছ যদি হয় বীজের জোরে, ফল তো ধরেনা” কোন কবিতার অংশবিশেষ?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।বক্তিয়ার খিলজিকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- আফিমের ঘোরে কমলাকান্ত বিড়ালকে কী মনে করেছিল?
- “তারি পরে ভর দিয়া চলিতেছে .........সংসার”- চরণটির শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে ?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকা দারিদ্র্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে কোনটি নির্দেষ করেছেন?
- নীল দর্পণ ' নাটক ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?
- ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের নায়কের নাম কী?
- এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির-কাবা নাই' কোন কাব্যগ্রন্থে?